Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা

আমের চেয়ে এর খোসার পুষ্টিগুণই কি বেশি?

প্রকাশিত:Saturday ১৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৫২জন দেখেছেন
Image

ফলের রাজা আম। এর স্বাদে মুগ্ধ ছোট-বড় সবাই। সবাই সাধারণত আমের খোসা ফেরেল দিয়ে ভেতরের রসালো অংশ খান। তবে অনেকেরই হয়তো অজানা আমের খোসাতেও আছে নানা পুষ্টিগুণ।

সাম্প্রতিক বেশ কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে, আমের চেয়ে এর খোসায় বেশি পুষ্টি থাকে। ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ড স্কুল অব ফার্মেসির এক গবেষণায় দেখা গেছে, আমের খোসা ওজন কমাতে সাহায্য করে।

কারণ তা ফ্যাট কোষের গঠন কমায়। কিছু গবেষণা ক্যানসার কোষ সারাতে এমনকি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেও ভূমিকা রাখে।

আমের খোসা যেভাবে শরীরের উপকার করে

>> আমের খোসায় উদ্ভিদ যৌগ, ফাইবার ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে পূর্ণ। যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ও বার্ধক্য কমাতে সাহায্য করে। তাছাড়া আমের চামড়ায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, সি, কে, ফোলেট, ম্যাগনেসিয়াম, কোলিন ও পটাশিয়াম আছে।

>> আমের খোসায় থাকা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যেমন- ম্যাঙ্গিফেরিন, নোরাথাইরিওল ও রেসভেরাট্রল নির্দিষ্ট ধরনের ক্যানসার প্রতিরোধ করতে পারে।

>> পুরুষদের উপর পরিচালিত হার্ভার্ড গবেষণা অনুসারে, যারা নিয়মিত আমের খোসা খেয়েছেন তাদের কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি ৪০ শতাংশ কম। ফাইবারসমৃদ্ধ হওয়ায় আমের খোসা পাচনতন্ত্রের জন্যও ভালো।

>> ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে আমের খোসা। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে। তাই নিয়মিত আমের খোসা খেতে পারেন ডায়াবেটিস রোগীরা।

>> ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্যও ভালো আমের খোসা। শুকনো আমের খোসার গুঁড়া ত্বকের যত্নে দারুন কার্যকরী। এই গুঁড়ার সঙ্গে দই মিশিয়ে ফেসপ্যাক তৈরি করলে ত্বকের বিভিন্ন দাগছোপসহ সানট্যানও দূর হবে।

>> এমনকি আমের খোসার গুঁড়া রোদের প্রভাব থেকে ত্বককে রক্ষা করে। এজন্য আমের খোসার গুঁড়ার সঙ্গে ত্বকে কয়েক ফোঁটা লোশন মিশিয়ে তা মুখ, বাহু, পাসহ শরীরের খোলা অংশে ব্যবহার করুন। আমের খোসার ভিটামিন ই ও সি অ্যান্টি-ট্যানিং হিসেবে কাজ করে।

আমের খোসা খাবেন কীভাবে?

আম ভালো করে ধুয়ে খোসাসহ খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন। গিলে ফেলতে না পারলে আমের খোসা চিবিয়ে এর রস পান করুন। এছাড়া খোসাসহ আম ব্লেন্ড করেও পান করতে পারেন। চাইলে আমের খোসা শুকিয়ে গুঁড়া করে পানিতে মিশিয়ে পান করতে পারেন।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া


আরও খবর



কিশোরগঞ্জে মাদক মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

প্রকাশিত:Sunday ০৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৬২জন দেখেছেন
Image

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে মাদক মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার (৫ জুন) বিকেলে কিশোরগঞ্জের তৃতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক জান্নাতুল ইবনে হক এ রায় দেন। এ সময় আসামি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন।

সাজাপ্রাপ্ত আসামির নাম জীবন (৩৯)। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার চরচাতলপাড় গ্রামের মৃত মতি মিয়ার ছেলে।

