Logo
আজঃ Wednesday ১০ August ২০২২
শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ২৪৩৫ লিটার চোরাই জ্বালানি তেলসহ আটক-২ নাসিরনগরে বঙ্গ মাতার জন্ম বার্ষিকি পালিত রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড

‘বাহার এলাকা না ছাড়লে ইসির কিছুই করার নেই’

প্রকাশিত:Sunday ১২ June ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৭৬জন দেখেছেন
Image

আসন্ন কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) নির্বাচন সুষ্ঠু-সুন্দর করার স্বার্থে নির্বাচনী বিধি মোতাবেক স্থানীয় (কুমিল্লা-৬ আসনের) সংসদ সদস্য আ. ক. ম. বাহাউদ্দিন বাহারকে নির্বাচনকালীন এলাকা ত্যাগ করতে চিঠি দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু কমিশনের চিঠি পেয়েও আওয়ামী লীগ দলীয় এই এমপি এলাকা না ছাড়ায় অসহায়ত্ব প্রকাশ করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। এমপি বাহার এলাকা না ছাড়লে ইসির কিছুই করার নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।

এমপি বাহাউদ্দিন বাহার সম্পর্কে সিইসি বলেছেন, আমরা যখন কাউকে রিকোয়েস্ট করি, উনাকে যদি আমরা বলে থাকি নির্বাচনী আচরণবিধিতে এটা আছে, আপনি যদি একটু সরে থাকেন, তাহলে নির্বাচনটা ভাল হয়। সে চিঠিটা আমরা প্রকাশ করেছি। এটাই তো একজন সংসদ সদস্যের জন্য এনাফ। এটাকে তো অনার করা লাগবে। যদি উনি কমিশনের চিঠিকে অনার না করেন আমাদের তো তেমন কিছু করার থাকে না।

রোববার (১২ জুন) নির্বাচন ভবনে সাবেক নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে সংলাপ শেষে সিইসি সাংবাদিকদের কাছে এ প্রতিক্রিয়া জানান।

কুসিক নির্বাচন ঘিরে এমপি বাহারের এলাকা না ছাড়া বিষয়ে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, আমাদের কিছু আইনগত দিক আছে। কিছু ক্ষমতা আংশিক, কিছু পরিপূর্ণ। কুমিল্লায় যা বলা হয়েছে- সরকারি সুবিধাভোগী অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা নির্বাচনী এলাকায় থাকতে পারবেন না। সংসদ সদস্য (এমপি বাহার) এ আচরণবিধি ভঙ্গ করছেন বলে প্রতীয়মান হয়েছে, আমরা উনাকে চিঠির মাধ্যমে এলাকা ছাড়তে বলেছিলাম। উনি এলাকা ছাড়েননি। উনি মামলা করেছেন, আমরা ফলাফল পাইনি।

সাবেক নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে সংলাপের বরাত দিয়ে সিইসি বলেন, সংলাপে অতিথিরা বলেছেন, বর্তমান সিস্টেমে কুসিকে খুব বেশি ভালো নির্বাচন করা সম্ভব নয়। তবে আমরা যদি দৃঢ় থাকি, আইন দৃঢ়ভাবে বাস্তবায়নের চেষ্টা করি, তাহলে পরিস্থিতির অনেকটা উন্নয়ন সম্ভব।

সিইসি মনে করেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা ও ঐক্যমত না থাকলে কমিশনের একার পক্ষে ভালো নির্বাচন করা কষ্টকর হবে।

তিনি বলেন, সাবেক সিইসি রউফ সাহেব (বিচারপতি মোহাম্মদ আব্দুর রউফ) প্রার্থী অনুযায়ী নয়, দলভিত্তিক নির্বাচনের কথা বলেছেন। নির্বাচনে দেখা গেল যে অনেক আগে থেকে দলগুলো তাদের টোটাল প্রার্থীর নাম দিয়ে যাবে। সবাই তিনশ আসনে দিল। পার্টি ক, খ, গ, ঘ। যে যত ভোট পেয়েছে, সেভাবে আসন পাবে। এই ধরনের একটা সিস্টেম আছে। তবে এটা আমাদের বিষয় নয়। দলগুলোকেই দেখতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান আইনি ও সাংবাধিনাকি কাঠামোর মধ্যে থেকেই আমাদের নির্বাচন করতে হবে। কেউ কেউ বলেছেন, একাধিক দিনে নির্বাচন করলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন সহজ হবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে। কেউ কেউ এতে সমস্যার দিকটিও উল্লেখ করেছেন। এ নিয়ে কোনো ঐক্যমত হয়নি। কাজেই একাধিক দিনে নির্বাচন করলে আমাদের জন্য অসুবিধাও হতে পারে। সেরকম প্রস্তুতিও আমাদের নেই।

