Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা
নির্বাচিত পোস্ট

বাবা দিবসে সাংবাদিক নাজমুল হাসানের অনবদ্য একটি পোস্ট

প্রকাশিত:Wednesday ২২ June 20২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১৪৩জন দেখেছেন
Image

সোহরাওয়ার্দীঃ

বাবা দিবস-পৃথিবীর সকল বাবার প্রতি অকৃত্তিম শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা প্রকাশের ইচ্ছা থেকে যার শুরু।প্রতি বছর জুন মাসের তৃতীয় রবিবার পালিত হয় ‘বাবা দিবস’। এবছর তাই ১৬ই জুন দিবসটি পালিত হচ্ছে।কিন্তু বাবা দিবস কখন ও কিভাবে প্রচলিত হয়?


“বাবা দিবস”পালন শুরু হয় গত শতাব্দীতে। মায়েদের পাশাপাশি বাবাও যে সন্তানের প্রতি দ্বায়িত্বশীল- এটি তুলে ধরতেই দিবসটির পালন শুরু।১৯০৮ সালের ৫ জুলাই প্রথম ‘বাবা দিবস’ পালিত হয়। আমেরিকার পশ্চিম ভার্জেনিয়ার ফেয়ারমন্টের এক গির্জায় সর্ব প্রথম দিনটি পালিত হয়। 


বাবা দিবস নিয়ে ফেসবুকে অসংখ্য পোস্ট করেছেন বাংলার আমজনতা।বিভিন্ন ব্লগেও অনেক ধরনের কবিতা ও পোস্ট পাঠ করলাম।


সব কিছুই অতি আবেগে ভরা।


ফেসবুকে সাংবাদিক নাজমুল হাসান তাঁর পোস্টে তার বাবাকে নিয়ে চমৎকার একটি পোস্ট দিয়েছেন। তার পোষ্টটি পাঠকদের জন্যে খবর প্রতিদিন নিউজ পোর্টালের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।


বাবা দিবসে বাবাকে নিয়ে কিছু খন্ড খন্ড স্মৃতিঃ

ক) আমার আব্বা ইসলামের ইতিহাসের অধ্যাপক ছিলেন। এই বিষয় সাধারণত কেউ প্রাইভেট পড়তে চায়না যেমনটি চাহিদা আছে গনিত পদার্থ রসায়ন ইংরেজি ইত্যাদির ক্ষেত্রে।  এত দুর্বল সাব্জেক্টের শিক্ষক হয়েও আব্বার পেট বড়, অনেক কলিগ আব্বাকে এই বিষয়ে ঠাট্টা করলে বলতেন" ভাই, পানি খেয়ে পেট বড় করেছি, সমাজে চলতে হবেতো !"

খ) আব্বা ক্যরিয়ারের ১৬ বছর কাটিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সরকারি তোলারাম কলেজে ও সরকারি মহিলা কলেজ থেকে যেখানে বাঘা নেতা শামীম ওসমানের রাজনৈতিক উত্থান শুরু।তখন  শামিম ভাই ভিপি ছিলেন । শামীম ভাই আব্বাকে অনেক সম্মান করতেন আর তার ছোট ছেলে (মহিউদ্দিন)  হিসেবে তাকে অনেক স্নেহ করতেন। আব্বা কলেজের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এমনকি পরীক্ষার সময় ও সাথে নিয়ে যেতেন।আমরা ৪ ভাই ১ বোন।বর্তমানে বড় ছেলে আজমল হোসেন থানা শিক্ষা অফিসার স্ত্রী কামরুন্নাহার গৃহিণী ২. নাজমুল হাসান  সাংবাদিক The New Nation স্ত্রী রেবেকা সুলতানা সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার। ৩.কামরুল হাসান  ম্যানেজার Trust Bank স্ত্রী জোহুরা খাতুন উপসচিব গণপূর্ত মন্ত্রনালয় ৪.মহিউদ্দিন আহমেদ ম্যানেজার NRBC Bank স্ত্রী Sayra Moni বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা IEDCR ৫.বোন শাহেনা বেগম (Studied from Dhaka University) স্বামী ড.আনোয়ার হোসেন যুগ্ম সচিব ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রনালয়। আব্বা নকল ধরতে অনেক ওস্তাদ এবং সাহসী ছিলেন। সাহসী বলছি কারন আব্বার কাছে কোন রাজনৈতিক পরিচয় কাজ করতো না।তাই দুষ্ট ছাত্ররা দোয়া করতো আব্বা যেন পরীক্ষার হলে না পড়েন। 

