Logo
আজঃ শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪
শিরোনাম

১৪ দলের শরিকদের আসন বণ্টনে যে সিদ্ধান্ত হলো

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৫ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ১৩১জন দেখেছেন

Image

বিশেষ প্রতিনিধি:দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৪ দলের শরিক দলগুলোর আসন বণ্টনের জন্য চার সদস্যের একটি টিম গঠন করা হয়েছে।

সোমবার (৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার পর গণভবনে বৈঠক শুরু হয়। প্রায় পৌনে ৪ ঘণ্টা বৈঠক শেষে রাত ১০টার দিকে ১৪ দলের নেতারা গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

বৈঠকে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও ১৪ দলীয় জোটের সমন্বয়ক আমির হোসেন আমু, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিমকে আসন বণ্টনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টায় ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে ব্রিফ করে এ প্রসঙ্গে বিস্তারিত জানাবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা জোটগতভাবে নির্বাচনে যাচ্ছি এই বিষয়টা চূড়ান্ত হয়েছে। আর আসনের বিষয়টি আমির হোসেন আমু ভাই আর ওবায়দুল কাদের বসে ঠিক করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এটা সবাই মেনেই বৈঠক শেষ করেছি।

বৈঠকে আমির হোসেন আমু ছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাতীয় পার্টির (জেপি) সভাপতি আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, গণতান্ত্রিক পার্টির সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেনসহ জোটের শরিক দলগুলোর শীর্ষ নেতারা।

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের শরিক দলগুলো আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিলেও দলীয়ভাবে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছে তারা। এবার জোটগতভাবে নির্বাচন হবে কিনা, সেই দোদুল্যমানতা থেকেই এমনটি করা হয়েছে।


আরও খবর



মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ২০০তম জন্মবার্ষিকী আজ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১১১জন দেখেছেন

Image
মারুফ সরকার, স্টাফ রিপোর্টার:বাংলা সাহিত্যের অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ২০০তম জন্মবার্ষিকী আজ ।উনবিংশ শতাব্দীর বিশিষ্ট বাঙালি কবি ও নাট্যকার তথা বাংলা সাহিত্যের নবজাগরণের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব ছিলেন  মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত। মহাকবি মাইকেল মদুসূদন দত্ত ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি কেশবপুর উপজেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামে বিখ্যাত দত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।তার পিতা রাজনারায়ণ দত্ত ছিলেন জমিদার।মা ছিলেন জাহ্নবী দেবী।মধুসূদনের প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হয় মা জাহ্নবী দেবীর কাছে। জাহ্নবী দেবীই তাকে রামায়ন,মহাভারত,পুরাণ প্রভৃতির সঙ্গে সুপরিচিতি করে তোলেন। তেরো বছর বয়সে মদুসূদন দত্ত কলকাতা যান এবং স্থানীয় একটি স্কুলে কিছুদিন পড়াশোনার পর তিনি সেসময়কার হিন্দু কলেজে (বর্তমানে প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়) ভর্তি হন।তিনি বাংলা, ফরাসি ও সংস্কৃত ভাষায় শিক্ষালাভ করেন।এরপর  তিনি কলকাতার বিশপস কলেজে অধ্যয়ন করেন।এখানে তিনি গ্রিক, ল্যাটিন ও সংস্কৃত ভাষা শেখেন।পরবর্তীতে আইনশাস্ত্রে পড়ার জন্য তিনি ইংল্যান্ড যান। 

মাইকেল মদুসূদন দত্ত বাংলা ভাষায় সনেট ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক ছিলেন।তিনি বাংলা সাহিত্যের পাশাপাশি ইংরেজি সাহিত্যেও অসামান্য অবদান রাখায় বিশ্ববাসী এ ধীমান কবিকে মনে রেখেছে কৃতজ্ঞচিত্তে।পাশ্চাত্যের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে ১৮৪৩ সালে খৃষ্টধর্মে দিক্ষিত হন এবং মাইকেল উপাধি গ্রহণ করেন।ইংরেজি সাহিত্যে তাঁর কীর্তির যথাযথ মূল্যায়ন না হওয়ায় তিনি মনক্ষুন্ন হয়ে পড়েন।ইংরেজি সাহিত্য থেকে দূরে সরে বাংলা ভাষায় সাহিত্য রচনায় মনোনিবেশ করেন।বাংলা সাহিত্যে মাইকেল মদুসূদন দত্তের কালজয়ী রচনাবলীর অন্যতম হলো মেঘনাদবধ কাব্য,দ্য ক্যাপটিভ লেডী,শর্মিষ্ঠা,ক্যাপটিভ লেডী,তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য, কৃষ্ণকুমারী, বুড়ো শালিকের ঘাঁড়ে রোঁ,পদ্মাবতী,ব্রজঙ্গনা কাব্য, বীরাঙ্গনা কাব্য,হেক্টরবধ,চতুর্দশপদী কবিতাবলী। 