রাজনৈতিক দলগুলোকে পরামর্শ দিতে সমস্যা কোথায়, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, এখনো দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করিনি। সবাই বলেছেন নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হতে হবে। নির্বাচন যদি ইনক্লুসিভ না হয়, নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা বাস্তব অর্থে থাকবে না। আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতি অনেকটা নষ্ট হয়ে গেছে। এ কালচারের মধ্যে কিছু ইতিবাচক গুণ আনতে হবে। দলগুলোর মধ্যে পরমত সহিষ্ণুতা ও ঐক্যমত না থাকলে কমিশনের একার পক্ষে খুব ভাল নির্বাচন করা সম্ভব হবে না। এটা আমরা যেমন বলেছি, সংলাপে অতিথিরাও বলেছেন।

সিইসি জানান, শিগগির রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করবো। যখন মতবিনিমিয় করবো আমরা সাজেশন চাইবো। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরো ভালো পদ্ধতিগত কী পরিবর্তন আনা যায়, সুন্দর ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য তা জানতে চাইবো। ব্যক্তি নয়, সিস্টেম যদি উন্নত করতে পারি, নির্বাচন অনেক বেশি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে।


আরও খবর



বাস সংকটে সিএনজিতে দেড়শো টাকার ভাড়া ৪০০

প্রকাশিত:Saturday ০৬ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ১৮জন দেখেছেন
Image

যাত্রাবাড়িতে বসবাসরত বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আমিনুল ইসলামের গন্তব্য বাড্ডায়। সকালে বাসা থেকে বেড়িয়ে অন্যদিনের মতো সিএনজি চালিত অটোরিকশা ভাড়া করতে গিয়ে অনেকটা অবাক হলেন তিনি। রাতের ব্যবধানে এই বাহনটিতে ভাড়া দ্বিগুণ হয়ে গেছে। অথচ ডিজেল, অকটেন, পেট্রলের দাম বাড়লেও গ্যাসের দাম বাড়েনি।

শনিবার (৬ আগস্ট) সকালে রাজধানীতে সব ধরনের যানবাহনে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাড়তি ভাড়া আদায় করতে দেখা গেছে।

আমিনুল ইসলাম জানান, সিএনজিই শুধু নয়, বাস ও মোটরসাইকেলেও ভাড়া বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। যেই মোটরসাইকেলে আগে ভাড়া নিতো ১৫০ টাকা সেটি এখন ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা দাবি করা হচ্ছে। বাধ্য হয়ে বাসে উঠতে চাইলেও বাধে বিপত্তি, কারণ সড়কে হাতে গোনা কিছু বাস থাকলেও ভাড়া বেড়েছে দ্বিগুণ। এমন পরিস্থিতি সাধারণ মানুষের নাজেহাল অবস্থা।

গ্যাসের দাম না বাড়লেও ভাড়া কেন বাড়ল জানতে চাইলে একজন সিএনজি চালক বলেন, রাস্তায় তো গাড়ি নাই, ভাড়া তো একটু বেশি হইবই। বাসে তো দ্বিগুণ ভাড়া দিয়ে যাইতে হইতাছে, ওরা একবাসে লোক দিচ্ছে ৫০ জনের বেশি। কিন্তু আমি তো একজন নিয়াই চালাইতাছি, তাইলে আমার এইখানে দাম বাড়ব না কেন। পাবলিকের যত সমস্যা সিএনজির সঙ্গেই।

বাসের ভাড়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে অনাবিল পরিবহনের হেলপার শহিদুল জানান, গতকালকে তো সব কিছুর দাম বাড়ছে। রাত থেকেই তো বাড়ছে, তাই আমরাও ভাড়া বাড়াইছি। এহন আমরা নিজেগো মতো ভাড়া নিতাছি, পরে সরকার নির্ধারণ কইরা দিলে তেমনে ভাড়া নিমু।