গ) আব্বা খাতা দেখার সময় আগে প্রথমেই খাতায় নাম্বার তুলতেন না, খসড়া খাতায় নাম্বার দিয়ে যোগ করে দেখতেন ছাত্রের অল্প নাম্বারের জন্য ফেল করে কিনা বা লেটার ছুটে যায়কিনা, সেই রকম হলে নাম্বার এডজাস্ট করতেন।

ঘ) আব্বার নাম্বার যোগ করে দেয়া বা টেবুলেশনের কাজে আমি অনেক সহযোগিতা করতাম, বিনিময়ে মাছ বা ভালো কিছু বাজার কিনে এনে বলতো তোর জন্য আনলাম। কাজ করেছি  আমি খাবে বাসার সকলে আমার জন্য আলাদা করে কিছু আনলো না এই নিয়ে অনেক কেচাল করতাম। 

ঙ) আব্বা চাকুরির শেষ ৫ বছর ছিলেন ব্রাম্মনবাড়িয়া সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে। আব্বা বলত "বুড়া বয়সেই সরকার মহিলা কলেজের প্রিন্সিপাল বানায়". সরকার সব বুঝেই সিদ্ধান্ত নেয়।


আব্বা আজ ৭৪ বছরে দাড়িয়ে আল্লাহর অশেষ কৃপায়। আল্লাহ আব্বাকে আরো ৭৪ বছর সুস্থ ভাবে বাচিয়ে রাখুন আমিন। উলেখ্য বাবাকে আমি বা আমরা (ভাই বোনেরা)  সরাসরি আব্বা বা বাবা বলে ডাকতে পারিনা। অভ্যাস নাই।

এক পন্ডিত(!) প্রতিবেশি মহিলা বলেছিলো father কে বাবা বলতে হয় আর শ্বশুরকে আব্বা ডাকতে, এইটা কতটুকু সত্যি জানাবেন।


আরও খবর



জোবায়দা রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা চলবে

প্রকাশিত:Sunday ২৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ২৩জন দেখেছেন
Image

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী জোবায়দা রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা চলবে। জোবায়দা পলাতক থাকায় রিট গ্রহণযোগ্য না বলে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

রোববার (২৬ জুন) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠি বেঞ্চ এ রায় দেন।

এর আগে, গত ১৯ জুন অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী জোবায়দা রহমানের রিট আবেদনের ওপর জারি করা রুলের বিষয়ে শুনানি শেষ হয়। এ বিষয়ে আদেশের জন্য আজ (রোববার) দিন ধার্য করেন হাইকোর্ট।

ওই দিন আদালতে আজ রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। আর রাষ্ট্রপক্ষের শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক।

২০০৭ সালের ওই মামলায় দীর্ঘ ১৫ বছর পর গত এপ্রিলে দুদকের আইনজীবী হাইকোর্টের একটি বেঞ্চে রুল শুনানির জন্য উপস্থাপন করলে রুল শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন আদালত। এরই ধারাবাহিকতায় এর শুনানি শুরু হয়।

সম্প্রতি জোবায়দা রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা নিয়ে আপিল বিভাগের রায়ের পর এ মামলার রুল শুনানির উদ্যোগ নেয় দুদক। এদিকে জিয়া পরিবারকে হেনস্তা করতেই মামলার শুনানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তারেক ও জোবায়দা পক্ষের আইনজীবীর।

২০০৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর ঘোষিত আয়ের বাইরে চার কোটি ৮১ লাখ ৫৩ হাজার ৫৬১ টাকার মালিক হওয়া ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে রাজধানীর কাফরুল থানায় করা মামলায় তারেক রহমান, তার স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমান ও শাশুড়ি ইকবাল মান্দ বানুকে আসামি করা হয়।

