Logo
আজঃ Monday ২৭ June ২০২২
শিরোনাম

আগামী ৫ দিন যেমন থাকবে আবহাওয়া

প্রকাশিত:Thursday ২৩ December ২০২১ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৪৩৬জন দেখেছেন
Image

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় কয়েক দিন ধরেই বেশ শীত পড়ছে। চলতি সপ্তাহে কয়েকটি জেলার তাপমাত্রা শৈত্যপ্রবাহের পর্যায়েও নেমে যায়। যদিও দেশে আগামী পাঁচ দিন আবহাওয়া পরিবর্তনের কোনো সম্ভাবনা নেই। তবে চলতি মাসের শেষ দিকে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক বলেন, বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) ও শুক্রবার (২৪ ডিসেম্বর) তাপমাত্রা সামান্য কিছুটা কমতে অথবা বাড়তে পারে। বৃষ্টির সম্ভাবনাও কম। তবে আগামী আগামী পাঁচ দিন আবহাওয়া পরিস্থিতিতে তেমন কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।

বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানা গেছে, দেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ জেলা এবং সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আকাশ মেঘলা থাকতে পারে। কোথাও কোথাও কুয়াশা পড়তে পারে। দিনে ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে। এ মাসে নতুন করে শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা নেই বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এদিকে, গতকাল বুধবার দেশে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল টেকনাফে ২৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল তেঁতুলিয়ায় ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় গতকাল বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।


আরও খবর



উত্তরপত্রে ‘মন ভালো নেই’ লিখে বিপাকে জবি শিক্ষার্থী

প্রকাশিত:Friday ২৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৩৪জন দেখেছেন
Image

পরীক্ষার উত্তরপত্রে ‘স্যার আজকে আমার মন ভালো নেই’ বিপাকে পড়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রথমবর্ষের এক শিক্ষার্থী। বিষয়টি এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

জানা যায়, গত ১২ জুন জবির ইংরেজি বিভাগের মিডটার্ম পরীক্ষার অতিরিক্ত একটি উত্তরপত্র নিয়ে যান ওই শিক্ষার্থী। পরে বুধবার (২২ জুন) রাতে সেই উত্তরপত্রে ‘স্যার আজকে আমার মন ভালো নেই’ লিখে নিজের ফেসবুক আইডিতে পোস্ট দেন তিনি। এরপর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। পরে অবশ্য তিনি পোস্টটি সরিয়ে নেন।

এ বিষয়ে ঐ শিক্ষার্থী জানান, তিনি মজা করে ছবিটি ফেসবুকে দিয়েছেন। পরে বুঝতে পেরে তিনি পোস্টটি ডিলিট দিয়ে দেন। বিষয়টি এরকম ভাইরাল হয়ে যাবে তা তিনি বুঝতে পারেননি। উত্তরপত্রে পরীক্ষকের স্বাক্ষরও তার করা বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে জবি ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. মমিন উদ্দীন বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমরা পরিষ্কারভাবে এখনো কিছু জানি না। ঐ শিক্ষার্থীকে রোববার (২৬ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে দেখা করতে বলা হয়েছে। তখন আমরা বিষয়টি সম্পর্কে সম্পূর্ণ জেনে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবো। ভাইরাল হওয়া অতিরিক্ত উত্তরপত্রে ইনভিজিলেটর স্বাক্ষরটি ইংরেজি বিভাগের কোনো শিক্ষকের নয় বলেও জানান তিনি।

ঐ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা বহিষ্কার করতে পারি না। এটা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেবে। তবে আমরা বিষয়টি নিয়ে রোববার ঐ শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত দোবো।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এ কে এম আক্তারুজ্জামান বলেন, বিষয়টি নিয়ে বিভাগ যা বলবে তাই। এছাড়া উত্তরপত্রটি আমি দেখিনি। তাই এ বিষয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না।


আরও খবর



ছবির অভিনব প্রচার, রক্তে লেখা হলো পোস্টার

প্রকাশিত:Thursday ১৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৬০জন দেখেছেন
Image

শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ‘উইন্ডোজ প্রোডাকশন’ হোক কিংবা দেবের প্রোডাকশন ‘দেব এন্টারটেনমেন্ট ভেঞ্চারস।’ সিনেমার প্রচারে তাদের জুড়ি মেলা ভার। প্রতিবার নিত্যনতুন কৌশলে তাক লাগিয়েছেন তারা দর্শকের। এবার সেই পথেই হাঁটলো টিম ‘ইস্কাবন।’

উত্তপ্ত জঙ্গলমহলে মাওবাদীদের জীবনকে কেন্দ্র করে তৈরি ‘ইস্কাবন’। পরিচালক মন্দীপ সাহা। ১৭ জুন মুক্তি পেতে চলেছে ‘ইস্কাবন’। এখন চলছে প্রচার।

ছবির প্রচারে কলকাতা শহরজুড়ে পোস্টার। আর তাতেই নতুন চমক। যে সে পোস্টার নয়! একেবারে রক্ত দিয়ে লেখা!

