Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা

বাবা হওয়ার সঠিক বয়স কত? জানালো গবেষণা

প্রকাশিত:Saturday ১৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৫৪জন দেখেছেন
Image

বেশিরভাগ পুরুষই মনে করেন, সন্তান ধারণের ক্ষেত্রে তাদের বয়স কোনো ব্যাপার নয়। যদিও অনেক পুরুষই ৫০ বা তার বেশি বয়সের সন্তানের জনক হচ্ছেন। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অনুসারে, বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক পুরুষ ৯২ বছর বয়সে সন্তানের বাবা হয়েছেন।

আবার ৪০ বছর পার হতেই অনেকে বাবা হতে পারছেন না। এর কারণ কী? বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়সের সঙ্গে শুক্রাণুর সংখ্যা ও গুণমান কমতে শুরু করে।

গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব পুরুষ বেশি বয়সে বাবা হন তাদের সন্তানেরাই বেশি নিউরোডেভেলপমেন্টাল ডিসঅর্ডারে ভোগেন।

২০১০ সালে করা এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ৪০ বছরের বেশি বয়সী পুরুষদের সন্তানদের অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডার হওয়ার ঝুঁকি সাধারণ জনসংখ্যার তুলনায় পাঁচগুণ বেশি।

বাবা হওয়ার সঠিক বয়স কত?

জার্নাল অব এপিডেমিওলজি অ্যান্ড কমিউনিটি হেলথে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, ২৫ বছর বয়সের আগে বাবা হওয়া গুরুতর স্বাস্থ্যের পরিণতি ডেকে আনতে পারে। এমনকি মধ্য বয়সে অকালমৃত্যুও হতে পারে।
সমীক্ষায় আরও দেখা গেছে, যে পুরুষরা ২৫ বছরের আগে বাবা হয়েছিলেন তাদের স্বাস্থ্য খারাপের ঝুঁকি বেশি ছিল। আর যারা ৩০-৪৪ বয়সের মধ্যে বাবা হয়েছেন তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি ও অকালমৃত্যুর ঝুঁকিও কম।

উর্বরতা বাড়াতে পুরুষরা কী করবেন?

অনেক লাইফস্টাইল ফ্যাক্টর আছে যা আপনার শুক্রাণুর গুণমানকে ব্যাহত করে। এর মধ্যে ধূমপান, অ্যালকোহল, স্থূলতা পুরুষের উর্বরতা কমিয়ে দেয়। বিশেষ করে ধূমপান শুধু শুক্রাণুর গুণমান কমিয়েই দেয় না বরং তাদের পরিমাণ ও গতিশীলতাও কমিয়ে দেয়।

সর্বোত্তম শুক্রাণু উৎপাদন করার জন্য, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া অপরিহার্য। কিছু গবেষণা পরামর্শ দেয় যে, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবারও শুক্রাণুর মান উন্নত করতে সাহায্য করে। তবে অবশ্যই অ্যালকোহল ও ধূমপান বন্ধ করতে হবে।

এর পাশাপাশি খুব আঁটসাঁট পোশাক পরা, দীর্ঘক্ষণ আপনার কোলে ল্যাপটপ নিয়ে কাজ করা, গরম পরিবেশে প্রচুর সময় কাটানো বা দীর্ঘ সময় ধরে বসে থাকা এড়িয়ে চলুন।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া


আরও খবর



অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে ব্যবসায়ী-শিক্ষার্থী

প্রকাশিত:Tuesday ২৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ২৩জন দেখেছেন
Image

রাজধানীর বনানী ও সাভারের হেমায়েতপুরে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়েছেন এক ব্যবসায়ী ও এক শিক্ষার্থী। অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা কৌশলে অচেতন করে তাদের কাছ থেকে মোবাইল ও টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

ভুক্তভোগীরা হলেন, হেমায়েতপুরের ব্যবসায়ী আব্দুল মান্নান (৫৫) ও বনানীর শিক্ষার্থী মো. ফয়সাল আহমেদ (২৪)।

