Logo
আজঃ শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪
শিরোনাম

আইএমএফ ৪.৫ বিলিয়ন ডলার ঋণ অনুমোদন দিল বাংলাদেশকে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ২৫৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশকে সাড়ে ৪ বিলিয়ন ডলার ঋণ দেওয়ার বিষয়টি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) অনুমোদন দিয়েছে। আইএমএফের বোর্ড সভায় ঋণ অনুমোদন দেওয়ার বিষয়টি আজ মঙ্গলবার নিশ্চিত করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

ঋণ অনুমোদনের প্রতিক্রিয়ায় অর্থমন্ত্রী বলেন, 'আমরা অবশ্যই আইএমএফের প্রতি এই ঋণের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। বিশেষ করে আইএমএফের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) আন্তোয়নেট মনসিও সায়েহ এবং মিশনপ্রধান রাহুল আনন্দসহ যে দলটি এই ঋণের বিষয়ে বাংলাদেশ সফর করেছিলেন, তাদের প্রতি জানাই ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার এবং অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব ফাতিমা ইয়াসমিনসহ অর্থ মন্ত্রণালায়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা যারা এই ঋণ প্রোগ্রাম নিয়ে কাজ করেছেন, তাদের প্রতিও রইল আমার কৃতজ্ঞতা।

তিনি বলেন, 'অনেকেই সন্দেহ পোষণ করেছিলেন যে আইএমএফ হয়তোবা এই ঋণ দেবে না। তারা ভেবেছিল আমাদের সামষ্টিক অর্থনীতির মৌলিক এলাকাগুলো দুর্বল। তাই আইএমএফ এ ঋণ প্রদান থেকে বিরত থাকবে। এ ঋণ অনুমোদনের মাধ্যমে এটাও প্রমাণিত হলো যে, আমাদের সামষ্টিক অর্থনীতির মৌলিক এলাকাগুলো শক্ত ভিতের ওপরে দাঁড়িয়ে আছ।


অর্থমন্ত্রী এর আগে গণমাধ্যমকে বলেন, 'আমরা যেভাবে চেয়েছিলাম ঠিক সেভাবে ঋণ পাচ্ছি। বাংলাদেশের জন্য মোট ৪ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার ঋণ দেওয়া হবে।

ঋণে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে রাহুল আনন্দের নেতৃত্বে আইএমএফের একটি দল গত বছরের ২৬ অক্টোবর থেকে ৯ নভেম্বর ঢাকা সফর করেন। এরপর আইএমএফের ডিএমডি আন্তোয়নেট মনসিও সায়েহ ১৪ থেকে ১৮ জানুয়ারি বাংলাদেশ সফর করেন।

২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ৭টি কিস্তিতে এই অর্থ বিতরণ করা হবে। এ ছাড়া, ৪৪৭ দশমিক ৭৮ মিলিয়ন ডলারের প্রথম কিস্তি ফেব্রুয়ারিতে দেওয়া হবে। অবশিষ্ট পরিমাণ ৬৫৯ দশমিক ১৮ মিলিয়ন ডলার ৬টি সমান কিস্তিতে দেওয়া হবে।


আরও খবর



হিলিতে দুই দিনব্যাপি পিঠা উৎসবের উদ্বোধন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৬৪জন দেখেছেন

Image

মাসুদুল হক রুবেল,হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:তৃতীয় বারের মতো দিনাজপুরের হাকিমপুরের হিলিতে দুই দিনব্যাপী পিঠা উৎসবের উদ্বোধন করা হয়েছে। পিঠার নানান স্বাদ নিতে দুই দিনের এই পিঠা উৎসবে ছিলো সব বয়সী মানুষের উপচেপড়া ভীড়। বাঙ্গালীর ঐতিহ্য ধরে রাখতে ও ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের পিঠার সাথে পরিচয় করাতেই এমন আয়োজন বলছেন আয়োজকেরা।