হঠাৎ কেন এমন ভাবনা? আনন্দবাজার অনললাইনকে এর ব্যাখা দিয়েছেন পরিচালক মন্দীপ। তিনি বলেন, ‘জঙ্গলমহলের মানুষদের ইচ্ছে ছিল এমনটাই। কারণ তাদের ব্যথা, লড়াইয়ের কথাই এই ছবির মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছি আমরা। তাই এই ভাবে সেজেছে পোস্টার। তবে কারও ক্ষতি করে কিছু করা হয়নি।’

ছবিতে অভিনয় করেছেন নবাগত সঞ্জু, অনামিকা চক্রবর্তী, সৌরভ দাস, খরাজ মুখোপাধ্যায়, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, অরিন্দম গঙ্গোপাধ্যায়, দুলাল লাহিড়ী, পুষ্পিতা মুখোপাধ্যায়, সুমিত গঙ্গোপাধ্যায় প্রমুখ।


আরও খবর



পঞ্চম মেয়াদে অতিরিক্ত ব্যয় ২৮ কোটি

প্রকাশিত:Monday ১৩ June ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৫০জন দেখেছেন
Image

নড়াইলের নবগঙ্গা নদীর ওপর নির্মাণাধীন সেতুর হেলে যাওয়া ৯নং পিলারের নকশা পরিবর্তন করা হয়েছে। ৯নং পিলার বাদ দিয়ে ৮ থেকে ১০নং পিলারের মধ্যে ঢালাই না দিয়ে স্টিলের স্প্যান বসানো হবে। এছাড়া পরবর্তীতে যাতে কোনো নৌযানে পিলার আঘাতপ্রাপ্ত না হয় সেজন্য প্রতিটা পিলারের চারদিকে স্টিলের বেষ্টনি দিয়ে বাড়তি নিরাপত্তা দেওয়া হবে। এসব কারণে অতিরিক্ত ২৮ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে।

৪র্থ দফার মেয়াদ শেষে সেতুর কাজের অগ্রগতি ৬২ ভাগ। ৫ম মেয়াদে ২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ে সেতুটি নির্মিত না হওয়ার জন্য জনপ্রনিধিসহ স্থানীয় জনগণ ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নড়াইল-কালিয়া সড়কে নোয়াকগ্রাম ইউনিয়নের বারইপাড়া ও কালিয়া পৌরসভার পাঁচ কাউনিয়া অংশে নবগঙ্গা নদীর ওপর ৬৫১.৮৩ মিটার লম্বা, ১০.২৫ মিটার প্রস্থ, ১৬টি পিলার ও ১৫টি স্প্যানের এ সেতুর নির্মাণ ব্যয় ধরা হয় ৭২ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। এমডি জামিল ইকবাল অ্যান্ড মো. মইনুদ্দীন বাশি জেভি ফার্ম ২০১৮ সালের ১৮ মার্চ সেতুর কার্যাদেশ পায় এবং ২০১৯ সালের জুনে শেষ করার কথা ছিল। কিন্তু নির্মাণ কাজ শুরু করতে দেরি এবং ধীর গতির কারণে কাজটি দিন দিন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যায়।

এরই মাঝে ২০২০ সালের ২০ জুন বালুবোঝাই একটি বাল্কহেডের ধাক্কায় মাঝ নদীতে অবস্থিত ৯ নম্বর পিলারটি এবং ২০২১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর একই পিলার আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে হেলে যায়। এছাড়া নির্মাণাধীন আরও কয়েকটি পিলার আঘাতপ্রাপ্ত হয়। এসব ঘটনায় কালিয়া থানায় ৬টি জিডি ও মামলা হয়েছে।

কালিয়া সেতু নির্মাণ কাজের ডেপুটি প্রজেক্ট ম্যানেজার প্রকৌশলী মিনহাজুল ইসলাম বলেন, প্রথম দিকে বিভিন্ন কারণে দেরি হয়েছে। তবে এখন প্রায় ৫০-৬০ জন শ্রমিক কাজ করছেন। বর্তমানে পিলারের ওপর গার্ডার ও স্লাব বসানো এবং দু’পাশে সংযোগ সড়কের কাজ চলছে। আগামী জুনের মধ্যে আমাদের অংশের কাজ সম্পন্ন হবে বলে আশা করছি। তবে হেলে যাওয়া ৯ নম্বর পিলারের নতুন নকশার বিষয়ে কিছু জানি না। এ পর্যন্ত মূল কাজ ও সংযোগ সড়ক মিলে ৬২ ভাগ শেষ হয়েছে বলে জানান তিনি।