CNG2

এদিকে জ্বালানির দাম বৃদ্ধির কারণে সৃষ্টি পরিস্থিতির জন্য অনেকেই সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

রাজিউল হাসান নামের একজন গণমাধ্যমকর্মী লিখেছেন, ‘আজ রাজধানীসহ সারা দেশে যে পরিবহনের সংকট চলছে, তা কিন্তু জ্বালানির দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে নয়। মানবসৃষ্ট এই সংকট পরিবহন ভাড়া বাড়াতে। মজার বিষয় হলো, ডিজেল-পেট্রোলের দাম বেড়েছে কাল রাতে, আর আজ সকালেই বেড়ে গেছে রিকশা সিএনজিচালিত অটোরিকশার ভাড়া। এভাবেই অচিরেই আমাদের জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্রে সবকিছুর ব্যয় ৫০ শতাংশ বা তার বেশি বাড়বে। কিন্তু আমাদের আয় বাড়বে না।

তিনি আরও লিখেন, ক্ষেত্র বিশেষে আমাদের আয় কমবে, মন্দার নামে চাকরি হারাব আমরা। এই কঠিন সময়ে একটা গোষ্ঠী কিন্তু ভালো থাকবে। কারণ তারা কালো টাকার মালিক। আমিও আমার পরিবারকে, নিজেকে ভালো রাখতে এখন কালো টাকার মালিক হতে চাই। কিন্তু সেটা কীভাবে অর্জন করতে হয়, তা তো আমার জানা নেই। তাই ভাবছি, আমার কাছে যে দু-চার-পাঁচ শ টাকা আছে সেগুলোয় কালো রঙ মেখে দেব। আপাতত এভাবেই কালো টাকার মালিক হওয়ার ব্যক্তিগত উদ্যোগটা শুরু করব।’


আরও খবর



প্রতিবন্ধী নারীর টাকা গেলো ভুল নম্বরে, উদ্ধার করে দিলো পুলিশ

প্রকাশিত:Tuesday ০৯ August ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ১২জন দেখেছেন
Image

নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার শারীরিক প্রতিবন্ধী নারীর ভুল নম্বরে চলে যাওয়া চিকিৎসার ২০ হাজার টাকা নাটোরের বাগাতিপাড়া থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) দুপুরে কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম প্রকৃত মালিকের হাতে টাকা তুলে দেন।

এ সময় টাকা হাতে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন শারীরিক প্রতিবন্ধী নারী নাছরিন আক্তার। তিনি কবিরহাট পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইন্দ্রপুর গ্রামের মো. গোলাম মাওলার মেয়ে।

নাছরিন আক্তার জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমার ভাই সাইফুল ইসলাম কুয়েত থেকে আমার চিকিৎসার জন্য ২০ হাজার টাকা পাঠায়। অসাবধানতাবশত টাকাগুলো ভুল বিকাশ নম্বরে চলে যায়। এ ঘটনায় ২ আগস্ট কবিরহাট থানায় সাধারণ ডায়েরি (নম্বর-৬২) করি। এক সপ্তাহ পর আজ ওসি স্যারের কাছ থেকে সেই টাকা বুঝে পেলাম। পুলিশের সহযোগিতায় আমি মুগ্ধ।’

ওসি মো. রফিকুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, অভিযোগ পেয়ে পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলামের নির্দেশে উপ-পরিদর্শক (এসআই) এনামুল হক দিপুকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নাটোরের বাগাতিপাড়া থানা এলাকা থেকে জনৈক মিরাতুল ইসলামের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। পরে তা প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


আরও খবর



মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ৫ বছর পর গ্রেফতার

প্রকাশিত:Monday ০৮ August ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ১২জন দেখেছেন
Image

মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এক পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট (এটিইউ)। গ্রেফতার আসামির নাম মো. নজরুল ইসলাম (৭৫)। তার বাড়ি খুলনার বটিয়াঘাটায়। রাজধানীর মিরপুরে শাহ আলী থানা এলাকায় থাকতেন তিনি।

সোমবার (৮ আগস্ট) দুপুরে গ্রেফতারের বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন এটিইউয়ের পুলিশ সুপার (মিডিয়া অ্যান্ড অ্যাওয়ারনেস) মোহাম্মদ আসলাম খান।

তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল রোববার বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে রাজধানীর শাহ আলী থানাধীন এলাকা থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুন্যাল-১ এর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার নজরুল ইসলাম তার মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মামলা হওয়ার পর থেকে আত্মগোপনে যান এবং দীর্ঘ পাঁচ বছর পলাতক ছিলেন। তার অনুপস্থিতিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুন্যাল গত ২৮ জুলাই মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় খুলনার বটিয়াঘাটার ছয়জনের মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ছয় আসামি হলেন- আমজাদ হোসেন হাওলাদার, সহর আলী সরদার, আতিয়ার রহমান, মোতাছিম বিল্লাহ, কামাল উদ্দিন গোলদার ও নজরুল ইসলাম। তাদের মধ্যে নজরুল ইসলাম পলাতক থাকলেও অন্য পাঁচ আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায়ে আসামিদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং গণহত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হয়।

গ্রেফতার নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান এটিইউয়ের এ কর্মকর্তা।

একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধকালীন হামলা, নির্যাতন, হত্যা এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘরে বর্বরোচিত তাণ্ডব চালানোর অভিযোগের এ মামলায় মোট আসামি ছিল সাতজন। এরমধ্যে ছয়জন গ্রেফতার হয়ে কারাগারে ছিলেন। গ্রেফতারদের মধ্যে অভিযোগ গঠনের আগে আসামি মোজাহার আলী শেখ মারা যান। পরে বাকি ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন আদালত। এরমধ্যে নজরুল ইসলাম পলাতক ছিলেন।

এ মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ:
প্রথম অভিযোগ: ১৯৭১ সালের ১০ আগস্ট আমজাদ হোসেন হাওলাদারসহ চার-পাঁচজন রাজাকার বটিয়াঘাটার মাছালিয়া গ্রামের শান্তি লতা মণ্ডলের বাড়িতে হামলা চালিয়ে বিনোদ মণ্ডলকে অবৈধভাবে আটক-নির্যাতন, অপহরণ ও গুলি করে হত্যা করে।

দ্বিতীয় অভিযোগ: ১৯৭১ সালের ১৫ অক্টোবর বটিয়াঘাটার পূর্বহালিয়া গ্রামের চাপরাশী বাড়িতে হামলা চালিয়ে নিরস্ত্র হরিদাস মজুমদারকে আটক, নির্যাতন ও গুলি করে হত্যা করেন আসামিরা।

তৃতীয় অভিযোগ: মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ২১ অক্টোবর হিন্দু সম্প্রদায়কে নিশ্চিহ্ন করতে বটিয়াঘাটার সুখদাড়া গ্রামে হামলা চালিয়ে নিরীহ নিরস্ত্র হিন্দু সম্প্রদায়ের চারজনকে হত্যা, চার-ছয়টি বাড়ির মালামাল লুট এবং অগ্নিসংযোগ করে।

চতুর্থ অভিযোগে: ১৯৭১ সালের ২৯ নভেম্বরে আসামিরা বটিয়াঘাটার বারোআড়িয়া গ্রামে হামলা চালিয়ে মুক্তিযোদ্ধা জ্যোতিষ মণ্ডল ও আব্দুল আজিজকে গুলি করে হত্যা করে।


আরও খবর



আদালতের হাজতখানায় ডা. সাবরিনা-আরিফ

প্রকাশিত:Tuesday ১৯ July ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ৫৫জন দেখেছেন
Image

করোনার ভুয়া রিপোর্ট দেওয়ার মামলায় জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারপারসন ডা. সাবরিনা চৌধুরী ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আরিফুল হক চৌধুরীসহ আটজনের বিরুদ্ধে করা মামলার রায় আজ (১৯ জুলাই)। দুপুরের দিকে এ রায় ঘোষণার কথা রয়েছে। রায় ঘোষণার আগে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তাদের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির করা হয়েছে। তাদের রাখা হয়েছে আদালতের হাজতখানায়।