শীত কিংবা গ্রীষ্ম মানেই বাঙ্গালির ঘরে ঘরে মুখরোচক পিঠাপুলির আয়োজন হয়ে থাকে। তবে কালের বিবর্তনে হারিয়ে যেতে বসেছে বাঙালিদের অনেক ঐতিহ্য। বর্তমানে নানা ধরনের ফাস্ট ফুড খাবারের কারণে হারিয়ে যেতে বসেছে অনেক পিঠাপুলি। বাঙ্গালীর ঐতিহ্য নানান পিঠাপুলির সাথে ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের মাঝে তুলে ধরতেই তৃতীয় বারের মতো দিনাজপুরের হাকিমপুর হিলি উপজেলা ডাঙ্গাপাড়া মডেল স্কুলে শুরু হয়েছে দুইদিন ব্যাপী পিঠা উৎসব।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় হাকিমপুর উপজেলার ডাঙ্গাপাড়া মডেল স্কুলের আয়োজনে স্কুল চত্বরে ফিতা কেটে দুই দিনব্যাপি পিঠা উৎসবের উদ্বোধন করেন খট্টামাধবপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাওছার রহমান। উদ্বোধনের পর থেকেই পিঠা উৎসবে ছিলো নানান বয়সী মানুষের উপচেপড়া ভীড়,স্টল গুলোতে তারা নিচ্ছেন পিঠাপুলির স্বাদ।

বিদ্যালয়ে মাঠে প্রতিটি স্টলে ধান সেমাই, ভাপা, পুলি দুধ, পুলি,পাটিসাপটা, ঝিনুক পুলি, জামাই সোহাগী, গোলাপ, কানমুচুরি, পুডিং, পায়রা, তেল পিঠা, দুধ চিতাই, মুঠা পিঠা, ক্ষীর, রসগোল্লা, কেক, গোলাপ ফুল, তেলেভাজা রসপিঠা, রোল পিঠা, লাভ পিঠা, শিম ফুল পিঠা, ডালবড়া, নারিকেল পিঠা, নকশি পিঠা, নয়নতারা পিঠাসহ প্রায় অর্ধ শতাধিক পিঠার পসরা।ডাঙ্গাপাড়া মডেল স্কুল মাঠে ৯ টি স্টলে অর্ধ শতাধিক প্রকারের পিঠাপুলির পসরা সাজিয়ে বসেছেন বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষরা। এমন আয়োজনে খুশি প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষরা।

হারিয়ে যাওয়া পিঠাপুলির সাথে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের পাশাপাশি ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের পরিচয় করাতেই এমন আয়োজন করায় অভিনন্দন জানিয়েছেন স্থানীয় অভিভাবক ও সুধি মহল।

হাকিমপুর ডাঙ্গাপাড়া মডেল স্কুল এর পরিচালক আনোয়ারুল ইসলাম বলেন,আমাদের সমাজ থেকে পিঠা হারিয়ে যাচ্ছে, পিঠা কি এবং কতো ধরনের পিঠা আছে তা তারা জানেইনা। এখানে ৯ টি স্টলে ৫২ আইটেমের পিঠা তৈরী করা হয়েছে। স্কুলের ছেলে-মেয়েরা এবং স্থানীয় অভিভাবকরা এই পিঠার সাথে পরিচিত হচ্ছে এবং এর স্বাদ গ্রহন করতে পারছেন। তৃতীয় বারে এই আয়োজন করে ব্যাপক সাড়া পেয়েছি আগামীতে আরও বড় আয়োজনে করা হবে। এতে গ্রাম বাংলার হারিয়ে যাওয়া পিঠার ঐতিহ্য ও স্বাদ ফিরে আসবে।


আরও খবর



পত্নীতলা থানার ৫ কর্মকর্তা উত্তম কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পুরস্কার পেয়েছেন

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৬৩জন দেখেছেন

Image
পত্নীতলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি:পত্নীতলা থানার পাঁচ পুলিশ কর্মকর্তা উত্তম কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পুরস্কার পেয়েছেন। মঙ্গলবার রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে পদ্মা কনফারেন্স হলে সম্মাননা স্মারক হিসেবে ক্রেস্ট প্রদান করেন ডিআইজি রাজশাহী রেঞ্জ আনিসুর রহমান।