পঞ্চম মেয়াদে অতিরিক্ত ব্যয় ২৮ কোটি

নড়াইল সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুজ্জামান জাগো নিউজকে বলেন, ৯ নম্বর পিলার বার বার আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ায় এটি না রেখে ৮ ও ১০ নম্বর পিলারের ওপর একটি স্টিলের স্প্যান বসবে। এজন্য ২৮ কোটি বাড়তি ব্যয় হবে। সাধারণত এ ধরনের স্টিলের স্প্যান বিদেশ থেকে আনতে হয়। এর জন্য ন্যাশনাল টেন্ডার দিতে হবে। টেন্ডার কাজ সম্পন্ন হতে আগামী ৩ মাস লাগতে পারে।

এছাড়া সেতুর অন্যান্য পিলার যাতে পরবর্তীতে বাল্কহেড বা অন্য নৌযান দ্বারা আঘাতপ্রাপ্ত না হয় সেজন্য আধুনিক নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হবে। এসব কাজ শেষ করতে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

নড়াইল-১ আসনের এমপি কবিরুল হক মুক্তি জাগো নিউজকে বলেন, আমি এ সেতু নিয়ে হতাশ। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান, সংশ্লিষ্ট অফিসসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বার বার কথা বলেছি দ্রুত সেতুর কাজ শেষ করার জন্য। দ্রুত সেতুর কাজ শেষ করলে লাখ লাখ মানুষের যাতায়াতের পথ উন্মুক্ত হবে।

জেলা শহর থেকে কালিয়া শহরের দূরত্ব ২৫ কিলোমিটার। কিন্তু এ পথ যেতে সময় লাগে দু’ঘণ্টা। নবগঙ্গা নদী কালিয়া উপজেলাকে জেলার অন্যান্য এলাকা থেকে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে। সেতটিু চালু হলে নড়াইল-যশোরের সঙ্গে গোপালগঞ্জ, বরিশাল এবং বাগেরহাট জেলার যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে।


আরও খবর



বাজেটের ঘাটতি মেটাতে বিদেশি অর্থায়ন খোঁজার অনুরোধ এফবিসিসিআই’র

প্রকাশিত:Saturday ১১ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৬৫জন দেখেছেন
Image

প্রস্তাবিত ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে ঘাটতি মেটাতে স্থানীয় ব্যাংক ব্যবস্থার পরিবর্তে সুলভ সুদে বৈদেশিক উৎস হতে অর্থায়নের প্রচেষ্টা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই। বাজেটে ব্যাংক ঋণের ওপর অধিক মাত্রায় নির্ভরতা বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করতে পারে বলেও আশঙ্কা করছে ব্যবসায়ী সংগঠনটি।

শনিবার (১১ জুন) মতিঝিল এফবিসিসিআই কার্যালয়ে ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন। ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংগঠনটির পরিচালনা পর্ষদ সদস্য, বিভিন্ন চেম্বার সভাপতিরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে ঘাটতি রাখা হয়েছে দুই লাখ ৪৫ হাজার ৬৪ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৫.৫ শতাংশ। ঘাটতি মেটাতে সরকারকে এক লাখ ৪৬ হাজার ৩৩৫ কোটি টাকা অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে নিতে হবে। এর মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে নিতে হবে এক লাখ ছয় হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা। বাজেটের এই ঘাটতি মেটাতে স্থানীয় ব্যাংক ব্যবস্থার পরিবর্তে যথাসম্ভব সূলভ সুদে বৈদেশিক উৎস হতে অর্থায়নের প্রচেষ্টা নেওয়ার অনুরোধ জানান এফবিসিসিআই সভাপতি। তা নাহলে ব্যাংক ঋণের ওপর অধিক মাত্রায় নির্ভরতা বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করতে পারে বলেও আশঙ্কা করেন তিনি।

মো. জসিম উদ্দিন বলেন, যথাযথ বিনিয়োগ ও শিল্পোন্নয়ন ছাড়া অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতিধারাকে অব্যাহত রাখা সম্ভব নয়। রাজস্ব নীতিতে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা জরুরি, যাতে বিনিয়োগকারীরা আস্থার সঙ্গে বাবসা- বাণিজ্য চালিয়ে যেতে পারেন। মুদ্রানীতি ও রাজস্ব নীতির মধ্যে সুসমন্বয় রাখা জরুরি।