একজনকে সোমবার (২৭ জুন) সন্ধ্যায় ও আরেকজনকে রাত ৯টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ফয়সালের বাবা শাহজাহান বলেন, আমার ছেলে গাজীপুর থেকে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তির কোচিং করে ঢাকায় ফিরছিলেন। পথে বাসের মধ্যে অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা তাকে অচেতন করে টাকা ও মোবাইল নিয়ে যায়। পরে বনানীতে একটি বাস কাউন্টারে তাকে নামিয়ে দেওয়া হয়। এসময় তার কাছে একটি কাগজে আমাদের মোবাইল নাম্বার ছিল। সেখান থেকে আমাদের খবর দেওয়া হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢামেকে নিয়ে আসলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ভর্তি করা হয়।

তিনি আরও বলেন, আমাদের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার দেবিদ্বারে। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিববাড়ি স্টাফ কোয়ার্টারে থাকি।

অপরদিকে ভুক্তভোগী আব্দুল মান্নানের শ্যালক সুমন জানান, তার দুলাভাই ব্যবসা করেন। পাশাপাশি হেমায়েতপুরে বাসা রয়েছে। মিরপুর বাঙলা কলেজের পাশেও তার একটি বাসা রয়েছে। সোমবার হেমায়েতপুরের একটি ব্যাংক থেকে ৫৫ হাজার টাকা তুলে বাসে করে ঢাকায় ফিরছিলেন। পথে অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা তাকে অচেতন করে কাছে থাকা টাকা নিয়ে নেয়। পরে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢামেকে আনা হয়। এখন তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা ভুক্তভোগীদের কাছে থাকা মোবাইল ও ৬০ হাজার টাকা কৌশলে নিয়ে নিয়েছে।


আরও খবর



রূপগঞ্জ উপজেলা পরিষদের বাজেট ঘোষণা

প্রকাশিত:Thursday ১৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ১০৭জন দেখেছেন
Image

রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি : মোঃ আবু কাওছার মিঠু 

নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ২০২২-২৩অর্থ বছরের বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। বাজেটে ব্যয় ধরা হয়েছে ২২ কোটি ২৫ লক্ষ ৪২ হাজার ৮৯০ টাকা। গতকাল ১৬ জুন বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত বাজেট আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ্ নুসরাত জাহান। 


সভায় বক্তব্য রাখেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বীরপ্রতীক, উপজেলা পরিষদর চেয়ারম্যান আলহাজ¦  মোঃ শাহ্জাহান ভুইয়া, ভাইস চেয়ারম্যান সৈয়দা ফেরদৌসী আলম নীলা, উপজেলা প্রকৌশলী জামাল উদ্দিন, উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার মাসুদ মজুমদার, উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা রিগ্যান মোল্লা, মুড়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ¦ তোফায়েল আহমেদ আলমাছ, গোলাকান্দাইল ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ¦ কামরুল হাসান তুহিন, কায়েতপাড়া ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ বজলুর রহমান,  রূপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এম. এ মোমেন, সাধারণ সম্পাদক মকবুল হোসেন, এস এম খলিলুর রহমান, রূপগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. আব্দুল আউয়াল মোল্লা প্রমুখ। 


পরে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ ও জলবদ্ধতা নিরসনকে প্রাধান্য দিয়ে  ২০২২-২৩ অর্থ বছরের ২২ কোটি ২৮ লাখ ৯ হাজার ৪৯ টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়।


আরও খবর



সীতাকুণ্ডে বিস্ফোরণ: প্রাণে বাঁচলেন নাড়িভুঁড়ি বের হওয়া কবীর

প্রকাশিত:Thursday ০৯ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৫৭জন দেখেছেন
Image

সীতাকুণ্ডের বিএম কনটেইনার ডিপোতে বিস্ফোরণের কিছু সময় পরেই নিজের নাড়িভুড়ি হাতে নিয়ে দুর্ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে ছিলেন এক যুবক। মুহূর্তের মধ্যেই তার এমন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। অসহায় এ যুবকের নাম আহমদ কবীর। বাড়ি ভোলা জেলার চরফ্যাশনে।

