Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম
নিলয় কোটা আন্দোলনকারীদের পক্ষ নিয়ে কী বললেন স্থগিত ১৮ জুলাইয়ের এইচএসসি পরীক্ষা দেশের সব স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা তিতাসের অভিযানে নারায়ণগঞ্জের ২ শিল্প কারখানার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন হিলি দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি বাড়ায় বন্দরের পাইকারী বাজারে কেজিতে দাম কমেছে ৩০ টাকা জয়পুরহাটে ডাকাতির পর প্রতুল হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন রিয়েলমি সার্ভিস ডে: ফোন রিপেয়ারে খরচ বাঁচান ৬০% পর্যন্ত, উপভোগ করুন ফ্রি সার্ভিস সুনামগঞ্জে ইয়াবাসহ ২জন গ্রেফতার: কোটিপতি সোর্স ও গডফাদার অধরা কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ৩ দিনে ৩ খুন, আইনশৃংখলার অবনতি জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

২০ বছরের দ্বন্দ্ব ভুলে আবারও কাছাকাছি ইমরান-মল্লিকা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১০৬জন দেখেছেন

Image

বিনোদন প্রতিবেদক:সিরিয়াল কিসার নামের তকমা ঝেড়ে ফেলার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু চাইলেই তো আর সবকিছু মুছে ফেলা যায় না। এই যেমন ‘মার্ডার’ সিনেমায় মল্লিকা শেরওয়াতের সঙ্গে তার চুম্বন দৃশ্যটি আজও চর্চিত হয়।

তবে ভারতীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইমরান জানিয়েছিলেন, মল্লিকা ভালো কিসার নন। এ কথা শুনে খেপে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী। তিনিও জানিয়েছিলেন, ইমরানকে চুমু খাওয়ার চেয়ে সাপকে চুমু খাওয়া ভালো। এরপর থেকেই তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়।

কয়েক মাস আগে এক বিয়ের অনুষ্ঠানে দেখা হয় তাদের। এর মধ্য দিয়ে তাদের ২০ বছরের দূরত্বের অবসান হয়। সম্প্রদি গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে এ প্রসঙ্গে মুখ খোলেন ইমরান। সব ভুলে পুনরায় মল্লিকার সঙ্গে অভিনয় করার আগ্রহ প্রকাশ করলেন ইমরান হাশমি। তিনি বলেন— (আমাদের দুজনের সাক্ষাৎ খুবই উষ্ণ এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ ছিল। আমি তাকে অনেক দিন পর দেখেছি। আমার মনে হয় মার্ডার মুক্তির পর তার সঙ্গে মাত্র কয়েকবার দেখা হয়েছে। এরপরই তো আসলে আমাদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি আক্রমণ শুরু হয়ে যায়। আমাদের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়।)

হাশমি অতীত হাতড়ে নিজেদের ভুল শুধরে বলেন- আমরা তখন তরুণ এবং মূর্খ ছিলাম। জীবনে এমন একটি পর্যায় আসে যখন আপনার সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা এত সীমিত এবং খুব আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন, যা অনেক পরে টের পাওয়া যায়। তখন কিছু কথা মল্লিকা বলেছিল, কিছু আমি। সেগুলো আসলে খারাপ ছিল। আমি মনে করি, এটি এখন অতীত। আমরা এটিকে অনেক আগেই একপাশে ফেলে দিয়েছিলাম। প্রায় দুই দশক পর তাকে সামনাসামনি দেখে খুব ভালো লেগেছিল।)

এর আগে ২০২১ সালে হাশমির সঙ্গে বিবাদ সম্পর্কে ‘দ্য লাভ লাফ লাইভ’ শোতে কথা বলেছিলেন মল্লিকা। মন্দিরা বেদীর শোতে তিনি তাকে চমৎকার পুরুষ বলে প্রশংসা করেছিলেন। সেই সঙ্গে তাদের দ্বন্দ্ব বা লড়াইকে ‘শিশুসুলভ’ বলে অভিহিত করেছিলেন।


আরও খবর



মধুপুরের আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় অতন্দ্র প্রহরী ফারহানা আফরোজ জেমি

