Logo
আজঃ সোমবার ২৪ জুন 20২৪
শিরোনাম
গ্রীষ্মের রুক্ষ প্রকৃতিতে শোভা ছড়াচ্ছে সোনালু ফুল ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় ২৬২ জন নিহত মতিউর ও তার স্ত্রী-সন্তানদের বিদেশ যেতে নিষেধাজ্ঞা তরুণরাই বদলে যাওয়া বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে: প্রধানমন্ত্রী নতুন সেনাপ্রধানের বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ভূয়া সৈনিক পরিচয়ে বিয়ে করে শশুড় বাড়ী শিকলবন্দী জামাই! খাগড়াছড়িতে পুনাক কমপ্লেক্স এর উদ্বোধন করলেন: পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল এিপুরা হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধ বাধলে ইসরায়েলকে সমর্থন দেবে যুক্তরাষ্ট্র হজ চলাকালীন ১৩০১ জন হজযাত্রীর মৃত্যু: সৌদি আরব সেতু ভেঙ্গে নয়জন নিহতের ঘটনায় দুইটি তদন্ত কমিটি গঠন, মাইক্রোবাস উদ্ধার

আগাম শীতকালীন সবজি চাষে আগ্রহী হচ্ছে গাংনীর চাষিরা

প্রকাশিত:শনিবার ২৬ আগস্ট ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৪১১জন দেখেছেন

Image

মেহেরপুর প্রতিনিধি:স্বল্প খরচে বেশি লাভ হওয়ায় আগাম শীতকালীন সবজি চাষে আগ্রহী হচ্ছেন মেহেরপুরের গাংনীর চাষিরা। তাছাড়া ভরা মৌসূমে অনেকেই লোকসান গুনেন। তাই আগাম সবজি চাষে যেমন চাহিদা তেমন লোকসানের ভয় না থাকায় শীতকালীন আগাম সবজি চাষে ঝুকছেন চাষিরা। বিশেষ করে ফুলকপি ও বাঁধাকপি চাষ করে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন তারা। কৃষি বিভাগের দাবি, আগাম জাতের সবজি চাষ করে চাষিরা অল্প সময়ে লাখ লাখ টাকা আয় করছে। গাংনী উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ১০৪ হেক্টর জমিতে বাঁধাকপি ও ৩৩ হেক্টর জমিতে ফুলকপির আবাদ হয়েছে, যা এখন পর্যন্ত আগাম শীতকালিন কপির আবাদ সর্বোচ্চ। এতে কৃষকরা যেমন আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন, তেমনি কৃষি ক্ষেত্রেও ঘটছে উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা। আগাম জাতের ফুলকপি ও বাঁধাকপিগুলো দেখতেও বেশ চমৎকার এবং খেতে সুস্বাদু। আগাম হওয়ায় বাজারে এর চাহিদাও বেশি। পাশাপাশি খুব বেশি কৃষক এ আবাদ না করায় ভালো দামে ব্যবসায়ীরা ক্রয় করেন। আবার অনেকে নিজেরাই স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন মোকামে ভালো দামে রপ্তানি করছেন। চাষিদের সাথে আলাপকালে জানা গেছে, আগাম শীতকালিন ফুলকপি উৎপাদনে খরচ হয়েছে বিঘা প্রতি ২০-২৫ হাজার টাকা। আর ক্ষেত থেকেই ৭০ হাজার থেকে ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অল্প সময়ে স্বল্প খরচে মোটা টাকা লাভের মুখ দেখেছেন কৃষকরা। তবে অতিরিক্ত বর্ষা হলে ক্ষতির সম্মুখীন হন কৃষকরা। চলতি বছরে যেহেতু বর্ষা মৌসুমে বর্ষা কম হয়েছে, তাই রোগবালাই কম হওয়ার পাশাপাশি পচার হাত থেকেও বেঁচে গেছে ক্ষেত। গাংনী উপজেলার সাহারবাটি গ্রামের চাষি শহিদুল ইসলাম জানান, আগাম সবজি বৈশাখ মাস থেকে শুরু হয়ে শীত আসলে শেষ হয়ে যায়। বাধাকপি ও ফুলকপিতে বিঘাপ্রতি ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা খরচ হয়। সার, কৃটনাশকসহ বিভিন্ন পরিচর্যায় খরচ থাকলেও সবচেয়ে বেশি খরচ হয় কীটনাশকে। কিন্তু খুব অল্প সময়ে ৭০ হাজার টাকা থেকে শুরু হয়ে এক লাখ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত চলতি বছরে কপি বিক্রি হচ্ছে। গাংনী উপজেলার গাড়াডোব গ্রামের আগাম বাধাকপি চাষি আলি হোসেন জানান, চলতি বছরে ১০কাঠা জমিতে আগাম জাতের বাধাকপি চাষ করেছিলেন। ১০-১২ হাজার টাকা খরচ হলেও ক্ষেত থেকেই ৩৩ হাজার টাকায় কপি বিক্রি করেছেন।