পরে তাকে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নেওয়া হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পর কবীরের শরীরে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। কমে যায় রক্তচাপও। সেসময় চিকিৎসকদের কাছেও দুঃসাধ্য ছিল কবীরের শরীরে অস্ত্রোপচার করা।

তবে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একদল চিকিৎসকের নিরলস প্রচেষ্টায় প্রাণ ফিরে পাচ্ছেন আহমদ কবীর। কবীর এখন শঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

বৃহস্পতিবার (৯ জুন) দুপুরে সার্জারি ওয়ার্ডের চিকিৎসক ডা. আফতাব উদ্দিন জানান, বিএম ডিপোর ঘটনার দিন রাত পৌনে ১২টায় আহমদ কবীরকে হাসপাতালে পান তারা। রক্তচাপ না থাকায় অস্ত্রোপচার সম্ভব ছিল না। তাৎক্ষণিক রক্ত ম্যানেজ করে তার শরীরে দেওয়া হয়।

এরপর বের হওয়া নাড়িভুঁড়ি পেটের ভেতর ঢুকিয়ে প্রাথমিকভাবে সেলাই করে দেওয়া হয়। ফ্লুইড দিয়ে রক্তচাপ বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়। পরদিন রক্তচাপ কিছুটা স্বাভাবিক হলে অস্ত্রোপাচার করা হয়। এসময় পেট কেটে ক্ষতিগ্রস্ত নাড়িভুঁড়ি জোড়া লাগানো হয়। এরপর ধীরে ধীরে তার অবস্থার উন্নতি হতে থাকে।

তবে এখনো ক্ষতস্থানে ইনফেকশনের (সংক্রমণ) ভয় আছে বলে জানান এই চিকিৎসক।

হাসপাতালে আহমদ কবীরের পাশে রয়েছেন তার বৃদ্ধ পিতা সাদেক সর্দার। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, আমার ছেলে বিএম ডিপোতে লেবারের কাজ করতেন। হাসপাতালে চিকিৎসা পেলেও সরকারি কোনো সহায়তা পাইনি আমরা। জেলা প্রশাসকের সহায়তা কেন্দ্রে যোগাযোগ করেছি কিন্তু এখনো সহায়তা পাইনি। শ্রম মন্ত্রণালয়ের দেওয়া সহায়তাও পাইনি।

শনিবার (৪ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে আগুন লাগে। রাত ১০টার পর আগুনের খবর ছড়িয়ে পড়ে। রাত ১২টার পর থেকে মৃতের খবর আসতে থাকে। সময় যত গড়াতে থাকে, মৃতের সংখ্যাও তত বাড়তে থাকে।

সীতাকুণ্ডের বিএম কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহতের প্রকৃত সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। ঘটনার পর এ নিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত তিন প্রতিষ্ঠান চার রকম তথ্য দেয়। রোববার (৫ জুন) রাতে দেওয়া তথ্য পরদিন সকালে সংশোধন করে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন।

রোববার বিকেল ৫টায় চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. ইলিয়াস চৌধুরী জানান, মৃতের সংখ্যা ৪৯ জন। এরপর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় জেলা প্রশাসক মমিনুর রহমান জানান, মৃতের সংখ্যা ৪৬ জন। এরও পরে, রাত ৯টায় জেলা প্রশাসনের নোটিশ বোর্ডেও জানানো হয় মৃতের সংখ্যা ৪৬।

কিন্তু সোমবার (৬ জুন) দুপুরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম আহসান জানান, মৃতের সংখ্যা ৪১ জন।

তবে এর আগেই সোমবার সকালে জেলা প্রশাসন নোটিশ বোর্ড সংশোধন করে মৃতের সংখ্যা ৪১ জন বলে জানায়।

এদিকে এ দুর্ঘটনায় মঙ্গলবার আরও দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করা হলে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ায় ৪৩ জনে। এছাড়া চমেকে আজ দগ্ধ আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৪৪ জনে।


আরও খবর



পরিবারে শিশুর সংখ্যা বেশি হলে মানসিক বিকাশ ত্বরান্বিত হয়: গবেষণা

প্রকাশিত:Friday ০৩ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৪৯জন দেখেছেন
Image