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | ১৩১জন দেখেছেন

Image

বাবুল রানা মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃটাঙ্গাইল জেলায় সার্কেল পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে ১৩ মাসে ১১বার শ্রেষ্ঠত্বের গৌরব অর্জনকারী সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (আইজিপি পদক প্রাপ্ত) নারী পুলিশ কর্মকর্তা ফারহানা আফরোজ জেমি। তিনি টাঙ্গাইলের মধুপুর সার্কেলাধীন মধুপুর ও ধনবাড়ী থানায় বিগত ১৩ মাস যাবত দায়িত্ব পালন কালে এমন অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জনের অধিকারী হয়েছেন। পুলিশ প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্ম বিশ্লেষণে তিনি এমন গৌরবের কৃতিত্ব ও সাফল্য অর্জন করেছেন।

তার এই অর্জনের পিছনে রয়েছে অক্লান্ত পরিশ্রম, মেধা ও বিচারিক বুদ্ধিমত্তা। তিনি প্রতিনিয়ত থানা ও বিভিন্ন পুলিশ ফাঁড়ি আকস্মিক পরিদর্শন করার মাধ্যমে পুলিশ  অফিসার ও ফোর্সদের নিষ্ঠার সাথে  দায়িত্ব পালনে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে থাকেন।তিনি সকল অফিসার ও ফোর্সদের রোলকল গ্রহণের মাধ্যমে ফাঁড়ি এলাকায় রাত্রিকালীন টহল ডিউটি, ওয়ারেন্ট তামিল,গান চেকিং এবং ফাঁড়ি এলাকার আইন-শৃংখলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশনা দিয়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। 

তার এই দিকনির্দেশনার কারণে মধুপুর ও ধনবাড়ি উপজেলার আইন শৃঙ্খলার ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। উপজেলার যেকোনো প্রান্ত থেকে  কোনো অভিযোগ এলে তিনি  কালক্ষেপণ না করে তার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে সাথে সাথে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হওয়ার অনেক নজির তিনি সৃষ্টি করেছেন। যে কারণে অতি অল্প সময়ের মধ্যে মানুষের মনে একজন আস্থাভাজন পুলিশ অফিসার হিসেবে তিনি জায়গা করে নিয়েছেন । সব শ্রেণী পেশার মানুষ তার কাছে গিয়ে সরাসরি সমস্যার কথা বলতে পারেন এবং সুষ্ঠু সমাধানও পেয়ে থাকেন।

তার সততা, নিষ্ঠা ও ভালোবাসার কারণে অনেক অসহায় হতদরিদ্র পরিবার ন্যায় বিচার পাওয়ার আশায় তার শরণাপন্ন হন। তিনি নিজ উদ্যোগে অনেক অসহায় বাদি-বিবাদি পরিবারকে মামলার হয়রানি থেকে ফিরিয়ে এনে সুষ্ঠু সমাধানের মাধ্যমে আপোষ মিমাংসা করে দিয়ে মামলার জটলা অনেকাংশে কমিয়ে এনেছেন। বর্তমানে সময়ে আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় বীরদর্পে এগিয়ে যাওয়া  জেলায় সার্কেল পুলিশ অফিসার হিসেবে ১৩ মাসে ১১বার শ্রেষ্ঠত্বের গৌরব অর্জনকারী সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (আইজিপি পদক প্রাপ্ত) নারী পুলিশ কর্মকর্তা ফারহানা আফরোজ জেমি মধুপুর ও ধনবাড়ি মানুষের অন্তরে স্থান পাওয়া একজন অতন্দ্র প্রহরীর নাম। 

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীনের সহায়তা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৩৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:রোহিঙ্গা সংকট দ্রুত সমাধানে চীনের সহায়তা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সমাধানের অনিশ্চয়তার কারণে বাংলাদেশ এখন রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে খুবই চিন্তিত। কারণ, এরই মধ্যে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের বাংলাদেশে আসার ছয় বছর পার হয়ে গেছে।

সোমবার (২৪ জুন) চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ জিয়ানচাও প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় সংসদ ভবন কার্যালয়ে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সময় তিনি এই সহায়তা কামনা করেন।

সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ের সময় প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব মো. নাঈমুল ইসলাম খান শেখ হাসিনাকে উদ্ধৃত করে বলেন, এটা (রোহিঙ্গা সংকট) আমাদের জন্য খুবই হতাশা ও উদ্বেগজনক।

প্রধানমন্ত্রী চীনের মন্ত্রীকে বলেন, এটি রোহিঙ্গা সংকটের সৌহার্দ্যপূর্ণ সমাধানের জন্য আমার (প্রধানমন্ত্রীর) পক্ষ থেকে চীনের প্রেসিডেন্টকে পৌঁছে দেওয়ার জন্য একটি বিশেষ বার্তা। তিনি (প্রধানমন্ত্রী) চীনের মন্ত্রীকে তার নিজের পক্ষ থেকে এবং বাড়তি আগ্রহ নিয়ে কিছু করারও অনুরোধ করেন।

লিউ জিয়ানচাও বলেন, চীন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং রোহিঙ্গা ইস্যুতে কীভাবে পরিস্থিতির উন্নতি করা যায় তা খুঁজে বের করতে মিয়ানমারের সঙ্গে কাজ করছে।

রোহিঙ্গা ইস্যুটি জটিল এবং সেখানে অভ্যন্তরীণভাবে তা অব্যাহত রয়েছে উল্লেখ করে চীনা মন্ত্রী বলেন, এমনকি, মিয়ানমার সরকারেরও (এই ইস্যুটি সম্পর্কে) কোনো পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মতো অবস্থান নেই। সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে (সেখানে) গৃহযুদ্ধ পরিস্থিতি একটি জটিল ইস্যুতে পরিণত হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, চীন বুঝতে পেরেছে যে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের মানবিক উপায়ে সহায়তা করছে বলে তার দেশ অত্যন্ত প্রশংসা করে।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রবর্তিত এই পররাষ্ট্রনীতির প্রতি তার দেশ দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি বলেন, তাদের রাজনীতির মূলমন্ত্র হলো দেশের গণমানুষের উন্নয়ন ও মানোন্নয়নের পাশাপাশি জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা, ঘরবাড়ি, শিক্ষা ও ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি নিশ্চিত করা।

আগামী মাসে শেখ হাসিনার চীন সফর প্রসঙ্গে লিউ জিয়ানচাও বলেন, এতে দুই দেশের মধ্যে অসাধারণ বন্ধুত্ব আরও জোরদার হবে। এই সফর আমাদের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে।

বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়নে অভিভূত হয়েছেন উল্লেখ করে চীনের মন্ত্রী বলেন, তার দেশ বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক বাড়াতে আগ্রহী।

বিশ্বের অর্থনৈতিক অবস্থা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে চীনের অর্থনৈতিক অবস্থাও মন্থর।

তিনি উল্লেখ করেন যে গত বছর চীনের প্রবৃদ্ধি ছিল ৫.২ শতাংশ এবং চলমান অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে ৫.৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি বজায় রয়েছে। তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের আরও কাজ করতে হবে এবং বাংলাদেশকেও করতে হবে।

লিউ জিয়ানচাও বলেন, উন্নয়নের এক পর্যায়ে চীনের অর্থনীতি মন্থর ছিল, কিন্তু প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান সে সময়ে সে পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য এতটা উন্নত ছিল না। তিনি বলেন, ‘আমরা একটু বেশিই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। সে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা আমাদের পক্ষে কঠিন ছিল। কিন্তু সৌভাগ্যবশত বাংলাদেশ স্মার্ট প্রযুক্তি, এআই ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে সে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছে।

পার্টি টু পার্টি (চীনা কমিউনিস্ট পার্টি ও আওয়ামী লীগ) সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি আরো বলেন, এ অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা জন্য তা গুরুত্বপূর্ণ। চীনা মন্ত্রী অর্থনীতি, বিনিয়োগ ও পার্টি টু পার্টি সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেন।

অ্যাম্বাসেডর অ্যাট লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন ও মুখ্য সচিব এম তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া এসময় প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



দুমকিতে চেয়ারম্যান'র বিরুদ্ধে মিথ্যে মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ।