তিন মাসও লাগে না এতে আমার লাভ ভালো হয়। সাহারবাটি গ্রামের সবজি ব্যবসায়ী আলমগীর মিয়া জানান, আগাম শীতকালিন সবজিচাষিদের কাছ থেকে ঠিকা হিসেবে ক্রয় করেন। ক্ষেত থেকেই সবজি পুষ্ট না হতেই ক্রয় করেন। ফুলকপি বিঘা প্রতি ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা ও বাধাকপি ৮০ হাজার থেকে এক লক্ষ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্রয় করেন। এবছরে এখন পর্যন্ত ৬০ বিঘা জমির বাধাকপি ও ফুলকপি ঢাকাসহ বিভিন্ন মোকামে বিক্রি করেছেন। আরো মাস খানেক ধরে বিক্রি করবেন বলেও আশা করছেন তিনি। শীত মৌসুম চেয়ে আগাম শীতকালিনের চাহিদা বেশি। ধলা গ্রামের স্বপন মিয়া জানান, তিনি সবজি চাষ ও ব্যবসা করেন। স্থানীয় ফরিয়া হিসেবে বিভিন্ন চাষিদের জমি থেকে বাধাকপি ও ফুলকপি ক্রয় করেন। আগাম শীতকালিন ফুলকপি ও বাধাকপিতে তুলনা মূলক অন্যান্য সময়ের চেয়ে বেশি লাভ হয়। আগাম ফুল কপি ও বাধা কপি চাষে কৃষকরা যেমন লাভবান হচ্ছে তেমনি বাজারে চাহিদা থাকায় ব্যবসায়িরাও বেশ লাভবান হচ্ছেন। মেহেরপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শংকর কুমার জানান, মেহেরপুর জেলায় বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ হয়ে থাকে। তন্মধ্যে বাধাকপি ও ফুলকপি চাষ হয় বেশি। চাষিরা বছরে তিন চারবার সবজি উৎপাদন করে এবং দেশের বিভিন্ন এলাকায় আমাদের জেলায় উৎপাদিত সবজি রপ্তানি করে চাষিরা লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করে। আগাম শীতকালিন সবজি একটি ভালো লাভজনক ফসল এতে চাষিরাও লাভবান হচ্ছে, দেশও লাভবান হচ্ছে। কৃষি বিভাগ চাষিদেরকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করছেন সবজি আবাদে।


আরও খবর



আক্কেলপুরে মুক্তিযোদ্ধা গেজেট বাতিল চেয়ে সংবাদ সম্মেলন ও প্রতিবাদ সমাবেশ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৬৫জন দেখেছেন