একই বছরে তারেক রহমান ও তার স্ত্রী পৃথক রিট আবেদন করেন। রিটে জরুরি আইন ও এই মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেন। হাইকোর্ট রুল জারি করে স্থগিতাদেশ দেন। এরপর রিট মামলাগুলো ১৯ এপ্রিল কার্যতালিকায় আসে। পরে রুল শুনানির জন্য দিন ঠিক করেন হাইকোর্ট।

অন্যদিকে একই মামলার বৈধতা নিয়ে আরেকটি ফৌজদারি আবেদন করেছিলেন তারেকের স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমান। ওই সময় করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট।

ওই রুলের শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল রায় দেন হাইকোর্ট। রায়ে মামলা বাতিলে জারি করা রুল খারিজ করে দেন। একই সঙ্গে জোবায়দা রহমানকে আট সপ্তাহের মধ্যে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণেরও নির্দেশ দিয়েছিলেন।

ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করেন জোবায়দা রহমান। গত ১৩ এপ্রিল আপিল বিভাগ জোবায়দার এ আবেদন খারিজ করে আদেশ দেন। এর পরে ওই রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করা হয়।


আরও খবর



সপ্তাহের রসালাপ: গোপালের গরু

প্রকাশিত:Friday ২৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ২২জন দেখেছেন
Image

গোপাল ভাঁড় ছিলেন মধ্যযুগে নদিয়া অঞ্চলের একজন প্রখ্যাত রম্য গল্পকার, ভাঁড় ও মনোরঞ্জনকারী। তার আসল নাম গোপাল চন্দ্র প্রামাণিক। তিনি অষ্টাদশ শতাব্দীতে নদিয়া জেলার প্রখ্যাত রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের রাজসভায় নিযুক্ত ছিলেন।

তিনি ছিলেন সৎ ও বুদ্ধিমান। বুদ্ধি ও সৎসাহস থাকার কারণে রাজা কৃষ্ণচন্দ্র তাকে তার সভাসদদের মধ্যকার নবরত্নদের একজন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন।

গোপালের একবার একটি গরু হারিয়ে গিয়েছিল। চৈত্রের কাঠ ফাটা রোদ্দুরে বনবাদাড়ে খুঁজে খুঁজে সে বিকেলে নিজের বাড়ির দাওয়ায় ধপাস করে বসে ছেলেকে ডেকে বললে, ও ভাই, জলাদি এক ঘটি জল আনো, তেষ্টায় ছাতি ফেটে যাচ্ছে।

গোপাল হা-হুতাশ করে বলতে থাকে, ভাইরে! আর বুঝি বাঁচি না। কিন্তু ঘরে গোপালের কোন ভাই থাকত না। একমাত্র ছেলে, বৌ নিয়ে গোপালের সংসার।

গোপালের স্ত্রী রান্নাঘরে ছিল, সে গোপালের কথা শুনে বললে, মিনসের এতটা বয়েস হলো তবু যদি একটু কান্ডজ্ঞান থাকত! নিজের ছেলেকে ভাই বলে ডাকছে গা! ঘরে ছেলে ছাড়া কি আর কটা ভাই আছে গো তোমার!

স্ত্রীর কথা শুনে গোপাল বললে, সাধের গরু হারালে এমনই হয় মা! স্ত্রী মা ডাক শুনে একহাত জিভ বের করে সেখান থেকে পালিয়ে যেন বাঁচে। এ আবার কি কথা?

লেখা: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

প্রিয় পাঠক, আপনিও অংশ নিতে পারেন আমাদের এ আয়োজনে। আপনার মজার (রম্য) গল্পটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়। লেখা মনোনীত হলেই যে কোনো শুক্রবার প্রকাশিত হবে।


আরও খবর



এক মুসলমানের প্রতি অন্যের কয়টি হক?

প্রকাশিত:Monday ২৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ২১জন দেখেছেন
Image

সমাজিক জীবনে প্রতিনিয়তই একজনের সঙ্গে অন্যজনের দেখা-সাক্ষাৎ হয়। প্রতিনিয়ত দেখা-সাক্ষাৎ হওয়া মানুষগুলোর একজনের সঙ্গে অন্যজনের ৫টি হক বা অধিকার রয়েছে। যারা একজনের আবদার বা আহ্বনে অন্যজন সাড়া দেবে। এটি ইসলামের দিকনির্দেশনা। এ হক বা অধিকারগুলো কী? এ সম্পর্কে নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামই বা কী বলেছেন?

