Logo
আজঃ শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪
শিরোনাম

আজ ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ১৮১জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:বিশ্বের ১০০টি শহরের মধ্যে বায়ুদূষণে ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে রাজধানী ঢাকা। বুধবার (২৯ নভেম্বর) সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে এই মহানগরীর এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোর ছিল ১৭১।

বাতাসের এই মান ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এর আগে, গতকাল মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) বায়ুদূষণে ঢাকার স্থান ছিল পঞ্চম আর স্কোর ছিল ২০৭।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (একিউআই) তালিকায় দূষণের শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর, শহরটি স্কোর ৪২২ অর্থাৎ সেখানকার বায়ু দুর্যোগপূর্ণ বা বিপজ্জনক পর্যায়ে রয়েছে।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভিয়েতনামের হ্যানয়। এই শহরটির স্কোর ২১৩ অর্থাৎ সেখানকার বায়ু ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’।

তৃতীয় নম্বরে রয়েছে পাকিস্তানের আরেক শহর করাচি। এরপর চতুর্থ অবস্থানে ভারতের দিল্লি এবং পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে কলকাতা শহর।

সাধারণত বাংলাদেশের একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের ৫টি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে। সেগুলো হলো বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ এবং ওজোন (ও৩)।

জানা যায়, বায়ুদূষণের পরিস্থিতি নিয়মিতভাবে তুলে ধরে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার। বাতাসের মান নিয়ে তৈরি করা এ লাইভ বা তাৎক্ষণিক একিউআই সূচক একটি নির্দিষ্ট শহরের বাতাস কতটা নির্মল বা দূষিত, সে সম্পর্কে মানুষকে তথ্য দেয় এবং সতর্ক করে।

আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর ৫১ থেকে ১০০ হলে তাকে ‘মাঝারি’ বা ‘গ্রহণযোগ্য’ মানের বায়ু হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরকে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়।

স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে, তা ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে তাকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু ধরা হয়। আর ৩০১ থেকে তার ওপরের স্কোরকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ ধরা হয়।


আরও খবর



রেমিট্যান্স ৯ দিনে এলো ৭ হাজার কোটি টাকা

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৮৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:৬৩ কোটি ১৭ লাখ ৭০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স (প্রবাসী আয়) এসেছে,চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম ৯ দিনে। বাংলাদেশি টাকায় যার পরিমাণ ৬ হাজার ৯৪৯ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১১০ টাকা ধরে)। আর প্রতিদিন আসছে ৭ কোটি ডলারের বেশি। রেমিট্যান্সের এই গতি থাকলে চলতি মাসেও দুই বিলিয়ন ডলার ছাড়াবে বলে প্রত্যাশা করছে সংশ্লিষ্টরা।

রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সবশেষ তথ্য বলছে, চলতি মাসের ৯ দিনে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৬ কোটি ৯০ লাখ ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে ২ কোটি ৯৬ লাখ মার্কিন ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৫৩ কোটি ১৬ লাখ ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৩ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার।

তবে এই সময়ে ১৩টি ব্যাংকে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি। এর মধ্যে রয়েছে রাষ্ট্রীয় মালিকানার বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক বা বিডিবিএল, বিশেষায়িত রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক বা রাকাব, বেসরকারি কমিউনিটি ব্যাংক, সিটিজেন্স ব্যাংক, আইসিবি ব্যাংক, মেঘনা ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক, সীমান্ত ব্যাংক এবং বিদেশি খাতের ব্যাংক আল-ফালাহ, হাবিব ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া এবং উরি ব্যাংক।

সদ্য বিদায়ী মাস জানুয়ারির পুরো সময়ে ২১০ কোটি ডলার বা ২৩ হাজার ১০০ কোটি টাকার বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। বিদায়ী বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরের পুরো সময়ে আসে ১৯৮ কোটি ৯৮ লাখ ৭০ হাজার ডলার যা ২১ হাজার ৮০০ কোটি টাকার বেশি।


আরও খবর



রাষ্ট্রপতি সপরিবারে সাজেক গেলেন

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৯৮জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:অবকাশ যাপনে ৩ দিনের সফরে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক পর্যটন কেন্দ্রে গেছেন,রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সপরিবারে সেখানে গিয়েছেন তিনি। ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সাজেকে অবস্থান করবেন রাষ্ট্রপতি।

শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার সাজেক পর্যটন এলাকায় রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন তার সফর সঙ্গীদের নিয়ে ২৭ বিজিবি হেলিপ্যাডে অবতরণ করেন।

রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক মো. মোশারফ হোসেন খান জানান, রাষ্ট্রপতির এ সফর ঘিরে সাজেকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

এছাড়া রাষ্ট্রপতির সফরকালে সাজেক পর্যটন কেন্দ্রের রিসোর্ট, কটেজ, হোটেল ও রেস্টুরেন্ট কোনোটাই বন্ধ থাকবে না বলেও জানান তিনি।


আরও খবর



বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পাচ্ছেন যারা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১২১জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:ঘোষণা করা হয়েছে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২৩। এবার ১১টি ক্যাটাগরিতে মোট ১৬ গুণীজন এ পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন। অমর একুশে গ্রন্থমেলা-২০২৪-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের হাতে এই পুরস্কার তুলে দেবেন।

বুধবার (২৪ জানুয়ারি) রাতে বাংলা একাডেমির সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. মো. হাসান কবীরের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার কমিটি ২০২৩’-এর সকল সদস্যের সম্মতিক্রমে ও একাডেমির নির্বাহী পরিষদের অনুমোদনক্রমে ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৩’ ঘোষণা করা হয়েছে।

এ বছর কথাসাহিত্য, নাটক ও নাট্যসাহিত্য, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণা, বঙ্গবন্ধুবিষয়ক গবেষণা, ও ফোকলোর  এ ৫টি ক্যাটাগরিতে দুইজন করে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন।

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৩ প্রাপ্তরা হলেন-

কবিতা: শামীম আজাদ

কথাসাহিত্য: নূরুদ্দিন জাহাঙ্গীর, সালমা বাণী

প্রবন্ধ/গবেষণা: জুলফিকার মতিন

অনুবাদ: সালেহা চৌধুরী

নাটক ও নাট্যসাহিত্য (যাত্রা/পালা নাটক/সাহিত্যনির্ভর আর্টফিল্ম বা নান্দনিক চলচ্চিত্র): মৃত্তিকা চাকমা, মাসুদ পথিক

শিশুসাহিত্য: তপংকর চক্রবর্তী

মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণা: আফরোজা পারভীন, আসাদুজ্জামান আসাদ

বঙ্গবন্ধুবিষয়ক গবেষণা: সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল, মো. মজিবুর রহমান

বিজ্ঞান/কল্পবিজ্ঞান/পরিবেশ বিজ্ঞান: ইনাম আল হক

আত্মজীবনী/স্মৃতিকথা/ভ্রমণকাহিনি/মুক্তগদ্য: ইসহাক খান

ফোকলোর: তপন বাগচী, সুমনকুমার দাশ


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রীর জার্মানি সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলন শুরু

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ৩৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তিনদিনের জার্মানি সফর সম্পর্কে জাতিকে অবহিত করতে সংবাদ সম্মেলন করছেন। আজ (শুক্রবার) সকাল ১০টা ৩৩মিনিটে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এ সংবাদ সম্মেলন শুরু হয়।

এর আগে, প্রধানমন্ত্রী মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন ২০২৪-এ যোগ দিতে ১৫ ফেব্রুয়ারি জার্মানি যান। তিনি দেশে ফিরে আসেন ১৯ ফেব্রুয়ারি। মিউনিখে অবস্থানকালে প্রধানমন্ত্রী সম্মেলনে যোগ দেয়া ছাড়াও বিশ্বনেতাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।

তাদের মধ্যে ছিলেন জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শোলৎজ, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি, নেদারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুটে, আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ, কাতারের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল-থানি এবং ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সের সভাপতির আমন্ত্রণে সেখানে যান প্রধানমন্ত্রী। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর দেশের বাইরে এটিই তার প্রথম সরকারি সফর। জার্মানিতে অবস্থানকালে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন শেখ হাসিনা। এ সফরে জার্মানিতে বসবাসকারী প্রবাসী বাংলাদেশিদের একটি নাগরিক সংবর্ধনায়ও অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।


আরও খবর



সড়ক দুর্ঘটনার বিভ্রান্তিকর পরিসংখ্যান নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে‘নিরাপদ সড়ক চাই’

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৩৪জন দেখেছেন

Image

কামাল হোসেন খানঃবাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনার বিভ্রান্তিকর পরিসংখ্যান নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) এর চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন। সোমবার (২৯ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের আব্দুস সালাম মিলনায়তনে  এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় 