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১১৪জন দেখেছেন

Image

(পটুয়াখালী) প্রতিনিধি, রাসেল হোসেন নিরব

 পটুয়াখালীর দুমকিতে  ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মিথ্যে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ইউনিয়নবাসি।

বুধবার  বেলা সাড়ে ১০টায় উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়ন পরিষদ ও চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে  আঙ্গারিয়া ইউনিয়নবাসির ব্যানারে ৫শতাধিক নারী-পুরুষ  মানববন্ধন ও  বিক্ষোভ  কর্মসূচিতে অংশ নেন। বিক্ষোভপূর্ব সমাবেশে আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা ও উপজেলা যুবলীগের সহ সম্পাদক  সুজন জোমাদ্দার, জেদ্দা আওয়ামী লীগের সদস্য  সেলিম শিকদার, আঙ্গারিয়া ইউনিয়ন আলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবু জাফর জোমাদ্দার, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সোহেল শরীফসহ আওয়ামীলীগে অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের একাধিক নেতাকর্মীরা বক্তৃতা করেন। বক্তারা জেলেদের মাঝে সরকারি চাল বিতরণকে কেন্দ্র করে আঙ্গারিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান গোলাম মর্তুজা শুক্কুর'র বিরুদ্ধে মিথ্যে মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান পাশাপাশি একটি কুচক্রী মহল সামান্য একটা বিষয়কে চুনকালি মেখে নোংরা রাজনীতির পরিচয় দিচ্ছেন বলে বক্তারা বলেন। 

উল্লেখ্য, গত শনিবার (২৯ জুন) রাত সাড় ১০টার দিকে আঙ্গারিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ গোলাম মর্তুজার জলিশাস্থ গ্রামের বাড়ি থেকে জেলে ভিজিএফ'র ৩শ' ১৮বস্তা সরকারি চাল জব্দ করে স্থানীয় প্রশাসন। চাল জব্দের পরের দিন রবিবার রাতে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুর রহমান বাদি হয়ে অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ গোলাম মর্তুজার বিরুদ্ধে দুমকি থানায় ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫ (ক) ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন।  আর এ সুযোগে মর্তুজা বিরোধী রাজনৈতিক ও নির্বাচনী প্রতিপক্ষের অতিউৎসাহী কতিপয় লোকজনের  অংশগ্রহনে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন। এবিষয়ে মোবাইল ফোনে আঙ্গারিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ গোলাম মর্তুজা বলেন, প্রভাবশালী একটি চক্র তাঁকে সামাজিক ভাবে হেয় করতেই পরিকল্পিত ভাবে এগুলো করাচ্ছেন। ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯নং ওয়ার্ডের অসচ্ছল জেলেদের চাল নিতে অতিরিক্ত খরচ বাচাঁতে তিনি চালগুলো তার বাড়িতে এনে আগেও বিতরণ করেছেন এবং সে অনুযায়ী এবারও এনে ছিলেন। এখানে খারাপ কোন উদ্দেশ্য ছিলনা। দরিদ্র জেলেদের সুবিধা দিতে গিয়ে তিনি বিপাকে পড়েছেন। 


আরও খবর



নীলফামারী জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হলেন নজরুল ইসলাম মজুমদার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১২৩জন দেখেছেন

Image

নীলফামারী ,জলঢাকা,  (প্রতিনিধি):আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখায় শ্রেষ্ঠ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) স্বীকৃতি স্বরূপ সম্মাননা স্মারক পেয়েছেন, নীলফামারী জেলার জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম মজুমদার। 

সোমবার (২৪ জুন) দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে  মাসিক কল্যাণ সভায় জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোঃ গোলাম সবুর (পিপিএম) তার হাতে এ সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।

ওসি  নজরুল ইসলাম মজুমদার  বিভিন্ন কাজের ক্ষেত্রে সফলতার পরিচয় দিয়ে এ সম্মাননা স্মারক পেয়েছেন।

