Logo
আজঃ Wednesday ০৫ October ২০২২
শিরোনাম

৩ মাস পর বড়পুকুরিয়ায় কয়লা উৎপাদন শুরু

প্রকাশিত:Wednesday ২৭ July ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ০৫ October ২০২২ | ১১৪জন দেখেছেন
Image

প্রায় তিনমাস বন্ধের পর দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনিতে পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। আগামী চার থেকে পাঁচদিনের মধ্যেই এই খনি পূর্ণাঙ্গ উৎপাদনে যাবে এবং প্রতিদিন ২৭০০ থেকে ৩০০০ মেট্রিক টন কয়লা উত্তোলন হবে।

বুধবার (২৭ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টায় খনির নতুন ফেজ থেকে পরীক্ষামূলকভাবে কয়লা উত্তোলন শুরু করে কর্তৃপক্ষ।

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান নাজমুল হাসান ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এই কয়লা উত্তোলনের কাজ উদ্বোধন করেন। এতে দুই মাস ২৮ দিন পর এই কয়লাখনিতে উৎপাদন শুরু হলো।

এর আগে গত ৩০ এপ্রিল খনির ১৩১০ নং ফেজের মজুত শেষ হওয়ায় সেটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করলে কয়লা উত্তোলন বন্ধ হয়ে যায়। পরে পরিত্যক্ত ফেজের ব্যবহারযোগ্য যন্ত্রপাতি স্থানান্তর ও নতুন প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি বসিয়ে ১৩০৬ নং ফেজ থেকে কয়লা উত্তোলন করার প্রক্রিয়া শুরু করে কর্তৃপক্ষ। ওই সময়ে বলা হয়েছিল, নতুন ফেজ রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়ন করে কয়লা উত্তোলনে সময় লাগবে আড়াই মাস। সে হিসাব অনুযায়ী আগস্টের মাঝামাঝি কয়লা উত্তোলনের সময়ও নির্ধারণ করে কর্তৃপক্ষ।

বুধবার পরীক্ষামূলকভাবে কয়লা উত্তোলনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফুল ইসলাম সরকার। তিনি বলেন, আমাদের আগস্টের মাঝামাঝি উৎপাদন শুরু করার পরিকল্পনা ছিল। এতে করে দেশের একমাত্র কয়লাভিত্তিক বড়পুকুরিয়া ৫২৫ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি কয়লার অভাবে উৎপাদন বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। সে কারণে জাতীয় সংকট মোকাবিলায় জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা এবং পেট্রোবাংলা চেয়ারম্যানের নির্দেশ ছিল, যে কোনোভাবে দ্রুত কয়লা উত্তোলন করতে হবে। সেই নির্দেশনা মোতাবেক চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় শ্রমিকদের দিয়ে এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চেষ্টায় দ্রুত নতুন ফেজের উন্নয়ন কাজ শেষ করার পর সকাল সাড়ে ৯টায় উত্তোলন শুরু করা হয়। এতে করে দেশের একমাত্র কয়লাভিত্তিক বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রেটি বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা এড়ানো গেলো। তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বন্ধ হলে উত্তরাঞ্চলের মানুষ চরম লোডশেডিংয়ে পড়তো।

তিনি বলেন, বর্তমানে পরীক্ষামূলকভাবে কয়লা উত্তোলন শুরু হলো। ভূগর্ভের ভেতরে যন্ত্রপাতি বসিয়ে ট্রায়াল দেওয়া হচ্ছে। উৎপাদন শুরু করার পর বেশ কিছু রক্ষণাবেক্ষণের কাজ আছে। আগামী চার/পাঁচদিন সময় লাগবে পুরোপুরি উৎপাদনের জন্য। আস্তে আস্তে উৎপাদন বাড়বে। আশা করা হচ্ছে, এখান থেকে প্রতিদিন ২৭০০ থেকে ৩০০০ মেট্রিক টন কয়লা উত্তোলন করা যাবে। বর্তমানে সংক্ষিপ্ত আকারে উত্তোলন হচ্ছে। এই ফেজে কয়লা মজুত আছে ৪ লাখ টন। আর বর্তমানে উত্তোলন করা কয়লার মজুত আছে ৪০ হাজার টন।


আরও খবর