আদালত পরিদর্শক আবুবকর সিদ্দিক জাগো নিউজকে রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ২৬ আগস্ট কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলা থেকে ২০ বোতল ফেনসিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী জীবনকে আটক করেন র্যাব-১৪ ভৈরব ক্যাম্পের সদস্যরা। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে তার বিরুদ্ধে কুলিয়ার থানায় একটি মামলা করে।
মামলার পর উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে পালিয়ে যান জীবন।

পরে একই বছরের ৪ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কুলিয়ারচর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল হাশেম। দীর্ঘ সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে আদালত আজ এ রায় দেন।


আরও খবর



বাংলাদেশে রাসায়নিক মজুতে সুরক্ষা নিশ্চিতের আহ্বান আইএলও’র

প্রকাশিত:Monday ০৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৮০জন দেখেছেন
Image

সীতাকুণ্ডে বিএম কন্টেইনার ডিপোয় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রায় অর্ধশত মানুষের প্রাণহানিতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)। সোমবার (৬ জুন) এক বিবৃতিতে বাংলাদেশে রাসায়নিকের মজুত ও পরিচালনায় পর্যাপ্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিতেরও আহ্বান জানিয়েছে তারা।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত ৪ জুন দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশের বিএম কনটেইনার ডিপোয় আগুন ও বিস্ফোরণে নয় ফায়ার সার্ভিস কর্মীসহ কমপক্ষে ৪৯ জনের মর্মান্তিক প্রাণহানিতে আইএলও গভীরভাবে শোকাহত। আমরা হতাহতদের পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা ও সংহতি জানাই।

এই দুর্ঘটনায় বাংলাদেশে রাসায়নিকের সঠিক পরিচালনা ও মজুত ব্যবস্থা নিশ্চিতের পাশাপাশি কর্মীদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও সচেতনতা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ সক্ষমতার গুরুত্ব ফুটে উঠেছে। এছাড়া ঘটনাটি একটি কার্যকর শিল্প নিরাপত্তা কাঠামো এবং প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে, যাতে সবধরনের বিপদ প্রশমন, প্রস্তুতি, প্রতিক্রিয়া ও পুনরুদ্ধারে একটি কাঠামোগত পদ্ধতি নিশ্চিত করা যায়। এর জন্য সরকারি দপ্তর, নিয়োগকর্তা ও শ্রমিক প্রতিনিধি এবং সুশীল সমাজের দৃঢ় সহযোগিতা এবং অংশীদারত্ব প্রয়োজন।


আরও খবর



অপচয় করার অধিকার কারও নেই

প্রকাশিত:Monday ২৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১৬জন দেখেছেন
Image

আমি মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। স্কুলশিক্ষক বাবার নির্ধারিত বেতনের টাকায় ছয় ভাইবোনের পরিবার চলতে টানাটানি লেগেই থাকতো। ঠিক দারিদ্র্য কী, সেটা না দেখলেও; সচ্ছলতাও দেখিনি। টাকা-পয়সার টানাটানি থাকলেও সুখের কমতি ছিল না। অল্পতেই আমরা খুশি হতাম। কোনো একটা কিছু নিয়ে ভাইবোনদের মধ্য খুনসুটি, মারামারি, চুলাচুলি; চিৎকার শুনে আম্মা চলে এলে ঢালাও সবার মার খাওয়া- আহা আনন্দ ছিল উপচেপড়া।

মফস্বল ছেড়ে তিন দশক ঢাকায় সাংবাদিকতা করেও নিজের শ্রেণি বদলাতে পারিনি। হয়তো মধ্যবিত্তের ওপরের দিকে উঠেছি। পুরোপুরি সচ্ছলতা না পারলেও চেষ্টা করি একমাত্র সন্তানের যৌক্তিক চাওয়া যেন পূরণ করতে পারি। আমি কখনো অপচয় করি না, অপব্যয় করি না। তবে পছন্দের ব্যাপারে আমার একটু গোয়ার্তুমি আছে।

