Logo
আজঃ Tuesday ২৪ May ২০২২
শিরোনাম

আগামী জুনেই উদ্বোধন হচ্ছে পদ্মা সেতু

প্রকাশিত:Wednesday ১১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ১২৯জন দেখেছেন
Image

বজলুর রহমানঃ

এবছরের জুনের শেষ দিকে পদ্মা সেতু যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, পদ্মা সেতুর কাজের অগ্রগতির সামারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পাঠানো হয়েছে। 


আগামী মাসের (জুন) শেষ দিকে সেতুটি উদ্বোধনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে সময় চেয়েছি। তিনি সময় দিলে জুনেই পদ্মা সেতু যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে।


বুধবার (১১ মে) রাজধানীর সেতু ভবনে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ১১১তম সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন মন্ত্রী।



ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রকল্প পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্প। পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের মূল সেতুর বাস্তব কাজের অগ্রগতি শতকরা ৯৮ শতাংশ। এর মধ্যে নদীশাসন কাজের বাস্তব অগ্রগতি শতকরা ৯২ শতাংশ এবং মূল সেতুর কারপেটিং কাজের অগ্রগতি শতকরা ৯১ শতাংশ। প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি শতকরা ৯৩ দশমিক ৫০ শতাংশ।




পদ্মা সেতুর নাম ‘শেখ হাসিনা-পদ্মা সেতু’ নামকরণে সেতু বিভাগ প্রস্তাব দেবে বলে জানিয়েছেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, সেতুটি উদ্বোধনের আগেই আমরা ‘শেখ হাসিনা -পদ্মা সেতু’ নামকরণ করতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব দেবো। তিনি সম্মতি দিল আমরা এ নামে সেতুর উদ্বোধন করবো।


তিনি বলেন, সেতু বিভাগের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প হচ্ছে চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে নির্মাণাধীন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল। ২ হাজার ৪৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের দ্বিতীয় টানেল টিউবে রিং প্রতিস্থাপনসহ ১০০ শতাংশ বােরিং কাজ সম্পন্ন হয়েছে। প্রায় ১ হাজার ২৩৪ মিটার স্লাব নির্মাণ কাজও সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে দ্বিতীয় টানেল টিউবের প্রয়ােজনীয় ইন্টার্নাল স্ট্রাকচার নির্মাণের কাজগুলো চলমান রয়েছে। প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি শতকরা ৮৫ শতাংশ।


আরও খবর



যে কোনো শর্তে জামিন চান

বিচারিক আদালতে হাজী সেলিমের আত্মসমর্পণের আবেদন

প্রকাশিত:Sunday ২২ May 20২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ৬২জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়েরকৃত মামলায় বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের আবেদন করে যে কোনো শর্তে জামিনের আবেদন করেছেন আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য (এমপি) হাজী মোহাম্মদ সেলিম।রোববার (২২ মে) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭ এর বিচারক শহিদুল ইসলামের আদালতে আত্মসমর্পণ করে এ আবেদন করেন হাজী সেলিমের আইনজীবী।


রোববার দুপুর ২টার দিকে আদালতে স্বশরীরে উপস্থিত হবেন হাজী সেলিম। এরপর এ আবেদনের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া কারাগারে উন্নত চিকিৎসা ও প্রথম শ্রেণির ডিভিশন চেয়ে আরও দুইটি আবেদন করা হয়েছে।


আবেদনে হাজী সেলিমের আইনজীবী শ্রী প্রাণ নাথ উল্লেখ করেন, ২০১৬ সালে ওপেন হার্ট সার্জারির সময় মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হওয়ার কারণে দীর্ঘদিন যাবত বাক-শক্তিহীন অবস্থায় রয়েছেন হাজী সেলিম। তিনি দেশ ও বিদেশে চিকিৎসা নিয়েছেন। জেলে থাকলে চিকিৎসার অভাবে ও বাক-শক্তিহীনের কারণে যে কোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এ কারণে যে কোনো শর্তে তার জামিন আবেদন করছি। জামিন পেলে তিনি পলাতক হবেন না। তাই আপিল শর্তে আত্মসমর্পণ পূর্বক তার জামিন আবেদন করছি।


গত ২৫ এপ্রিল দুপুর ৩টার দিকে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭ এর বিচারক শহিদুল ইসলামের আদালতে হাইকোর্ট থেকে মামলার নথি এসে পৌঁছায়। এদিন হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে রায়ের নথি পাঠানো হয়।


দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান বলেন, আইন অনুযায়ী আজ থেকে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে হাজী সেলিমকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে হবে। আর হাইকোর্টের রায়ের ফলে তার সংসদ সদস্য পদে থাকার যোগ্যতা নেই।


এর আগে হাজী সেলিমকে বিচারিক (নিম্ন) আদালতে দেওয়া ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানার রায় বহাল রাখেন হাইকোর্ট।