Image

নিশাত আনজুমান, আক্কেলপুর(জয়পুরহাট) প্রতিনিধি:জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে রায়কালী ইউনিয়নের আমির উদ্দীনকে অ-মুক্তিযোদ্ধা দাবী করে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল কর্তৃক তাকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেট প্রদানের প্রতিবাদে ও গেজেট বাতিল চেয়ে সংবাদ সম্মেলন ও প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছে। সোমবার বেলা ১১ টায় রায়কালী ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের  আয়োজনে এই সংবাদ সম্মেলন হয়েছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জয়পুরহাট জেলা ইউনিট কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা আমজাদ হোসেন, উপজেলা বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা নবীবুর রহমান, রেলওয়ে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ইউনিট কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বারি, রায়কালী ইউনিয়ন কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা শামছুল আজম, যুদ্ধকালীন কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা আজাদ আশাদুজ্জামান সহ আরো অনেক বীরমুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা। এসময় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন রায়কালী ইউনিয়ন কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা শামছুল আজম।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমির উদ্দীনের বিরুদ্ধে ২০১৭ সালে উপজেলা যাচাই-বাছাই কমিটির নিকট আমরা একটি অভিযোগ করি, সেই কমিটিতে আমির উদ্দীন কোন স্বাক্ষী ও কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। সেই সময় তাকে বাতিল বলে গণ্য করা হয়। পরবর্তীতে সে যোগসাযোজ করে জা,মু,কা (জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল) থেকে গেজেট পাশ করে নিয়ে আসে। তার গেজেট বাতিলের জন্য আমরা জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের মহাপরিচালক বরাবর ও আক্কেলপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিতও দিয়েছিলাম। আসলে সে কোন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা নয়, তিনি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বা ভারতে কোন ক্যাম্পেই ভর্তি হননি। আমরা রায়কালী ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সকলেই চাই অবিলম্বে তার এই গেজেটটি বাতিল করা হোক।  

সংবাদ সম্মেলন শেষে বীর মুক্তিযোদ্ধারা রায়কালী ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের  সামনে আমির উদ্দীনের গেজেট বাতিলের জন্য স্লোগান দিয়ে মানববন্ধন ও র‌্যালি করেছেন।
উপজেলার বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা নবীবুর রহমান বলেন, তিনি কোন যুদ্ধেই অংশগ্রহণ করেননি। তিনি অপচেষ্টার মাধ্যমে গেজেটে নাম ঢুকিয়েছেন। আমারা তার গেজেট বাতিল চাই। 

অভিযুক্ত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আমির উদ্দীন উপজেলার রায়কালী ইউনিয়নের চিয়ারিগ্রামের বাসিন্দা এবং ওই ইউনিয়নের ইউপি সদস্য।অভিযুক্ত আমির উদ্দীন বলেন, ১৯৭১ সালে ১৫ সেপ্টেম্বর ভারতের ত্রিমুনী ক্যাম্পে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য ভর্তি হই এবং আমার রেজি নং: ৪১৬। সেখোন থেকে এসে আমি চিয়ারিগ্রাম, গুডুম্বা, ঢেকুঞ্চা মাঠে হানাদার বাহিনীর সাথে মুখোমুখী যুদ্ধ করি। সেই যুদ্ধ দুপচাঁচিয়া গিয়ে শেষ হয়। আমার বিরুদ্ধে করা অভিযোগ সত্য নয়। আমার কাছে এক মুক্তিযোদ্ধা ৫ লক্ষ টাকা দাবী করেছিল, সেই টাকা না দেওয়ায় তারা একত্রিত হয়ে আমার বিরুদ্ধে আভিযোগ করছে।

আরও খবর



সড়কে চাপ আছে, কিন্তু রাস্তার কোনো যানজট নেই: ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৮৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন এবারের ঈদযাত্রা স্বস্তিকর হয়েছে , সড়কে চাপ আছে কিন্তু রাস্তার কোনো যানজট হচ্ছে না। শুক্রবার (১৪ জুন) ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ঈদযাত্রা স্বস্তিকর হয়েছে। গত কয়েকবছর ধরেই মানুষ স্বস্তি পাচ্ছে। এবার আমরা আরও মনোযোগী হচ্ছি দুর্ঘটনা কমাতে। সড়কে চাপ আছে, কিন্তু যানজট নেই। সড়কে চাপ থাকবেই। রাস্তার জন্য কোনো যানজট হচ্ছে না। সর্বকালের সবচেয়ে ভালো সড়ক এখন। পশুর হাট, গাড়ি রাস্তায় চাপ সৃষ্টি করে।