আমাদের ২৭ বছরের সংসারে ১৩ বছর কোনো সোফা ছিল না। যাই কিনেছি, প্রয়োজনে অপেক্ষা করেছি, কিন্তু পছন্দসই জিনিসই কিনেছি। মুক্তি ও প্রসূনকে সবসময় বলি কিছু কিনতে গেলে জিনিস দেখবে, কোয়ালিটি দেখবে, প্রাইস ট্যাগ নয়। জিনিস পছন্দ হলে দাম দেখবে, সামর্থ্য থাকলে এখন কিনবো, নইলে পরে কিনবো। আমার স্ত্রী মুক্তি হাসে আর বলে, ভাবচক্কর জমিদারের, মানিব্যাগ কেরানির।

মুক্তির নজর অবশ্য উঁচুতে। সে প্রাইস ট্যাগ না দেখে এমন জিনিস পছন্দ করে, যেটা কেনার সাধ্য আমাদের থাকে না, কখনো হবেও না। তাতে আমাদের মন খারাপ হয় না। আমরা ভালো ভালো জিনিস পছন্দ করি আর অপেক্ষা করি। আগে বাসায়, রেস্টুরেন্টে বা কোনো আমন্ত্রণে খেতে বসলে প্রসূনকে বলতাম, যতটুকু ভালো লাগে, ততটুকুই খা। জোর করে বা অরুচি করে খেতে হবে না। তবে করোনা এসে জীবন সম্পর্কে আমার ভাবনা বদলে দিয়েছে একেবারে। পছন্দ হোক আর নাই হোক, দাম যাই হোক; জিনিসটা আমাদের লাগবে কি না; সেটাই প্রথম বিবেচ্য।

আগে অনলাইনে হুটহাট জিনিস কিনে ফেলতাম, সে বদভ্যাসও ছেড়েছি। জোর করে বা অরুচি করে খাওয়ার পক্ষে আমি এখনও নই। তবে এখন প্রসূনকে বলি, যতটুকু খেতে পারবি, ততটুকুই নিবি। নষ্ট যেন না হয়। সবাই বলে, আমাকে নিয়ে বুফে রেস্টুরেন্টে যাওয়া নাকি লস। আমি ঠিক যতটুকু খেতে পারি, তকটুকুই নেই। সামর্থ্য যাই থাক, অপচয় করা বা অপব্যয় করার অধিকার আমাদের কারও নেই।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশে গত ২০ জুন রাত ৮টার পর থেকে দোকানপাট, শপিংমল বন্ধ রাখা হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, বিশ্বব্যাপী জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সরকার ইতিমধ্যে সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে, তবে এ নিয়ে অনেকের মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখেছি। আগে আমার নিজের অবস্থানটা ব্যাখ্যা করে নেই- কিছু পরামর্শসহ আমি এই সিদ্ধান্তের পক্ষে।

একটি মহল আছে, সরকারের কোনো কিছুই যাদের ভালো লাগে না, তারা বলছেন, দেশ নাকি সিঙ্গাপুর হয়ে গেছে। মাথাপিছু আয় বাড়ছে। বিদ্যুতের তো নাকি কোনো অভাব নেই, তাহলে মার্কেট বন্ধ কেন? এই অবুঝ লোকদের কোনোদিনই বোঝানো যাবে না। দেশে বিদ্যুতের কোনো ঘাটতি নেই। চাইলে সর্বোচ্চ ২৫ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা আছে। কিন্তু উৎপাদন করা হয় গড়ে ৯ হাজার মেগাওয়াট।

সামর্থ্য বা সক্ষমতা আছে বলেই ২৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে, সারারাত শপিংমল ঝলমল করে খোলা রাখার সুযোগ নেই। ব্যক্তি হোক আর রাষ্ট্র, অপচয় করার অধিকার কারও নেই। বিদ্যুতের দাম একটু বাড়লেই আমরা প্রতিবাদ করা, হইচই করি। কিন্তু লোডশেডিংয়ের কবল থেকে উদ্ধার করে বাংলাদেশকে আলোকিত করতে সরকারকে কতটা চাপ সামলাতে হয়, কারও কোনো ধারণা আছে। গ্যাস ব্যবহার করে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে খরচ পড়ে ৩ থেকে ৪ টাকা। ডিজেলচালিত বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ ইউনিটপ্রতি ৩০ টাকারও বেশি।