সম্মাননা প্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তারা হলেন, পত্নীতলা সার্কেল (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নওগাঁ) মুহাম্মদ আব্দুল মমীন, পত্নীতলা অফিসার ইনচার্জ মোজাফ্ফর হোসেন, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সেলিম রেজা, এসআই (নিরস্ত্র) জাফর আহমেদ ও এএসআই (নিরস্ত্র) আফজাল হোসেন। মঙ্গলবার রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয় পদ্মা কনফারেন্স রুমে রেঞ্জের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল (ডিআইজি) আনিসুর রহমান বিপিএম (বার), পিপিএম (বার) এর সভাপতিত্বে সভায় জানুয়ারি ২০২৪ মাসে উত্তম কাজের স্বীকৃতি হিসেবে সম্মাননা স্মারক হিসেবে তাদের এ ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। 

এসময় উপস্থিত ছিলেন, এডিশনাল  ডিআইজি (ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট), এডিশনাল ডিআইজি (অপারেশন) সহ রাজশাহী রেঞ্জের সকল ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ প্রমূখ।

পুরস্কার প্রাপ্তির অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে পত্নীতলা থানার অফিসার ইনচার্জ মোজাফফর হোসেন জানান, এই র্অজন আমার একার নয়, পত্নীতলা থানা পুলিশের প্রতিটি সদস্যের এবং পত্নীতলাবাসির। এই রকম ভাল কাজের মূল্যায়নে কর্মস্পৃহা আরও বাড়িয়ে দেবে। আগামীতে পত্নীতলার সুধি সমাজ, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিকবৃন্দ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষকে সাথে নিয়ে সকলের সহযোগিতায় পত্নীতলাকে মডেল থানায় রুপ দিতে চাই।

উল্লেখ্য, উক্ত কর্মকর্তাগণ এর আগেও একাধিকবার শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তা নির্বাচিত হয়েছেন এবং উত্তম কাজের পুরস্কার হিসাবে সম্মাননা স্মারক পেয়েছেন।

আরও খবর



জয়পুরহাটে হত্যা ও মাদক মামলায় ৫ জনের যাবজ্জীবন

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১০০জন দেখেছেন

Image
এস এম শফিকুল  ইসলাম,জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃজয়পুরহাটে হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন ও মাদক মামলায় একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-২ আদালতের বিচারক আব্বাস উদ্দীন এ রায় দেন।

হত্যা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, পাঁচবিবি উপজেলার রতনপুর এলাকার জাইবর আলীর ছেলে সোহাগ, মৃত তৈমুদ্দিনের ছেলে রায়হান, নিজাম উদ্দিনের ছেলে আমিনুল ইসলাম ও লোকমানের ছেলে হারুনুর রশীদ। এছাড়া মাদক মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত সুজন সরদার একই উপজেলার গোপালপুর গ্রামের সোলাইমান সরদারের ছেলে।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, জয়পুরহাটের খনজনপুর এলাকার বাদল প্রামাণিকের ছেলে সাহাদুল ইসলাম শহরের স্টেশনরোড এলাকায় কম্পিউটারের দোকান করতেন। সে দোকানে ব্যবসায়ীক লেনদেনের কারণে আসামীদের কাছে তার ৬০ হাজার টাকা পাওনা হয়। এ নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ হয়। এরই জেরে ২০১০ সালের ৬ জানুয়ারি সাহাদুল রতনপুর এলাকার এক বন্ধুর বাড়ি থেকে বেড়িয়ে জয়পুরহাটে আসার পথে বাগুয়ান এলাকায় আসামীরা লাঠি ও গাছের ডাল দিয়ে সাহাদুলের মাথায় আঘাত করলে সে গুরুতর আহত হয়। পরে একই দিন বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়।
অন্যদিকে ২০২০ সালের ১৪ নভেম্বর পাঁচবিবির উত্তর গোপালপুর গ্রাম থেকে ১১৯ বোতল ফেনসিডিল সহ সুজন সরদারকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব।