২০২১ সালের ৯ মার্চ বিচারপতি মো. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রায় দেন। এরপর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রকাশ পায় রায়।


এছাড়া জরিমানার টাকা অনাদায়ে হাজী সেলিমকে আদালত আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন এবং রায় পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে তাকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। আত্মসমর্পণ না করলে জামিন বাতিল করে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন। এছাড়া জব্দ করা হাজী সেলিমের সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করতে বলা হয়।


জরুরি অবস্থার সময় ২০০৭ সালের ২৪ অক্টোবর হাজী সেলিমের বিরুদ্ধে লালবাগ থানায় অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে মামলা করে দুদক। এরপর ২০০৮ সালের ২৭ এপ্রিল হাজী সেলিমকে ১৩ বছরের কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত।



আরও খবর



তৃতীয় ধাপে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেল ৩৩ হাজার পরিবার

প্রকাশিত:Tuesday ২৬ April ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ১১৬জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

দেশের ৩২ হাজার ৯০৪ গৃহ ও ভূমিহীন পরিবার আসন্ন ঈদের আগে তৃতীয় ধাপে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে ঘর পেয়েছেন।গণভবন থেকে মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) ভিডিও কনফারেন্সে এসব ঘর হস্তান্তর করেন শেখ হাসিনা।


প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের হাতে ঘরের চাবি তুলে দেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তারা।


তৃতীয় ধাপের এসব ঘর হস্তান্তর কার্যক্রমের উদ্বোধন করে শেখ হাসিনা বলেন, আমার সবচেয়ে ভালো লাগে যখন দেখি একটা মানুষ ঘর পাওয়ার পর তার মুখের হাসি। জাতির পিতা দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে চেয়েছিলেন।


সবার জন্য আবাসন নিশ্চিত করতে সরকারের কার্যক্রমের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাকি যে ঘরগুলো আছে সেগুলো আস্তে আস্তে তৈরি করে সব মানুষ যেন মানুষের মতো বাঁচতে পারে, সুন্দর জীবন পেতে পারে। সেটাই আমাদের লক্ষ্য। বাংলাদেশের একটি মানুষও গৃহহীন থাকবে না, ভূমিহীন থাকবে না। এটাই আমাদের লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য নিয়েই কাজ করে যাচ্ছি।



শেখ হাসিনা মুজিববর্ষ উপলক্ষে ঘোষণা দিয়েছেন যে, বাংলাদেশের কোনো মানুষ যাতে ভূমি ও গৃহহীন না থাকে। সেজন্য তিনি দুই শতক জমির উপর দুই রুম বিশিষ্ট একটি ঘর উপহার দিচ্ছেন। এসব ঘরের ডিজাইন প্রধানমন্ত্রী নিজেই প্রণয়ন করেছেন।


তৃতীয় ধাপে এসব ঘর দেওয়ার আগে প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ঘর পেয়েছে ১ লাখ ১৭ হাজার ৩২৯টি পরিবার। তৃতীয় ধাপের আরও ৩২ হাজার ৭৭০টি ঘর নির্মাণাধীন রয়েছে।


আশ্রয়ণের প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের চেয়ে তৃতীয় ধাপের ঘরগুলো অনেক বেশি টেকসই। তৃতীয় ধাপে একেকটি ঘর নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ২ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকা। তৃতীয় ধাপের ঘরগুলোতে আরসিসি পিলার, গ্রেড ভিম, টানা লিংকটারসহ বেশ কিছু বিষয় সংযোজন করা হয়।  



এসব ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার কাইচাইল ইউনিয়নের পোড়াদিয়া বালিয়া, বরগুনা সদর উপজেলার গৌরিচন্না ইউনিয়নের খাজুরতলা, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার খোকশাবাড়ী ইউনিয়নের খোকশাবাড়ী ও চট্টগ্রামের আনোয়ারার বারখাইন ইউনিয়নের হাজিগাঁওয়ে ভিডিও কনফারেন্সে সংযুক্ত হয়ে উপকারভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।


আরও খবর



শিমুলিয়া-মাঝিকান্দি নৌরুটে প্রস্তুত নতুন ফেরিঘাট

প্রকাশিত:Monday ২৫ April ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৩ May ২০২২ | ১৩৬জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

দক্ষিন বঙ্গের সড়ক পথে যোগাযোগ ব্যাবস্থায় শিমুলিয়া-মাঝিকান্দি নৌরুটে ফেরি চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে শরীয়তপুরের মাঝিকান্দিতে নতুন ফেরিঘাট স্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে। সোমবার (২৫ এপ্রিল) বিকেলে ঘাটে যুক্ত করা হয়েছে পন্টুন। মঙ্গলবার সকাল থেকে নতুন ঘাটটিতে ফেরি নোঙর ও যানবাহন ওঠানামা করতে পারবে।