ফার্নেস অয়েলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে খরচ ১৫-২০ টাকা। অথচ আমরা বিদ্যুৎ কিনি ৬-৭ টাকায়। রাত ৮টার মধ্যে শপিংমল বন্ধ করা গেলে প্রতিদিন দেড় হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা সম্ভব। সারাদেশের প্রতিটি মানুষের ঘরে প্রয়োজনের সময় বিদ্যুতের আলো পৌঁছে দিতে আমাদের সবাইকে অপ্রয়োজনে বিদ্যুতের ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। প্রশ্নটা সামর্থ্য বা সক্ষমতার নয়, প্রশ্নটা প্রয়োজনের।

বিশ্ব অর্থনীতি যখন করোনার অভিঘাত সামলে ঘুরে দাঁড়াচ্ছিল, তখন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নতুন এবং আরও জটিল সংকট তৈরি করছে। হু হু করছে নিত্যপণ্যের দাম। তাই সবাইকে মিতব্যয়ী হতে হবে। শেখ হাসিনা মিতব্যয়ী হওয়ার পরামর্শ দিলে তাকে আপনি ট্রল করতে পারেন, জিনিসপত্রের দাম বাড়লে প্রতিবাদ করতে পারেন। কিন্তু তাতে কিন্তু সমস্যার সমাধান হবে না।

যুদ্ধ প্রলম্বিত হলে, সামনে আরও খারাপ দিন আসবে। তাই শেখ হাসিনাকে ট্রল করে বাঁচা যাবে না। আন্তর্জাতিক বাজারে জিনিসপত্রের দাম বাড়তে থাকলে শেখ হাসিনার সাধ্যি নেই সেটা টেনে ধরবেন। বাঁচতে হলে সবাইকে সংযমী হতে হবে, মিতব্যয়ী হতে হবে। শুধু বিদ্যুৎ নয়, মিতব্যয়িতা লাগবে সবক্ষেত্রে- খাওয়া-দাওয়া, কেনাকাটা সবক্ষেত্রেই।

রাত ৮টার মধ্যে শপিং মল, দোকানপাট বন্ধ হলে শুধু বিদ্যুৎই সাশ্রয় হবে না, কেনাকাটায়ও খরচ কম হবে। যানজট কম হবে। তাতে জ্বালানি তেলের সাশ্রয় হবে, পরিবেশও ভালো থাকবে।

শুরুতেই মিশ্র প্রতিক্রিয়ার কথা বলেছি। স্বাভাবিকভাবেই ব্যবসায়ীরা এই সিদ্ধান্তে নাখোশ। তারা চাইবেন, যত বেশি খোলা, তত বিক্রি, তত লাভ। এটা ঠিক করোনার কারণে মাঝে দুই বছর ব্যবসায়ীদের খুব খারাপ গেছে। পকেটের পয়সায় শূন্য আয়ের দোকানের ভাড়া দিতে হয়েছে। তাই এখন যে কোনো নিয়ন্ত্রণই তাদের কাছে গলার ফাঁস মনে হবে। তবে শপিংমল, দোকানপাট বন্ধ রাখার এই জরুরি সিদ্ধান্ত বছরজুড়ে জারির জন্য আমার দুটি পরামর্শ আছে।