আরও খবর



নন্দীগ্রামে পুলিশের অভিযানে ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্যসহ ৫ জুয়ারি গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫৩জন দেখেছেন

Image
নন্দীগ্রাম (বগুড়া):বগুড়ার নন্দীগ্রামে পুলিশের অভিযানে নন্দীগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য সাইফুল ইসলাম গোলাপসহ ৫ জুয়ারি গ্রেপ্তার হয়েছে। বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে থানার অফিসার ইনচার্জ আজমগীর হোসাইন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। 

থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানার এসআই বিকাশ চক্রবর্তী সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে উপজেলার নন্দীগ্রাম ইউনিয়নের হাটলাল গ্রামের ধাপপাড়ায় অভিযান চালিয়ে জুয়া খেলার সময় নন্দীগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য হাটলাল গ্রামের মৃত রইচ উদ্দিনের ছেলে সাইফুল ইসলাম গোলাপ (৫৩), মকবুল হোসেনের ছেলে গোলাম মোস্তফা (৫১), মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে ওবাইদুল হক (৩৫), আব্দুর রশিদের ছেলে জাহিদ হোসেন (২১) ও নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার সুকাশ ইউনিয়নের বিবির আধখোলা গ্রামের মৃত আলাউদ্দিনের ছেলে আব্দুল মজিদ (৩৬) কে গ্রেপ্তার করে। সেসময় তাদের কাছ থেকে জুয়া খেলার নগদ ১৬ হাজার ৩৬৭ টাকাসহ সরঞ্জামাদি উদ্ধার কর হয়। 

এ বিষয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ আজমগীর হোসাইন বলেন, জুয়ারিদের বিরুদ্ধে থানায় নিয়মিত একটি মামলা হয়েছে। বুধবার সকালে তাদেরকে বগুড়া আদালতে প্রেরণ করা হয়।

আরও খবর



পুলিশ পদক পেলেন ৪০০ কর্মকর্তা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ৩৩জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:৪০০ জন পুলিশ কর্মকর্তা সাহসিকতা, বীরত্বপূর্ণ অবদান এবং সেবামূলক কাজের জন্য পদক পেলেন। বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জন নিরাপত্তা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রকাশিত তালিকা অনুসারে সাহসিকতা, বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) পেয়েছেন ৩৫ জন, রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম) ৬০ জন। আর গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদ্‌ঘাটন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা, সততা, কর্মনিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশ পুলিশ (বিপিএম) সেবা পদক ৯৫ জন এবং ২১০ জনকে রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম) সেবা পদক দেওয়া হচ্ছে।

প্রতিবছর পুলিশের সেরা কর্মকর্তা ও সদস্যদের বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) এবং রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদকে (পিপিএম) ভূষিত করেন প্রধানমন্ত্রী। সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ অবদান এবং সেবামূলক কাজের বিবেচনায় এসব পদক দেওয়া হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এই পদকের যোগ্য কর্মকর্তাদের বাছাই করতে পুলিশ সদর দপ্তরে একটি কমিটি করা হয়। বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যরা কমিটির কাছে তাঁদের বছরের সেরা কাজটির বিবরণ পাঠান। এর ভিত্তিতে যাচাই শেষে পুলিশ সদর দপ্তরের কমিটি পদক পাওয়ার মতো কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তৈরি করে অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠায়। প্রধানমন্ত্রী তা চূড়ান্ত করে থাকেন। পুলিশ সপ্তাহের প্রথম দিনের কর্মসূচিতে প্যারেডে সালাম গ্রহণের পর নিজ হাতে কর্মকর্তাদের এই পদকে ভূষিত করেন প্রধানমন্ত্রী। এই পদক পুলিশের চাকরিতে খুবই সম্মানজনক হিসেবে বিবেচিত। কর্মকর্তারা এর জন্য আর্থিক সুবিধাও পান এবং নামের শেষে এই পদক উপাধি হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।


আরও খবর