কোরবানি ঈদের সময় পশুর হাট চাপ সৃষ্টি করে । পশুবাহী গাড়ি, যত্রতত্র পশুর হাট যেন রাস্তায় দূর্ভোগ সৃষ্টি করতে না পারে সেদিকে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন ওয়ায়দুল কাদের। তিনি বলেন, বৃষ্টি হলে দুর্ভোগ এড়ানো কঠিন।

বাজেট বাস্তবতা ভারসাম্যমূলক বাজেট উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী বলেন, আজকে আমাদের দেশে বাজেট সেশন চলছে। এই বাজেট নিয়ে আলোচনা আছে, সমালোচনা আছে। পৃথিবীর অন্যান্য দেশেও বাজেট আছে। এই বছর ৬৪ দেশে নির্বাচন হওয়ার কথা। আমাদের নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতেও নির্বাচন শেষ হয়েছে।

সেতুমন্ত্রী আরও বলেন, বাজেট নিয়ে আলোচনা, সমালোচনা আছে, মূল্যস্ফীতি নিয়ে সরকারে উদ্বেগ আছে। কিন্তু সরকার কোন কিছুই গোপন করছে না। মূল্যস্ফীতি নিয়ে ইউরোপও ভুগছে। তাদের মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশ। আশপাশের দেশগুলোতেও মূল্যস্ফীতি অনেক বেশি। দ্রব্যমূল্য নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন হই কিন্তু অন্যদেশের গুলোও দেখা দরকার।

কাদের বলেন, আমাদের ভোটার টার্নআউট নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। ইউরোপীয় পার্লামেন্ট নির্বাচনে ভোটার টার্নআউট অনেক কম। বিরোধী দলের ভোট বর্জনের পরও বাংলাদেশে ভোটার উপস্থিতি ৪২ শতাংশ হয়েছে। এটা কম নয়।

কাদের বলেন, আওয়ামী লীগে ভুল ত্রুটি আছে। কিন্তু ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ। দূর্নীতিবাজ কারো বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সাহস দেখায়নি বিএনপি। আওয়ামী লীগের সময় ঝিনাদহের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিমের হত্যার সাথে জড়িত সন্দেহে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদককেও রিম্যান্ডে আনা হয়েছে। অভিযুক্ত হলে ছাড় দেওয়া হবে না। কারণ, দুদক, বিচার বিভাগ স্বাধীন।

এসময় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, আফজাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ প্রমুখ।


আরও খবর



কাঠের সেতুতে স্কুলগামী ছাত্র-ছাত্রীসহ এলাকাবাসীর স্বস্তি

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৯৫জন দেখেছেন

Image

রিয়াদ হোসাইন,গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:পটুয়াখালীর গলাচিপায় কাঠের সেতুতে স্কুলগামী ছাত্রছাত্রীসহ এলাকাবাসীর স্বস্তি। গলাচিপা উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের কলাগাছিয়া গ্রাম আর সদর উপজেলার কমলাপুর ইউনিয়নের চর মইশাদি গ্রামে হাজারো মানুষের বাস। এসব মানুষের আত্মিক বন্ধন শত বছরের। কিন্তু দুই গ্রামের মাঝ দিয়ে উত্তর দক্ষিণে প্রবাহিত হচ্ছে ১৫০ মিটার প্রশস্ত নদী। যা পারাপারের একমাত্র উপায় ছিলো নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো কিংবা ডিঙ্গি নৌকা। যা ছিলো ঝুঁকিপূর্ণ। এখানে সেতু নির্মাণের জন্য সরকারি দপ্তরে একাধিক আবেদনেও সাড়া মেলেনি। অবশেষে উপজেলা প্রশাসনের পরামর্শ ও পৃষ্ঠপোষকতায় এবং স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় ১৫০ মিটার দীর্ঘ একটি কাঠের সেতু নির্মিত হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, গলাচিপা উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের কলাগাছিয়া গ্রাম ও সদর উপজেলার কমলাপুর ইউনিয়নের চর মইশাদি গ্রামের মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে ধরান্দি খাল। খালের পূর্ব পাড়ে দুইটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলাগাছিয়া  ইউনিয়ন পরিষদ, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্র, একিিট দাখিল মাদ্রাসা, একিিট কলেজ রয়েছে। খালের পশ্চিম পাড়ের শত শত শিক্ষার্থী ও মানুষকে প্রতিদিন এই খাল পার হতে হতো। ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো কিংবা ডিঙ্গি নৌকা ছিলো একান্ত সম্বল। এছাড়া বর্ষা মৌসুমে প্রায় ৩ মাইল ঘুরে আসতে হতো। খরচ হতো কমপক্ষে ৫০ টাকা।