ঢাকা সিএমএম আদালতের হাজতখানার ইনচার্জ নাহিদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, কাশিমপুর মহিলা কারাগার থেকে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ডা. সাবরিনাসহ নারী আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। একই সময় কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আরিফসহ পুরুষ আসামিদের প্রিজনভ্যানে করে আদালতে হাজির করা হয়। তাদের রাখা হয়েছে আদালতের হাজতখানায়। রায় ঘোষণার আগে তাদের ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেনের আদালতে ওঠানো হবে।

তিন বছর আগে ২০২০ সালের ২৩ জুন ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় করোনা শনাক্তের জন্য নমুনা সংগ্রহ করে জেকেজি হেলথকেয়ার। কিন্তু এসব নমুনা পরীক্ষা না করেই ২৭ হাজার মানুষকে ভুয়া রিপোর্ট দেওয়া হয়। এ অভিযোগে করা হয় মামলা।

মামলার দুই মাসের মাথায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৭০/২৬৯/৪২০/৪০৬/৪৬৬/৪৬৫/৪৭১/৩৪ ধারায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন বিচারিক আদালত। এ ধারাগুলোর মধ্যে দণ্ডবিধি ৪২০ ধারায় সর্বোচ্চ শাস্তি সাত বছরের কারাদণ্ড।

গত ২৯ জুন ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেন রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য ১৯ জুলাই দিন ধার্য করেন।

এর আগে গত ১১ মে ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেনের আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনে আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন।

গত ২০ এপ্রিল একই আদালতে সাক্ষ্য দেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোর্শেদ আল মামুন ভূঁইয়া। এরপর রাষ্ট্রপক্ষ সাক্ষ্যগ্রহণ সমাপ্ত ঘোষণা করে। এ মামলায় এখন পর্যন্ত ৪০ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৬ জন বিভিন্ন সময়ে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় করোনা শনাক্তের জন্য নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষা না করেই জেকেজি হেলথকেয়ার ২৭ হাজার মানুষকে ভুয়া রিপোর্ট দেয়। এ অভিযোগে ২০২০ সালের ২৩ জুন অভিযান চালিয়ে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেওয়া হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় মামলা করলে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়।

২০২০ সালের ৫ আগস্ট ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে সাবরিনা ও আরিফসহ আটজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন ডিবি পুলিশের পরিদর্শক লিয়াকত আলী। চার্জশিটভুক্ত অন্য আসামিরা হলেন- আবু সাঈদ চৌধুরী, হুমায়ূন কবির হিমু, তানজিলা পাটোয়ারী, বিপ্লব দাস, শফিকুল ইসলাম রোমিও এবং জেবুন্নেসা।

চার্জশিটে সাবরিনা ও আরিফকে প্রতারণার মূলহোতা বলে উল্লেখ করা হয়। বাকিরা প্রতারণা ও জালিয়াতি করতে তাদের সহযোগিতা করেছেন বলে জানানো হয়।

একই বছরের ২০ আগস্ট ঢাকা মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনছারী আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। সেসময়ও তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন।


আরও খবর



মাতুয়াইলে বাস উল্টে আহত ১৯ যাত্রী, আশঙ্কাজনক ৮ জন

প্রকাশিত:Friday ২২ July 20২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ২৮জন দেখেছেন
Image

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইল মেডিকেলের সামনে বন্ধন পরিবহন নামের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গিয়ে ১৯ জন আহত হয়েছেন। তারা সবাই বাসযাত্রী ছিলেন। তাদের মধ্যে ৮ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

শুক্রবার (২২ জুলাই) ভোর ৬টা দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়।

আহতরা হলেন- রাফি (৭), মো. জনি (৩৫), কামাল উদ্দিন (২৫), রফিক (৩৪), মুন্নি (২২), শাহনাজ পারভীন (৪৫), আব্দুর রাজ্জাক (৫৫), রাহাত (২০), রফিক (৩২), রুবেল (৩০), ওমর আলী (৩৫), মোসলেম (২৫), আব্দুস শুকুর (২৫), রওশন (২২), নাসিমা আক্তার (৫৫), কামরুল (৪২), আব্দুল মান্নান (৩০), সিদ্দিক (৫৩) ও মনির (৩৫)।

acc1

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইল মেডিকেলের সামনে বন্ধন পরিবহনের একটি বাস উল্টে ১৯ বাসযাত্রী আহত হয়েছেন। তারা সবাই ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন। এদের মধ্যে আটজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।


আরও খবর