সংবাদ সম্মেলনে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, দেশের যেসব সংগঠন বা সরকারি সংস্থা সড়ক দুর্ঘটনার তথ্য প্রকাশ করছে তা ভিন্ন ভিন্ন হচ্ছে। এতে দেশের মানুষ বিভ্রান্ত হচ্ছে। আমরা বরাবরই বলে আসছি সরকার নিজ উদ্যোগে দুর্ঘটনার তথ্য প্রকাশ করুক। যদিও বিআরটিএ গত বছর থেকে এই তথ্য প্রকাশ করছে কিন্তু এর মধ্যে হাসপাতালের কোনো তথ্য নেই।

তিনি বলেন, পুলিশ সড়ক দুর্ঘটনার যে তথ্য প্রকাশ করে তাতে শুধু থানায় মামলার ঘটনা তুলে ধরা হয়। যদিও সব দুর্ঘটনায় মামলা হয় না। তাহলে আমরা এই তথ্য বিশ্বাস করবো কীভাবে। যেমন আমার স্ত্রী দুর্ঘটনায় মারা গেলে আমি কোনো মামলা করিনি।

তিনি বলেন, আমি আমার সংগঠন থেকে আর এ তথ্য প্রকাশ করবো না। আমাদের সেল চালু থাকবে নিজস্ব গবেষণার জন্য। তবে সরকারের প্রতি আহ্বান থাকবে বেসরকারি যে সমস্ত এক্সপার্ট আছে তাদের এই উদ্যোগের সঙ্গে সামিল করে একটা শক্তিশালী মনিটরিং সেল গঠন করার। এক্ষেত্রে আমাদের সুস্পষ্ট বক্তব্য হচ্ছে, যেহেতু সড়ক দুর্ঘটনার পরিসংখ্যান তুলে ধরার যে ধারা আমরা শুরু করেছি সরকার যদি আমাদের সাপোর্ট এবং আর্থিক বরাদ্দ দেয় তাহলে আমরাও সরকারের সাথে এ কাজটি সঠিকভাবে করতে পারবো এই বিশ্বাস আমাদের আছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা বলতে চাই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সড়ক দুর্ঘটনা বা রোডক্র্যাশকে প্রতিরোধযোগ্য একটি অসংক্রামক রোগ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। সংবিধানের ১৮ (১) অনুচ্ছেদ অনুসারে জনস্বাস্থ্যের উন্নয়ন ও সুরক্ষার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। এছাড়াও অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনাতে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ৩.৬ অর্জনে ২০২০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা বা রোডক্র্যাশে প্রাণহানির সংখ্যা ২৫ শতাংশ কমিয়ে আনার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি বৈশ্বিক পর্যায়েও ২০৩০ সালের মধ্যে জাতিসংঘভুক্ত সদস্য দেশগুলো বিশ্বব্যাপী সড়ক দুর্ঘটনা বা রোডক্র্যাশে নিহত ও আহতের সংখ্যা শতকরা ৫০ ভাগ কমিয়ে আনার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য গ্লোবাল প্ল্যান ফর সেকেন্ড ডিকেড অব অ্যাকশন ফর রোড সেফটি ২০২১-২০৩০ এর আওতায় ৫টি স্তম্ভের কথা বলা হয়েছে।

সেগুলো হলো- বহুমুখী যানবাহন ও ভূমি ব্যবহার পরিকল্পনা, নিরাপদ যানবাহন, নিরাপদ সড়ক অবকাঠামো, নিরাপদ সড়ক ব্যবহার, রোডক্র্যাশ পরবর্তী ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এছাড়াও সড়ক ব্যবহারকারীদের জন্য ৫টি আচরণগত ঝুঁকি যেমন, গতিসীমা নিয়ন্ত্রণ না করা, সিট বেল্ট ব্যবহার না করা, মানসম্মত হেলমেট পরিধান না করা, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো এবং শিশুবান্ধব বিশেষায়িত আসন সংরক্ষণের ব্যবস্থা না করাকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

এসব পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে ২০১০ থেকে ২০২১ সালে বেলারুশ, ব্রুনাই দারুসসালাম, ডেনমার্ক, জাপান, লিথুয়ানিয়া, নরওয়ে, রাশিয়ান ফেডারেশন, ত্রিনিদাদ, টোবাগো, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ভেনিজুয়েলা রোডক্র্যাশে মৃত্যুহার ৫০ শতাংশ কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে।

ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, সরকার যদি নিজ উদ্যোগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং বিআরটিএর মাধ্যমে সমন্বয় করে একটু শক্তিশালী মনিটরিং সেলের মাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনার তথ্য সংগ্রহ করে তা প্রকাশ করে তাহলে জনগণের মধ্যে আর বিভ্রান্তি থাকবে না।


আরও খবর