দুই গ্রামের মানুষের যোগাযোগ সহজ করতে এলাকাবাসী ধরান্দি খালের ওপর প্রথম একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেন। দীর্ঘদিন ধরে গ্রামবাসী মিলেই মেরামত করে সাঁকোটির ওপর দিয়ে চলাচলের উপযোগী করে রাখছিলেন। বিশেষ করে নারী ও বয়স্কদের এই নড়বড়ে সাঁকো পার হওয়া বেশ কষ্টকর ছিল। কালক্রমে এটাও বিলীন হয়ে যায়।

কয়েক মাস আগে নড়বড়ে সাঁকোটি খালে হেলে পড়ে গেলে চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নজরে আনলে তিনি একটি কাঠের সেতু স্থাপনের পরামর্শ দেন এবং কিছু অর্থ বরাদ্দ দেন। ইউপি চেয়ারম্যান প্রায় দুই মাস চেষ্টা করে ৩০০ ফুট দীর্ঘ এবং ৪ ফুট প্রস্থের একটি কাঠের সেতু নির্মাণ করে ফেলেন।

সরেজমিন দেখা গেছে, গাছের গুঁড়ি পুঁতে তার ওপরে কাঠের পাটাতন বিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেতুর রেলিং দেওয়া হয়েছে কাঠ দিয়ে। সেতুর মাঝখানে করা হয়েছে সুদৃশ্য নৌকার প্রতিকৃতি। উদ্বোধন উপলক্ষে সাজানো হয়েছে বেলুন ও ফেস্টুন দিয়ে।

অবশেষে সেই দুর্ভোগ লাঘব হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ জুন) নির্মিত সেতুটি জনসাধারণের চলাচলের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। লাল ফিতা কেটে সেতুটির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মহিউদ্দিন আল হেলাল। সে সময় থেকেই সেতু দিয়ে লোকজনের চলাচল শুরু হয়।

তাদের মধ্যে বই-খাতা নিয়ে সেতু পার হচ্ছিলেন চর মইশাদি গ্রামের সিনথিয়া। সে কলাগাছিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সিনথিয়া বলেন, ‘আগে তিন কিলোমিটার ঘুরে স্কুলে যেতাম। এখন এই সেতু হওয়ায় মাত্র ১৫ মিনিটে কলেজে যেতে পারবো। আমাদের কষ্ট দূর হয়েছে।’

কলাগাছিয়া বাজারের মুদি ব্যবসায়ী ইব্রাহিম বলেন, ‘নতুন কাঠের সেতু হওয়ার কারণে আমরা সবচেয়ে বেশি উপকৃত। এই সেতু না থাকলে আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।’

কলাগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাঈনুল শিকদার বলেন, ‘উপজেলা নির্বাহী অফিসারের পরামর্শ ও তত্ত্বাবধানে এই কাঠের সেতু নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় চার লাখ টাকা। এছাড়া স্বেচ্ছা শ্রম ও গাছের মাধ্যমে সহায়তা করেছেন এলাকাবাসী। দুই মাস সময় লেগেছে সেতুটি নির্মাণে।’

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মহিউদ্দিন আল হেলাল বলেন, ‘এ খাল পারাপার ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। এই দুর্ভোগ লাঘবে উপজেলা প্রশাসন ও ইউনিয়ন পরিষদ কাজ করেছে। আশা করছি, ওখানে স্থায়ী সেতুও নির্মাণ করা হবে। সে বিষয়ে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রীর এপিএস হাফিজুর ও ডিপিএস তুষারের নিয়োগ বাতিল