দুই ঈদের আগে ১৫ দিন করে, পূজা ও নববর্ষের আগে ১০ দিন করে শপিংমল বাড়তি সময় খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া হোক। তাতেই ব্যবসায়ীরা পুষিয়ে নিতে পারবেন। আর রাত ৮টার বদলে ৯টার সময় বন্ধ করা হোক। কারণ অফিস থেকে ফিরে জ্যাম ঠেলে শপিংমলে পৌঁছতে পৌঁছতেই বন্ধের সময় হয়ে যায়। এই দুটি প্রস্তাব বিবেচনায় নিয়ে শপিংমল বন্ধের সিদ্ধান্ত কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। জীবনের সবক্ষেত্রেই অপচয় বন্ধ করতে হবে। মিতব্যয়িতাকে অভ্যাসে পরিণত করতে হবে। তাহলে জীবন হবে আনন্দময়।
২৬ জুন, ২০২২

লেখক: বার্তাপ্রধান, এটিএন নিউজ।


আরও খবর



গ্লাসে ফেনসিডিল ঢেলে দিচ্ছেন স্ত্রী, টাকা হাতে ইউপি মেম্বার

প্রকাশিত:Monday ১৩ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ১৬৩জন দেখেছেন
Image

ইউপি মেম্বারের বাড়িতে মাদকের আসর। ক্রেতার গ্লাসে ফেনসিডিল ঢেলে দিচ্ছেন মেম্বারের স্ত্রী। টাকা নিয়ে দেনদরবারও চলছে। এমনই একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।

ওই ইউপি মেম্বারের নাম বাদশা মিয়া। তিনি লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার গোড়ল ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ড থেকে নির্বাচিত। তিনি উপজেলার মালগাড়া গ্রামের মৃত ফজলের রহমানের ছেলে।

রোববার (১২ জুন) রাতে ইউপি মেম্বারের স্ত্রীর গ্লাসে ফেনসিডিল ঢেলে দেওয়ার ভিডিওটি ফেসবুকে ভাইরাল হয়।

এ ঘটনায় বাদশা মিয়ার ছেলে শাহিন আলমকে (১৯) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সোমবার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম রসূল জাগো নিউজকে জানান, ইউপি মেম্বারের স্ত্রীর স্বপ্না বেগমকে (৩৫) এক বাড়িতে ঘিরে রাখা হয়েছে। নারী পুলিশ দিয়ে রাতেই গ্রেফতার করা হবে।

ভিডিওতে দেখা যায়, ইউপি মেম্বারের স্ত্রী স্বপ্না বেগম ২০ টাকা কম পাওয়ায় এক ব্যক্তির সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। তখন ওই ব্যক্তি বলেন, এখানে প্রশাসন আসে না? স্বপ্না বেগম বলেন, এটা মেম্বারের বাড়ি। এখানে প্রশাসন ক্ষমতা রাখে না। ম্যাজিস্ট্রেট হলে সমস্যা থাকে।

স্বপ্না বেগমকে আরও বলতে শোনা যায়, আজ দাম বাড়ানোর জন্য ৫০০ মাল ফেরত দিয়েছি। যেখানে কম পাবেন, সেখানে গিয়ে খান। এখানে আসছেন কেন? ইনটেক খান, খোলা খাবেন কেন? তখন ওই ব্যক্তি বলেন, সবসময় ইউপি মেম্বারের বাড়িতে আসি। এখানে নিরাপত্তা বেশি। সেজন্য আসি। এটাকে দুর্বল ভাবেন কেন?

ভিডিওতে আরও দেখা যায়, ফেনসিডিলের টাকা সরাসরি ইউপি মেম্বার বাদশা মিয়ার হাতে দেওয়ার সময় তার স্ত্রীর খারাপ আচরণের বর্ণনা দেন এক ওই ক্রেতা। যা শুনে বাদশা তার স্ত্রীকে শাসন করেন। বলেন, ২০ টাকার জন্য তোকে এ কথা বলতে হবে কেন?