পরস্পরের সঙ্গে আবদার-আহ্বান কিংবা আচার-আচরণ কেমন হবে, তা সুস্পষ্টভাবে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। হাদিসের বর্ণনাটি তুলে ধরা হলো-

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, নবিজী সাল্লাল্লাহু বলেছেন (এক) মুসলমানের ওপর (অপর) মুসলমানের পাঁচটি হক বা অধিকার রয়েছে। তাহলো-

১. সালাম দিলে তার উত্তর দেওয়া;

২. কেউ অসুস্থ হলে তাকে দেখতে যাওয়া;

৩. কেউ মারা গেলে তার জানাযার নামাজে শরিক হওয়া;

৪. কেউ দাওয়াত দিলে তাতে অংশগ্রহণ করা এবং

৫. কেউ হাঁচি দিলে তার উত্তর দেওয়া।’ (বুখারি ও মুসলিম)

হাদিসের শিক্ষা

এ হাদিসে এক মুসলমানের ওপর অপর মুসলমানের প্রাপ্য পাঁচটি হকের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এ পাঁচটি হকই ফরজে কিফায়া পর্যায়ের। হকগুলো হলো-

১. সালাম দেয়া সুন্নাত; উত্তর দেয়া ওয়াজিব। এটি এমন একটি সুন্নাত, যা ফরজের মতোই উত্তম। কেননা সালামের মাধ্যমে বিনয় ও নম্রতা প্রকাশ পায়। এর মাধ্যমে একটি ওয়াজিব আদায় করা হয়।

২. প্রতিবেশি অসুস্থ হলে তাকে দেখতে যাওয়া সুন্নাত। তাঁর খোঁজ খবর নেওয়া। এমনকি প্রতিবেশি যদি অমুসলিমও হয় তবুও তার খোঁজ-খবর নেওয়া জরুরি।

৩. মৃতব্যক্তির জানাযায় অংশগ্রহণ করা ফরজে কিফায়া। মৃতব্যক্তির জানাযা আদায় থেকে দাফন পর্যন্ত সঙ্গ দেওয়া মুস্তাহাব।

৪. দাওয়াতের দুটি অর্থ হতে পারে-

ক. কাউকে সাহায্য করার জন্য কেউ আহ্বান করলে, তাঁর ডাকে সাড়া দেওয়া;

খ. কারো দাওয়াত কবুল করা; এ দাওয়াত কবুল করা তখনই আবশ্যক, যখন তা গ্রহণ করলে কোনো গোনাহ হওয়ার সম্ভাবনা না থাকে। এমনিভাবে মেজবানের কামাই-রোজগার যদি হালাল হয় তবে দাওয়াত গ্রহণ করা ওয়াজিব। আর কামাই-রোজগার যদি সুস্পষ্ট হারাম হওয়া প্রমাণিত হয় তবে দাওয়াত বর্জন করা ওয়াজিব।

৫. কোনো মুসলমান হাঁচি দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ বললে, তাঁর উত্তরে ইয়ারহামুকাল্লাহ বলা। হাঁচির উত্তর দেয়ার ক্ষেত্রে মানুষ ভালো-মন্দ উভয়েই সমান। তবে নেককারদের হাঁচির জবাব হাসিমুখে দেওয়া উত্তম।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে তাঁদের হকগুলো যথাযথভাবে আদায় করার তাওফিক দান করুন। হাদিসের ওপর আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।


আরও খবর



চতুর্থ ঢাকা কমার্শিয়াল অটোমোটিভ শো শেষ হচ্ছে আজ

প্রকাশিত:Saturday ২৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ২৬জন দেখেছেন
Image

‘চতুর্থ ঢাকা কমার্শিয়াল অটোমোটিভ শো-২০২২’শেষ হচ্ছে আজ শনিবার। আগ্রহীরা আজ রাত ৯ টা পর্যন্ত এই প্রদর্শনী পরিদর্শন করতে পারবেন।