বিআইডব্লিটিএ শিমুলিয়া নদী বন্দরের নৌসংরক্ষণ ও পরিচালন বিভাগের সহকারী পরিচালক ওবায়দুল করিম খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


তিনি বলেন, মাঝিকান্দিতে নতুন ঘাটটির কাজ শুরু হয় ১৯ এপ্রিল। ছয়দিনের মাথায় কাজ শেষ হলো। ঘাট স্থাপনে আরও দুইদিন সময় ছিল। নতুন ঘাটটির ফলে এখন মাঝিকান্দিঘাটে একসঙ্গে তিনটি ফেরি নোঙর ও যাত্রী-যানবাহন ওঠানামা করতে পারবে। আগে ঘাটটিতে দুটি ফেরি নোঙরের সুযোগ ছিল। মাঝেমধ্যেই আবার একটি নোঙর করলে আরেকটি নোঙরের করার জন্য অপেক্ষা করতে হতো। এতে যানবাহনকে বেশি সময় ঘাটে অপেক্ষা করতে হতো।


ওবায়দুল করিম খান বলেন, আসন্ন ঈদে যানবাহনের সংখ্যা বাড়বে। তাই নতুন ঘাট স্থাপন করা হয়েছে। নতুন ঘাটটিতে মিডিয়াম, কে-টাইপ ও ডাম্প ফেরি নোঙর করতে পারবে। ফলে ফেলি চলাচলে আরও গতি আসবে। ঘাটে যানবাহন নিয়ে যাত্রীদের বেশি সময় অপেক্ষা করতে হবে না।



আরও খবর



দুর্ঘটনায় আহত রুবেলের অবস্থা সংকটাপন্ন

মেয়র হানিফ ফ্লাই ওভারে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত রুবেলের অবস্থা শংকটাপন্ন

প্রকাশিত:Tuesday ২৪ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ১১জন দেখেছেন
Image

কামাল হোসেন খানঃ

মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারে গাড়িচাপায় আহত মোটরসাইকেল আরোহী আমিনুল হক রুবেলের অবস্থা সংকটাপন্ন । 


গত ২২ মে রোববার রাত পৌনে বারোটার দিকে মোটরসাইকেল যোগে মাতুয়াইল রহমতপুরের বাসায় ফিরছিলেন তিনি। এ সময় পিছন থেকে আসা অজ্ঞাত একটি গাড়ি তাকে চাপা দিলে তার মোটরসাইকেলটি দুমড়ে মুছড়ে গিয়ে ঘটনাস্থলেই গুরুত্ব আহত হন তিনি।


 যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশ গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। 


পরবর্তীতে পুলিশ তার আত্মীয়-স্বজনকে খবর দেন। গুরুতর আহত আমিনুল হক রুবেল দুর্ঘটনায় মাথা চোখ এবং পেটে মারাত্মকভাবে জখম হন। চিকিৎসকরা তাকে আইসিইউতে ভর্তি করার পরামর্শ দেন। 


মুমূর্ষু অবস্থায় তিনি ধানমন্ডির একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন। 


তার গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ জেলার লৌহজং থানার ভড়াকর গ্রামে। ঢাকায় যাত্রাবাড়ী থানা এলাকার মাতুয়াইল রহমতপুরে  স্বপরিবারে তিনি বসবাস করেন। তার একটি ছেলে এবং একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।


আরও খবর



সুন্দরবন পৌঁছেছেন ডেনমার্কের রাজকুমারী ম্যারি এলিজাবেথ ডোনাল্ডসন

প্রকাশিত:Wednesday ২৭ April ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৩ May ২০২২ | ১০৭জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

বুধবার (২৭ এপ্রিল) সকাল ১০টা ১২ মিনিটে তাকে বহনকারী বিমানবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের ধানখালীতে নির্মিত হ্যালিপ্যাডে অবতরণ করে সেখান থেকে রাজকুমারীগাড়িতে করে সুশীলনের টাইগার পয়েন্ট হয়ে মুন্সিগঞ্জ থেকে তিন কিলোমিটার দূরে কুলতী গ্রামে যান।


একই সঙ্গে তিনি জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর বসবাসের এলাকা, সাইক্লোন সেন্টার ও বেড়িবাঁধ পরিদর্শন করবেন।


এসময় ডেনমার্কের রাজকুমারী ম্যারি এলিজাবেথ ডোনাল্ডসন বাঁধের পাশে বসবাসকারী প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনের সঙ্গে কথা বলবেন।


দুপুরে রাজকুমারী স্থানীয় বরসা রিসোর্টে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেবেন।এছাড়ারাজকুমারী সুন্দরবন ভ্রমণ ও বনবিভাগের লোকজনের সঙ্গেও কথা বলবেন।  


আরও খবর