স্থানীয়রা জানান, কালীগঞ্জ উপজেলার গোড়ল ইউনিয়ন সীমান্তের নিকটবর্তী হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে এ ব্যবসায় জড়িত বাদশা মিয়া। এবার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে গোড়ল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচিত হওয়ার পর ফের মাদক ব্যবসা শুরু করেছেন। রংপুরসহ বিভিন্ন স্থানের লোকজন বাদশার বাড়িতে ফেনসিডিল খেতে আসেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক প্রতিবেশী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ইউপি মেম্বার বাদশা মাদক ব্যবসা করে আসছেন। তিনি প্রভাবশালী হওয়ায় ভয়ে কেউ কিছু বলেন না। বললে মামলা-হামলার ভয় দেখান। এমনকী বড় ব্যবসায়ীদের সঙ্গেও তার সখ্য রয়েছে। প্রতিদিন বিকেল হলেই দামি গাড়িতে করে অনেকেই তার বাড়িতে আসেন মদপান করতে।

এসব বিষয়ে জানতে গোড়ল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি মেম্বার বাদশা মিয়ার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে কল দিলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

গোড়ল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুর আমিন জাগো নিউজকে বলেন, ‘ওই ইউপি মেম্বার নির্বাচনের আগে মাদক মামলায় স্ত্রীসহ কারাগারে গিয়েছিলেন। তবে বর্তমানে তারা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কি না তা আমার জানা নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনের আগে এই ভিডিও ধারণ করা হয়েছে বলে আমি জেনেছি। এ ঘটনায় আজ সোমবার তার ছেলেকে পুলিশ বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যায়।’

কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ টি এম গোলাম রসুল জাগো নিউজকে বলেন, মাদক ব্যবসায়ীরা যত বড় হোক না কেন তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। এ ঘটনায় ইউপি মেম্বারের ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।


আরও খবর



রুটের সেঞ্চুরিতে লর্ডস টেস্ট জিতলো ইংল্যান্ড

প্রকাশিত:Sunday ০৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৫১জন দেখেছেন
Image

লর্ডস টেস্ট জয়ের সিংহভাগ কাজ আগেরদিনই করে রেখেছিলেন ইংল্যান্ডের সদ্য সাবেক অধিনায়ক জো রুট। রোববার ম্যাচের চতুর্থ দিন প্রয়োজন ছিল শুধু সতর্ক-সাবধানী থেকে বাকি থাকা ৬১ রান করে ফেলা। সেটি করতেও খুব একটা সময় নিলেন না তিনি।

বেন ফোকসের সঙ্গে ১২০ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে ইংল্যান্ডকে এনে দিয়েছেন ৫ উইকেটের জয়। ক্যারিয়ারের ২৬তম টেস্ট সেঞ্চুরিতে ১১৫ রানে অপরাজিত থেকেছেন রুট। তার অনবদ্য সেঞ্চুরিতে নিউজিল্যান্ডের দেওয়া ২৭৭ রানের লক্ষ্য সহজেই টপকে গেছে স্বাগতিক ইংল্যান্ড।

বোলারদের আধিপত্য ছড়ানো ম্যাচটিতে ২৭৭ রানের লক্ষ্য মোটেও সহজ ছিল না ইংল্যান্ডের জন্য। দ্বিতীয় ইনিংসে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে সেই চ্যালেঞ্জই জয় করলেন রুট। অধিনায়কত্ব ছাড়ার পর খেলা প্রথম ম্যাচেই দলকে এনে দিলেন দারুণ এক জয়।

ম্যাচের তৃতীয় দিনই জয়ের পথে অনেকটা এগিয়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। দিন শেষে তাদের সংগ্রহ ছিল ৬৫ ওভারে ৫ উইকেটে ২১৬ রান। আজ আর ১৩.৫ ওভার খেলেই ৬৩ রান তুলে নেন রুট ও ফোকস। যা নিশ্চিত করে ইংলিশদের জয়। ফোকস অপরাজিত থেকে যান ৩২ রানে।

দলকে জেতানোর পাশাপাশি বিশ্বের ১৪তম ও ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ব্যাটার হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটে ১০ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন রুট। বিশ্বের প্রথম ব্যাটার হিসেবে ক্যারিয়ারের প্রথম দশ বছরের মধ্যেই এ মাইলফলক ছুঁয়ে ফেললেন তিনি।


আরও খবর