সেমস গ্লোবালের উদ্যোগে ও এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেডের (ইপিজিএল) পৃষ্ঠপোষকতায় রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি, বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) এ প্রদর্শনী চলছে।

এ আয়োজনে বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের সর্বশেষ সংস্করণ প্রদর্শিত হচ্ছে। এছাড়া, এখানে এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেড তাদের ব্র্যান্ডের নতুন ‘আনকাই’ বাসের চেসিস উন্মোচন করেছে।

ইপিজিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী হুমায়ুন রশীদ বলেন, পদ্মা বহুমুখী সেতু চালু হওয়ার পর দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ব্যাপক উন্নয়ন হবে বলে আশা করছি। এ উন্নতিতে অটোমোবাইল শিল্প একটি বড় ভূমিকা পালন করবে। নতুন এ সম্ভাবনার কথা বিবেচনা করে ইপিজিএল প্রতি বছর বাজারে নতুন যন্ত্রাংশ ও যানবাহন নিয়ে আসবে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে এ ইভেন্টের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী হুমায়ুন রশীদ।


আরও খবর



নেই পদ্মার ভাঙন আতঙ্ক, বেড়েছে জমির দাম, গড়ে উঠছে শিল্প

প্রকাশিত:Thursday ০৯ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৭১জন দেখেছেন
Image

দুর্বল ও অপরিণত মাটির কারণে সবচেয়ে বেশি ভাঙনের শিকার পদ্মাপাড়ের মানুষ। কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে পদ্মা নদীতে আকস্মিক পানিবৃদ্ধি নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। ফলে সবসময় হুমকির মুখে থাকে ঘরবাড়ি আর ফসলি জমি। নিজেদের বসতভিটা হারিয়ে অনেকেই এখন অন্যের জায়গায় আশ্রয় নিয়েছেন। প্রতিবছরই ভাঙনের শিকার হয় এ অঞ্চলের হাজারো পরিবার। ফলে সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও অনেকে টিনের ঘরে বসবাস করেন।

পদ্মা সেতু বহুমুখী প্রকল্পের নদীশাসনের কাজ করা হচ্ছে। প্রকল্প এলাকায় প্রায় ১৪ কিলোমিটার নদীশাসন করতে হচ্ছে। এর মধ্যে মাওয়া এলাকায় ১ দশমিক ৬ কিলোমিটার এবং বাকি ১২ দশমিক ৪০ কিলোমিটার জাজিরা এলাকায়। নদীশাসন কাজ শুধু সেতু রক্ষা করেনি, পাশাপাশি হাজারো মানুষের বাপ-দাদার ভিটাও রক্ষা করেছে। একটা স্থায়ী ঠিকানা হয়েছে।

স্থায়ী ব্যবস্থা হওয়ায় এখন ঘরবাড়ি বিলীন হওয়ার আশঙ্কায় এ অঞ্চলের জনপদ নেই। এক সময় ভাঙন আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন পদ্মাপাড়ের মানুষ। এখন কেটেছে সেই কালো মেঘ।

পদ্মাপাড়ে কথা হয় জাজিরা কাজিরহাট বন্দরের আমিনুল মাতব্বরের সঙ্গে। বয়স ৮০ ছুঁই ছুঁই। পদ্মার ভাঙনে কতবার নিজের বসতভিটা এই জীবনে সরাতে হয়েছে তা আঙুলে গুণে গুণে হিসাব দিচ্ছেন বয়স্ক এই মানুষটি। খরস্রোতা পদ্মার ভাঙন যেন তার জীবনকে বিষণ্ণ করে তুলেছে। পদ্মা সেতুর কল্যাণে নদীশাসন কাজ যেন তার জীবনে সব থেকে বড় কল্যাণ বয়ে এনেছে।

jagonews24সেতু এলাকায় জমির দাম বেড়েই চলেছে-ছবি জাগো নিউজ

পূর্ব নাউডোবা ইউনিয়নে চা খেতে খেতে কথা হয় সেরু কাজীর সঙ্গে। তার কাছে সেতুর সব থেকে বড় কল্যাণকর নদীশাসন।