লিখিত বক্তব্যে এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, কোভিড ও ইউক্রেন পরিস্থিতির কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি, খাদ্যপণ্য, পণ্যের কাঁচামালের মূল্য এবং শিপিং ও ট্রান্সপোর্ট খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় সব ধরনের দ্রব্যমূল্য ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ অবস্থায় মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা আগামী বাজেট বাস্তবায়নে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ঘোষিত বাজেটেও মূল্যস্ফীতির বিষয়টিকে অন্যতম চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে অনুৎপাদনশীল এবং অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ খরচ কমানোর পাশাপাশি বিলাসী ও অপ্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানি নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। প্রস্তাবিত বাজেটে কতিপয় বিলাসী পণ্যের ওপর অতিরিক্ত কর আরোপ করা হয়ছে, যা আমদানি ব্যয় কমাতে সহায়তা করবে।

তিনি বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ অন্যান্য অবকাঠামো উন্নয়নের বিষয়ে বাজেটে যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে তা বিনিয়োগ, শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থান প্রক্রিয়াকে গতিশীল করবে। এসব উদ্যোগ এসডিজি-৭, ৮ ও ৯ অর্জনে ভূমিকা রাখবে। অবকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপকে (পিপিপি) আরও জোরদার করতে হবে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) নিয়ন্ত্রিত রাজস্ব আয়ের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে তিন লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা। যা গত বছরের লক্ষ্যমাত্রার (৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা) তুলনায় ১২ দশমিক ১২ শতাংশ বেশি। কোনো অর্থবছরেই রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব হয় না। ফলে কর-জিডিপি বাড়ছে না। বিশ্ববাজারে পণ্যমূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় এই সময়ে শুল্ক-কর আয় বাড়ছে। মূলত করব্যবস্থা সহজ ও ব্যবসা-বান্ধব করা দরকার। পাশাপাশি রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে ইন্টিগ্রেটেড ও অটোমেশন প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা জরুরি। এতে ব্যবসায়ীদের প্রতিযোগিতার সক্ষমতা বাড়বে। বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়বে বলে মনে করছে এফবিসিসিআই।


আরও খবর



জামালপুরে যমুনার পানি বাড়ছে, নতুন এলাকা প্লাবিত

প্রকাশিত:Friday ১৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৬৪জন দেখেছেন
Image

উজানের পাহাড়ি ঢল ও অব্যাহত বৃষ্টিতে বাড়ছে যমুনা নদীর পানি। শুক্রবার (১৭ জুন) বিকেল পর্যন্ত যমুনার পানি বিপৎসীমার ১২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

শুক্রবার (১৭ জুন) সন্ধ্যায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের পানি পরিমাপক আব্দুল মান্নান জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

jagonews24

তিনি বলেন, অব্যাহত বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৮ সেন্টিমিটার পানি বেড়ে বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্ট এলাকায় যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমার ১২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, যমুনার পানি বাড়ায় ইসলামপুর উপজেলার চিনাডুলি ইউনিয়নের দক্ষিণ চিনাডুলি, দেওয়ান পাড়া, ডেবরাইপ্যাচ, বলিয়াদহ, পশ্চিম বামনা, বেলগাছা ইউনিয়নের কছিমার চর, দেলীপাড়, গুঠাইল, সাপধরী ইউনিয়নের আকন্দপাড়া, পূর্ব চেঙ্গানিয়ারসহ নদীপাড়ের আরও বেশকটি গ্রামে পানি প্রবেশ করেছে। এছাড়া পাথর্শী, নোয়ারপাড়া ও পলবান্দা ইউনিয়নের লোকালয়েও হুহু করে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গ যমুনাপাড়ের বেশকয়েকটি এলাকায় দেখা দিয়েছে নদী ভাঙন।

jagonews24

এছাড়া দেওয়ানগঞ্জের চিকাজানী ইউনিয়নের খোলাবাড়ি, চর আমখাওয়া ইউনিয়নের সানন্দবাড়ী লম্বাপাড়ায় পানি ঢুকতে শুরু করেছে। এতে আতঙ্কে দিন কাটছে নদীর তীরবর্তী এলাকার লোকজনের।

জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) পানি পরিমাপক আব্দুল মান্নান জাগো নিউজকে আরও বলেন, উজানের পাহাড়ি ঢলে প্রতিদিনই এভাবে কিছু না কিছু এলাকা প্লাবিত হতে থাকবে।


আরও খবর