পরিবারে এক শিশুর তুলনায় দুই বা ততোধিক শিশু থাকলে তাদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশ ত্বরান্বিত হয়। শুধু তাই নয়, শিশুর প্রাথমিক শৈশব বিকাশ পরিবারে শিশুর সংখ্যাধিক্যের ওপর নির্ভর করে। প্রত্যেক নতুন শিশুর জন্মে এ উন্নয়ন পাঁচ শতাংশ হারে বাড়তে থাকে।

গত ৫ এপ্রিল আমেরিকান বহুজাতিক প্রকাশনা সংস্থা উইলিতে প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে এ তথ্য জানানো হয়।

‘আরলি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ইটস অ্যাসোসিয়েশন উইথ ম্যাটারনাল প্যারিটি’ শিরোনামে গবেষণাটি করেছেন অস্ট্রেলিয়ার লা ট্রোব বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক হেলথ বিভাগের শিক্ষক এম মফিজুল ইসলাম এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সায়েন্স বিভাগের শিক্ষক ড. নুরুজ্জামান খান।

বাংলাদেশ মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে ২০১৯ এর তথ্য ইউনিসেফ নির্দেশিত চারটি ডোমেইন বিশ্লেষণ করে শিশুর প্রাথমিক বিকাশের ক্ষেত্রে এ তথ্য তুলে ধরেন গবেষকরা। ডোমেইনগুলো হলো শারীরিক বিকাশ, সাক্ষরতা ও সাংখ্যিক বিকাশ, শিখন ক্ষমতা ও সামাজিক আবেগ-অনুভূতির বিকাশ।

বাংলাদেশের ৬৪ জেলার ৩৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী (৩ থেকে ৫ বছর) ৯ হাজার ৩৮০টি শিশুর ওপর এ গবেষণা চালানো হয়।

গবেষণায় দেখা যায়, দেশের ২৫ শতাংশ শিশুর প্রাথমিক শৈশব বিকাশ ঠিকমতো হচ্ছে না। ৭১ শতাংশ শিশুর সাক্ষরতা ও সাংখ্যিক বিকাশ বিঘ্নিত হচ্ছে, ২৭ শতাংশ শিশু সামাজিক আবেগের দিক থেকে অবিকশিত থেকে যাচ্ছে। ৯ শতাংশ শিশু শেখার দিক থেকে পিছিয়ে পড়ছে। আর ১ শতাংশ শিশু শারীরিকভাবে বিকশিত হচ্ছে না। এ সমস্যাগুলোর উল্লেখযোগ্য অংশ ঘটছে পরিবারে শিশুর সংখ্যা তুলনামূলক কম হওয়ার কারণে।

গবেষণা বলছে, শিশুদের প্রাথমিক বিকাশের ওপর তাদের মা কত সংখ্যক সন্তান গ্রহণ করছেন তার একটি সম্পর্ক রয়েছে। শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশ নির্ভর করে মায়েদের সন্তান গ্রহণের ওপর। একজন মা একের অধিক সন্তান গ্রহণ করলে শিশুদের বিকাশ ত্বরান্বিত হয়। এক্ষেত্রে মায়েরা যদি মাধ্যমিক অথবা উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করে থাকেন তাহলে অন্যদের তুলনায় সেই মায়ের শিশু সঠিকভাবে বিকশিত হয়।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে গবেষক ড. নুরুজ্জামান খান জাগো নিউজকে বলেন, ‘মূলত তিনটি কারণে সমস্যাগুলো হচ্ছে। প্রথমত, বাংলাদেশে শিক্ষিত পরিবারগুলো সন্তান কম নিতে আগ্রহী। বাবা-মা শিক্ষিত হওয়ায় তারা চাকরিক্ষেত্রে প্রবেশ করেন। এতে তাদের ব্যস্ততা বেড়ে যায়। যে কারণে ওই পরিবারের শিশুটি মা-বাবার কাছ থেকে পর্যাপ্ত সময় পাচ্ছে না। ফলে শিশুটি বেড়ে উঠছে বাড়ির কাজের মানুষটির সঙ্গে অথবা বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইসে বুঁদ হয়ে, যেটা সবচেয়ে বেশি হয়। এতে ওই শিশুটির বিকাশ বিঘ্নিত হচ্ছে।’