তিনি বলেন, আগে বন্যায় অনিশ্চয়তা থাকতো। এই বুঝি বাড়িঘর পদ্মা নিয়ে গেলো। কিন্তু বাঁধ দেওয়ার কারণে সেই ভয় এখন নেই। রাতে অন্তত শান্তিতে ঘুমাতে পারি।

জমির দাম আকাশচুম্বী: জাজিরার পূর্ব নাউডোবা ইউনিয়ন, পশ্চিম নাউডোবা ইউনিয়ন, পৌরসভা, বিকে নগর, কাজিরহাট বন্দর, রুপাপুর হাটে জমির দাম আকাশচুম্বী। বাঁধ দেওয়ার আগে এখানে এক কড়া (দুই শতক) জমি এক থেকে দেড় লাখ টাকা দরে বিক্রি হতো। এখন সেই জমির দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ লাখ টাকা কড়া। জাজিরা সিটারচর ও কুঞ্জুর চরে এক কড়া জমির দাম ছিল ১২ থেকে ২০ হাজার টাকা। কারণ এই জমি এই আছে এই নেই। চোখের পলকে পদ্মার গর্ভে চলে যায়। অথচ এখন এই জমির দাম বেড়ে হয়েছে কয়েক লাখ টাকা।

এ প্রসঙ্গে কথা হয় জাজিরা পৌরসভার মেয়র মো. ইদ্রিস মাদবরের সঙ্গে। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, আমার পৌরসভায় যে জমির দাম ছিল এক থেকে দেড় লাখ টাকা কড়া, তা এখন বেড়ে ১২ লাখ টাকা হয়েছে। কারণ বাঁধের কারণে জমির অনিশ্চয়তা কেটেছে। মানুষ তাই জমি কিনতে ব্যস্ত। অনেকে নানা ধরনের ফাস্টফুডের দোকান ও রেস্তোরাঁ দিচ্ছে। সর্বশেষ মানুষের আর্থ-সামাজিক দিক থেকে অনেক উন্নয়ন হচ্ছে। পদ্মা সেতু শুধু সেতু নয়, ২১ জেলার সঙ্গে ঢাকার সংযোগ।

পদ্মাপাড়ের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও চাষিরাও অনেক লাভবান হবেন। ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার ফলে অর্থনীতির চাকাও সচল হবে। সাধারণ মানুষ কৃষিপণ্য সুলভমূল্যে বিক্রি করে মুনাফা অর্জন করবেন। পদ্মাপাড়ে নানা ধরনের শাক-সবজি হয়। এসব শাক-সবজি ঢাকায় নিতে তিন থেকে চার ঘণ্টা সময় লাগতো। অথচ এখন স্বল্প সময়ে ঢাকায় নেওয়া যাবে। ফলে সবাই উচ্ছ্বসিত সেতুর উদ্বোধনে।

মাদারীপুর শিবচরের সাহেব বাজারের মোহাম্মদ বাহাদুর মাল জাগো নিউজকে বলেন, আমার মোট দুটি দোকান আছে। এখন পান কিনি বরিশাল থেকে, সেতু চালু হলে ঢাকা থেকে কিনতে পারবো। আগে তিন থেকে চার ঘণ্টা সময় লাগতো এখন এক থেকে দেড় ঘণ্টায় ঢাকা পৌঁছাতে পারবো। মালপত্র নিয়ে একদিনে দু-তিনবারও ঢাকায় থেকে আসা যাওয়া করতে পারবো। আমার একটা দোকান আছে পার্টসের। সেতু চালু হলে দ্রুত সময়ে এটা-ওটা ঢাকা থেকে আনা যাবে।

jagonews24উঁকি দিচ্ছে নতুন সম্ভাবনা-ছবি জাগো নিউজ

পদ্মাপাড়ের উর্বর জমিতে নানা ধরনের ফসল হয়। জমিগুলো অনিশ্চয়তায় থাকতো ভাঙনের কারণে। তবে সেই অনিশ্চয়তার কালো মেঘ দূর হয়েছে সেতু পাড়ে। চাষিদের নানা ধরনের ফসল ও সবজি দ্রুত ঢাকায়ও নেওয়া যাবে।