সভায় হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, মাদক উদ্ধার, ওয়ারেন্ট তামিল, সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার, পেশাদার অপরাধী গ্রেপ্তার, চোরাচালান, ভিকটিম উদ্ধার, সম্প্রতি উপজেলা নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাসহ সার্বিক মূল্যায়নে ওসি নজরুল ইসলাম মজুমদার জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

সম্মাননা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত  পুলিশ সুপারসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। 

ওসি নজরুল ইসলাম মজুমদার বলেন, পুরস্কারপ্রাপ্তি কাজের প্রতি অনুপ্রেরণা জোগায়। এই পুরস্কারপ্রাপ্তিতে ভালো কাজের প্রতি আমার দায়িত্ব  অনেকাংশে  বেড়ে গেছে। আমার এই অর্জন শুধু একার নয়, এটা থানার কর্মরত  সকলের অর্জন।

আমি কৃতজ্ঞতা জানায় সর্বপ্রথম এসপি স্যারকে। কারণ স্যারের সঠিক  দিক নির্দেশনা এবং ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাসহ আমার থানার  সকলেই সহযোগিতা পেয়েছি বিধায়, আমার এ অর্জন সম্ভব হয়েছে। 

জানা যায়,ওসি নজরুল ইসলাম মজুমদার গত মে মাসের ১২ তারিখে জেলার জলঢাকা থানায় যোগদান করেন। স্বল্প সময়ের মধ্যে কর্মদক্ষতা,নিষ্ঠার সাথে পুলিশের এ থানাকে জনগণের সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক রুপ  দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন ।  বিভিন্ন অপরাধ দমনে কাজ করার স্বীকৃতি স্বরুপ এ সফলতায় তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছে স্হানীয় আওয়ামিলীগ, বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনসহ  সর্বস্তরের জনসাধারণ। 


আরও খবর



কালিয়াকৈরে ১৫ কোটি টাকার জমি উদ্ধার

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১১৯জন দেখেছেন

Image

সাগর আহম্মেদ,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার ভুলোয়া রংপুরেরটেক এলাকায় রোববার দুপুরে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে বনবিভাগ। এ উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে বনবিভাগের প্রায় ১৫ কোটি টাকার জমি উদ্ধার করা হয়।

এলাকাবাসী ও উচ্ছেদ অভিযান সূত্রে জানা গেছে, কালিয়াকৈর উপজেলার ভুলোয়া এলাকায় চন্দ্রা বিট অফিসের আওতায় কতিপয় লোকজন বনবিভাগের প্রায় তিন একর জমি জবর দখল করে। পরে তারা সেখানে বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করে।স্থানীয় দালাল চক্র ও বনবিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজসে ওই জমি জবর-দখল করা হয়। এর বিনিমময়ে ওই অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী ও দালাল চক্র মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে এলে বার বার বনবিভাগের জবর দখল হওয়া জমি ছেড়ে দেওয়ার তাগিদ দেয়। কিন্তু জবর-দখল কারীরা বনবিভাগের দখলকৃত জমি ছেড়ে দিচ্ছিল না। ওমং জমি উদ্ধারে রোববার দুপুরে ওই এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে বনবিভাগ। কালিয়াকৈর রেঞ্জ কর্মকর্তা মনিরুল করিমের নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় উচ্ছেদ অভিযানে উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রা, মৌচাক, বোয়ালী, রগোনাথপুরসহ বিভিন্ন বিট অফিসের বিট কর্মকর্তা ও ষ্টাফ বৃন্ধ। অভিযান চালিয়ে ওই এলাকার ১৩টি অবৈধ স্থাপনা ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে প্রায় ১৫কোটি টাকার মুল্যের বনবিভাগের জমি উদ্ধার করা হয়েছে।

কালিয়াকৈর রেঞ্জ কর্মকর্তা মনিরুল করিম জানান, ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। যার আনুমানিক মুল্য প্রায় কোটি টাকা। এছাড়া অচিরেই অভিযান চালিয়ে পর্যায়ক্রমে পূর্বচান্দরা, মাটিকাটা রেইললাইনসহ আশাপাশে বনবিভাগের জমি জমি উদ্ধার করা হবে। তবে আমাদের এ উচ্ছেদ অভিযান চলমান থাকবে।


আরও খবর