‘দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশে শিশুদের প্রাথমিক বিকাশ নিয়ে তেমন কোনো একাডেমিক পড়াশোনার ব্যবস্থা নেই। এ সম্পর্কে বাবা-মায়েদের জ্ঞান নেই বললেই চলে। তারা বেশিরভাগই অসচেতন। জাতীয় পর্যায়েও এ ব্যাপারে সচেতনামূলক কোনো ক্যাম্পেইন লক্ষ্য করা যায় না। তৃতীয়ত, দেশে যৌথ পরিবারগুলো ভেঙে যাচ্ছে। ফলে শিশুদের একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগের পথ রুদ্ধ হচ্ছে। এটি একটি বড় সমস্যা।’

‘মূলত, পরিবারে সন্তান বেশি থাকলে শিশুরা নিজেদের সঙ্গে মিশতে পারে। একে অন্যের সঙ্গে সময় কাটালে উৎফুল্লতা বাড়ে। ফলে উন্নয়ন ঘটে’, যোগ করেন এ গবেষক।

সমস্যাগুলোর সমাধান কী জানতে চাইলে ড. খান বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত শিশুদের প্রাথমিক বিকাশ সম্পর্কে পড়াশোনার ফিল্ড তৈরি করা। প্রি-প্রাইমারি (প্রাক-প্রাথমিক) লেভেলে জোর দিতে হবে। বাবা-মায়েদের সন্তানদের সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে হবে। বাবা-মা যেন পাঁচ বছরের নিচের শিশুদের সঙ্গে বেশি সময় দেন সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি জরুরিভাবে ডিভাইস ডিপেন্ডেন্সি কমাতে হবে। হোক বাবা-মা কিংবা শিশু। সন্তানদের সমবয়সী শিশুদের সঙ্গে পর্যাপ্ত সময় কাটানোর ব্যবস্থা করতে হবে।’


আরও খবর



ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পের সুষ্ঠু বিকাশে কাজ করছে সরকার

প্রকাশিত:Monday ২৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৫০জন দেখেছেন
Image

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের সুষ্ঠু বিকাশে আওয়ামী লীগ সরকার বিভিন্ন ব্যবসাবান্ধব নীতি প্রণয়ন ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।’

সোমবার (২৭ জুন) এমএসএমই দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশন (এসএমই ফাউন্ডেশন) প্রতি বছরের মতো ২৭ জুন এমএসএমই দিবস পালন করছে জেনে আমি আনন্দিত। দিবসটি উপলক্ষে আমি এসএমই উদ্যোক্তাদের শুভেচ্ছা জানাই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা শিল্পনীতি-২০১৬ ও এসএমই নীতিমালা-২০১৯ প্রণয়ন করেছি। এসডিজি-২০৩০, রূপকল্প-২০৪১, অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী, বিভিন্ন নীতিমালা ও কৌশলপত্রে এসএমই খাতকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। করোনা মহামারির প্রভাব মোকাবিলায় সরকার এসএমই শিল্পে আর্থিক প্রণোদন ও রপ্তানিখাতে অবদানের জন্য নগদ সহায়তা দিয়েছে। তৃণমূল পর্যায়ে ক্লাস্টারভিত্তিক শিল্প বিকাশের ফলে অধিক জনবল শ্রমখাতে নিযুক্ত হচ্ছে এবং নারী উদ্যোক্তা ও কর্মীর সংখ্যা বাড়ছে। দক্ষ জনশক্তি তৈরি করে তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর জন্য দেশের এসএমই খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এসএমই খাতকে আরও শক্তিশালী করতে সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

শেখ হাসিনা বলেন, এমএসএমই খাত সংশ্লিষ্ট সবাই দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে, এটাই আমার প্রত্যাশা। আমি ‘এমএসএমই দিবস ২০২২’ এর সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।


আরও খবর