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১২৮জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:বুধবার (২৯ মে) প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস-২) গাজী হাফিজুর রহমান এবং উপ-প্রেস সচিব (ডিপিএস) হাসান জাহিদ তুষারের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। তাদের নিয়োগ বাতিল করে আজ (২৯ মে) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সম্পাদিত চুক্তিপত্রের অনুচ্ছেদ-৮ অনুযায়ী হাসান জাহিদ তুষারের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ ১ জুন থেকে বাতিল করা হলো। সর্বশেষ গত ২৮ জানুয়ারি তুষারকে ফের প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব (ডিপিএস) পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর প্রায় চার মাস পর তার নিয়োগ বাতিল হলো। এর আগেও তিনি উপ-প্রেস সচিব নিয়োগ দায়িত্ব পালন করেন।

পৃথক আরেকটি প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গাজী হাফিজুর রহমানের সাথে সরকারের সম্পাদিত চুক্তিপত্রের অনুচ্ছেদ-৮ অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-২ পদে তার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ ১ জুন থেকে বাতিল করা হলো।

গাজী হাফিজুর রহমান ২০০৮ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অ্যাসাইনমেন্ট অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ২০১৯ সালে তিনি প্রধানমন্ত্রীর এপিএস-২ নিয়োগ পান। হাফিজুর রহমান ছাত্রজীবনে গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ভিপি ছিলেন। পরবর্তীতে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সহ-সম্পাদক ছিলেন।

অপরদিকে মাগুরা জেলায় জন্মগ্রহণকারী হাসান সাংবাদিক হাসান জাহিদ তুষার গত সরকারের সময়েই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপ-প্রেস সচিব নিয়োগ পান। এর আগে তিনি একটি ইংরেজি দৈনিকে কর্মরত ছিলেন।


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহারের চাল পেলো ৩ হাজার ৮১ টি পরিবার

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৫৩জন দেখেছেন

Image

মাসুদুল হক রুবেল,হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:আসছে ১৭ জুন মুসলিম সম্প্রদায়ের বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দিনাজপুরের হিলি হাকিমপুরে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার ৩ হাজার ৮১ পরিবারের দরিদ্র,অসহায় ও দুস্থদের মাঝে (ভিজিএফ) এর ১০ কেজি চাল বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার (১২ জুন )সকাল ৯ টায় উৎসব মুখর পরিবেশে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ভিজিএফ কর্মসূচীর আওতায় পৌরসভা চত্বরে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন পৌর মেয়র জামিল হোসেন চলন্ত। এসময় সেখানে প্যানেল মেয়র মিনহাজুল ইসলাম লিটনসহ ৯ টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলরা উপস্থিত ছিলেন।

উপহারের চাল নিতে আসা পৌরসভার মাঠপাড়া এলাকার জোৎসানা বেগম বলেন,আর মাত্র কয়েক দিন পরেই পবিত্র ঈদুল আজহা। ঈদের আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহারের ১০ কেজি চাল পেয়ে খুব খুশি। আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও এমপি শিবলী সাদিক এর জন্য দোয়া করি। আল্লাহ যেন তাদের দীর্ঘয়ু দান করেন। 

হাকিমপুর পৌর মেয়র জামিল হোসেন চলন্ত বলেন,বর্তমান সরকার গরীব অসহায় দুস্থদের সরকার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে যতো দিন থাকবে দেশ, পথ হারাবে না বাংলাদেশ। ঈদুল আজহা উপলক্ষে সবাই যেন এক সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে পারে সে কারণে ঈদের আগেই দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রাণালয়ের মাধ্যমে মানবিক সহায়তা কর্মসূচীর আওতায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার হিসেবে বিনামূল্যে ভিজিএফ এর চাল বিতরণ করা হয়েছে।  পৌরসভার ৯ টি ওয়ার্ডে ৩০৮১ জনকে ১০ কেজি করে চাল প্রদান করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহারের চাল পেয়ে খুশি এলাকার নিন্ম আয়ের মানুষ। তারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্থানীয় সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক এর দোয়া ও দীর্ঘয়ু কামনা করেছেন।


আরও খবর