পদ্মাপাড়ে কথা হয় বিকে নগরের সবজি চাষি হাফিজুর ব্যাপারীর সঙ্গে। তিনি বলেন, আমাদের এখানকার পাট শাকের কদর ঢাকায় অনেক বেশি। এছাড়া পেঁয়াজ, করলা, শসা, ধন্দুল ও লাউ ভালো হয়। ঢাকায় বর্তমানে ফেরি পারাপারের কারণে চার থেকে সাড়ে চার ঘণ্টা সময় লাগে। ফেরিতে সময় বেশি লাগে ফেরি পারাপারে ঝামেলা হয়। তবে সেতু চালু হলে এক থেকে দেড় ঘণ্টায় সবজি ঢাকার শ্যামবাজার ও কারওয়ান বাজারে বিক্রি করতে পারবো।

শুধু পদ্মার পাড় নয় শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায়ও প্রভাব পড়েছে। নড়িয়ার পৌরসভার শুভগ্রাম, বাড়ইপাড়া, বিসমিল্লাহনগর, বৈশাখীপাড়া, ঢালিপাড়া ও বাঁশতলায় এক কড়া জমি ১৫ লাখ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। নানা ধরনের ফাস্টফুডের দোকান তৈরি হয়েছে। ছোট ছোট বিপণি বিতানও তৈরি হয়েছে। কারণ বেলা পড়ার সঙ্গে সঙ্গে এখানে বাড়তে থাকে দর্শনার্থীর সংখ্যা।

নড়িয়া পৌরসভার মেয়র অ্যাডভোকেট মো. আবুল কালাম আজাদ জাগো নিউজকে বলেন, এখন দুই শতাংশ জমির দাম ১৫ লাখ টাকা। আগে ছিল ২ লাখ। বাজারের জায়গার দাম আরও বেশি। মূলত পদ্মা সেতুর কারণেই আমাদের জমির দাম অনেক বেড়েছে। জমি কিনে অনেকে মার্কেট ও রেস্তোরাঁ দিচ্ছে।

নদীশাসন শুধু সেতু রক্ষা করছে না ভাঙন আতঙ্কও দূর করেছে: পদ্মা সেতুর দুই পাড়ে নদীশাসন কাজের দৈর্ঘ্য ১৩ কিলোমিটার। এটির কাজও বহুমাত্রিক। নদীর তলদেশ খনন, ব্লক ও জিওব্যাগ ফেলা ও পাড় বাঁধাইয়ের কাজ করা হয়। এই কাজে ১ কোটি ৩৩ লাখ কংক্রিটের ব্লক ও ২ কোটির বেশি বালুভর্তি জিও ব্যাগ ব্যবহার করা হয়। নদীখননের ফলে ২১২ কোটি ঘনফুট বালু স্থানান্তর করতে হয়। এই কাজ বাস্তবায়ন করছে চীনের আরেক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সিনোহাইড্রো করপোরেশন। তাদের সঙ্গে চুক্তি হয় ২০১৪ সালের নভেম্বরে। চুক্তিমূল্য ৮ হাজার ৭০৮ কোটি টাকা। বর্তমান সময় পর্যন্ত মোট ব্যয় হয়েছে ৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। কাজের ভৌত ও বাস্তব অগ্রগতি ৯২ শতাংশ। এই কাজের ফলে পদ্মা সেতু পাড়ের মানুষের ভাঙন আতঙ্ক দূর হয়েছে।

বেড়েছে জমি বেচাকেনা, গড়ে উঠছে শিল্পপ্রতিষ্ঠান: সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার নাওডোবায় শেখ হাসিনা তাঁতপল্লীর কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। নদীশাসনের ইতিবাচক প্রভাব এখানে পড়ছে। কারণ নদীশাসনের কারণে ভাঙনের ঝুঁকিমুক্ত প্রকল্পটি। বর্তমানে তাঁতপল্লীর জন্য মাটি ভরাট ও সীমানা প্রাচীরের কাজ চলমান। চলতি বছরের জুনে শেষ হবে এই কাজ। শিল্পনগরী প্রতিষ্ঠিত হলে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে অন্তত ১০ লাখ মানুষের।

প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, এক হাজার ৯১১ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পের নির্মাণকাজ করছে বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড। পদ্মা সেতুর শরীয়তপুর প্রান্তের রেলস্টেশনের কাছাকাছি নির্মাণ হচ্ছে এ তাঁতপল্লী। যাতে এখানকার তাঁতিরা কাঁচামাল সংগ্রহ ও উৎপাদিত পণ্য সহজে আনা-নেওয়া করতে পারে। শরীয়তপুর জেলার জাজিরার নাওডোবা ইউনিয়নের নাওডোবা মৌজায় ৫৯ দশমিক ৭৩ একর ও মাদারীপুর জেলার শিবচরের কুতুবপুর মৌজায় ৬০ একর করে মোট ১১৯ দশমিক ৭৩ একর জমিতে এ তাঁতপল্লী হচ্ছে।

প্রকল্পের আওতায় ৮ হাজার ৬৪টি তাঁত শেড নির্মাণ হবে। যেখানে ৮ হাজার ৬৪ তাঁতিকে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া হবে। বার্ষিক উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ৪ দশমিক ৩১ কোটি মিটার কাপড়।

jagonews24সেতু নয় হাতছানি দিচ্ছে স্বপ্ন-ছবি জাগো নিউজ

সরেজমিনে ঘুরে আরও দেখা গেছে, জাজিরা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোবারক আলী সিকদার মাসট্রেড নামে একটি পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের মালিক। তিনি গার্মেন্টপল্লী, কৃষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, শ্রমিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও কারিগরি কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য ১০০ বিঘা জমি কিনেছেন। তার কেনা জমি জাজিরায় পদ্মা সেতুর সংযোগ সড়ক থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে।

পদ্মা সেতুর সংযোগ সড়কের নাওডোবা মৌজায় ৩০ বিঘা জমি কিনেছে বাদশা টেক্সটাইল নামের একটি প্রতিষ্ঠান। প্রথম দিকে প্রতি বিঘা জমির দাম ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকা ছিল। এখন একই এলাকায় জমির দাম বিঘাপ্রতি ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকা। শুধু শিল্পে বিনিয়োগ নয়, অনেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতাল করার জন্যও জমি কিনছেন। জাজিরার বাসিন্দা আনোয়ার ফরাজি ঢাকার ফরাজি হাসপাতালের মালিক। তিনি জাজিরায় একটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার জন্য জমি কিনেছেন। সখীপুর হাজি শরীয়তউল্লাহ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আবুল বাসার আল আজাদসহ কয়েকজন চাকরিজীবী মিলে জাজিরার লাউখোলা মৌজায় ১২ বিঘা জমি কিনেছেন। তাদের লক্ষ্য শিক্ষাপল্লী প্রতিষ্ঠা করা।

এছাড়া ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের দুই পাশে শিল্পে বিনিয়োগের চেয়ে আবাসন প্রকল্প বেশি। জমিতে একের পর এক আবাসন প্রকল্পের সাইনবোর্ড দেখা গেছে। মূলত পদ্মা সেতুকে ঘিরে দুই পাড়ে গড়ে উঠছে নানা ধরনের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড।

এই প্রসঙ্গে শরীয়তপুর চেম্বার অব কমার্সের সহ-সভাপতি ফারুক আহমেদ তালুদকার জাগো নিউজকে বলেন, পদ্মা সেতুর কারণে সেতুর দুই পাড়ে জমির দাম আকাশচুম্বী। অনেকে জমি কিনে রেখেছেন নানা ধরনের শিল্প-কলকারখানা নির্মাণের জন্য। সামনে জমির দামও বাড়ছে। একেক জন একেক ধরনের লক্ষ্য উদ্দেশ্য সামনে নিয়ে এসব জমি কিনেছেন। কেউ গার্মেন্ট, হিমাগার, হোটেল-মোটেল, আবাসিক হোটেল নির্মাণ করবেন। এখন দ্রুতগতিতে কাজ চলছে। পদ্মাপাড়ে অর্থনৈতিক জোনও হবে। মূলত পদ্মা সেতু আমাদের জন্য আশীর্বাদ একটা সংযোগ সড়ক নয়।


আরও খবর