মাইকেল মদুসূদন দত্ত ১৮৫৯ সালে রচনা করেন পৌরাণিক নাটক শমিষ্ঠা।১৮৬০ সালে রচনা করেন একেই বলে সভ্যতা, বুড়ো শালিকের ঘাঁড়ে রোঁ এবং পদ্মাবতী নাটক।পদ্মাবতী নাটকেই তিনি প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দ ব্যবহার করেন।এরপর ১৮৬১ সালে মেঘনাদ বধ মহাকাব্য, ব্রজঙ্গনা কাব্য, কৃষ্ণকুমারী নাটক, ১৮৬২ সালে পত্রাকাব্য বীরাঙ্গনা এবং ১৮৬৬ সালে চতুর্দশপদী কবিতাবলী রচনা করেন।  

এ মহাকবির জন্মের কারণেই সাগরদাঁড়ি ও কপোতাক্ষ নদ জগৎবিখ্যাত। কালের প্রবাহে কপোতাক্ষ নদের যৌবন বিলীন হলেও মাইকেলের কবিতার কপোতাক্ষ নদ যুগে যুগে বয়ে চলেছে।১৮৭৩ সালে ২৯ জুন কলকাতায় শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন এ মহাকবি।কলকাতায় তাকে সমাধিত করা হয়।

কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ তুহিন হোসেন বলেন, মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ২০০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কবির জন্মভিটা উপজেলার কপোতাক্ষ নদের পাড়ে সাগরদাঁড়িতে গত ১৯ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে নয়দিনব্যাপি মধুমেলা।হাজারো মধুভক্তের উপস্থিতিতে প্রতিদিন মুখরিত হচ্ছে মেলা প্রাঙ্গণ।মধুমঞ্চের আলোচনা সভা, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, প্যান্ডেলে সার্কাস, যাদু প্রদর্শনী, মৃতুকূপসহ প্রতিদিনের বিভিন্ন আকর্ষনীয় খেলাধুলা দর্শকদের নজর কাড়ছে।শিশুরা নগরদোলায় চড়ে খুব আনন্দ পাচ্ছে।মেলায় জনসমাগম বাড়াতে যশোর শহরসহ কেশবপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে প্রতি নিয়ত মধুমেলার প্রচার-প্রচারণা চলছে।
সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মুস্তাফিজুল ইসলাম মুক্ত বলেন,মেলা শুরুর দিন থেকে সাগরদাঁড়ি এলাকাসহ আশপাশের গ্রামে আত্মীয়-স্বজন এসে ‘মধুমেলা’ উপভোগ করছেন। এ মেলাকে কেন্দ্র করে অনেকেই মেয়ে-জামাই, বন্ধু-বান্ধবসহ আত্মীয়-স্বজনদের দাওয়াত দিয়েছেন।প্রতি বাড়িতে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। অন্যবারের তুলনায় এবারের মেলায় অনেক বেশি দর্শনার্থী ও মধুপ্রেমীদের সমাগম ঘটছে বলে তিনি জানান।

যশোর জেলা প্রশাসন ও কেশবপুর উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত মধুমঞ্চে প্রতিদিন মহাকবির স্মৃতিময় জীবনী নিয়ে আলোচনা সভায় দেশবরেণ্য খ্যাতিমান কবি সাহিত্যিকরা উপস্থিত থাকছেন।মধুমেলায় গ্রামীণ কুটির শিল্পপণ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের প্রায় ৪শ’ ষ্টল বসেছে।

আরও খবর



সাবেক ভিপি নুর হাইকোর্টে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৯৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বিচারকদের নিয়ে আপত্তিকর বক্তব্যের কারণে হাইকোর্টে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন।

বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক-আল-জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চে হাজির হয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করেন তিনি।

গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর বিচারকদের নিয়ে আপত্তিকর বক্তব্যের কারণে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হককে তলব করেন হাইকোর্ট। তাকে আদালতে হাজির হয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়। একইসঙ্গে তার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি করেন আদালত।

৭ ডিসেম্বর একটি জাতীয় দৈনিকে নুরুল হক নূরের বক্তব্য নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিজয়নগর পানির ট্যাংক মোড়ে এক সমাবেশে আদালতের বিচারকদের বিরুদ্ধে নুরুল হক নুর আপত্তিকর বক্তব্য দিয়েছেন। সেই প্রতিবেদনটি আদালতের নজরে আনা হয়।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাঈনুল হাসান ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল কালীপদ মৃধা বলেন, হাইকোর্ট নুরুল হক নুরের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল দিয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা জানাতে ১৭ জানুয়ারি তাকে আদালতে তলব করেছেন।


আরও খবর



সীমান্ত হত্যা বন্ধে সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতি দায়ী : ডা. ইরান

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৪২জন দেখেছেন

Image
মারুফ সরকার, স্টাফ রিপোর্টার:ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক বিজিবি সদস্য হত্যাকে বিছিন্ন ঘটনা উল্লেখ করায় তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেছেন, সীমান্তে বিএসএফ নির্বিচারে বাংলাদেশী নাগরিকদের হত্যা বন্ধে বাংলাদেশ সরকারের ভুমিকা রহস্যজনক। ভারত তোষন ও নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারনে সরকার প্রতিবাদ করতেও পারছে না। বাংলাদেশী নাগরিকদের হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায় বিচার করতে পারলে বিজিবি সদস্যকে প্রান দিতে হতো না। 

তিনি বলেন, সরকার ভারতীয় হাইকমিশনারকে তলব করে বিজিবি হত্যার প্রতিবাদ করতে ব্যর্থ হয়ে বরং পররাষ্টমন্ত্রীর পরিবর্তে নৌপ্রতিমন্ত্রীকে দিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাথে সাক্ষাত নতজানু পররাষ্ট্রনীতির নতুন দৃষ্টান্ত প্রতিষ্ঠা করেছে। ফেলানীকে হত্যা করে বিএসএফ কাটাঁতারে ঝুলিয়ে রেখে যে নির্মম বর্বতা ভারত স্থাপন করেছে তা বিশ্বে নজিরবিহীন সীমান্ত আগ্রাসনের চরম দৃষ্টান্ত। বিজিবি সদস্য হত্যার মধ্য দিয়ে আবারো প্রমানিত হলো যে, বিএসএফ সীমান্তে নির্বিচারে নিরীহ বাংলাদেশী নাগরিকদের পাখির মতো হত্যার মহোৎসব চালিয়ে আসছে। ভারত আর্ন্তজাতিক রীতি-নীতি ও কুটনৈতিক শিষ্টাচার মানছে না, তাই সীমান্ত হত্যা বন্ধে জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ একান্ত প্রয়োজন।

তিনি আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক বিজিবি সদস্য হত্যার প্রতিবাদে বাংলাদেশ লেবার পার্টি আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

লেবার পার্টির ঢাকা মহানগর সভাপতি এস এম ইউসুফের সভাপতিত্বে কর্মসুচীতে বক্তব্য রাখেন লেবার পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান হিন্দুরত্ম রামকৃষ্ণ সাহা, এডভোকেট জোহরা খাতুন, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব খন্দকার মিরাজুল ইসলাম, যুগ্ম-মহাসচিব আবদুর রহমান খোকন, মুফতি তরিকুল ইসলাম সাদী, হেলাল উদ্দিন চৌধুরী, প্রচার সম্পাদক মনির হোসেন খান, মহিলা সম্পাদিকা নাসিমা নাজনিন সরকার, মহানগর নেতা এনামুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা বাদশা মিয়া, রবিউল ইসলাম, ছাত্রমিশন সভাপতি সৈয়দ মোঃ মিলন ও যুগ্ম সম্পাদক মোঃ লিটন খান প্রমুখ।

মিছিলটি পুরানা পল্টন সড়ক হতে শুরু হয়ে বিজয়নগর, পল্টন মোড়, হাউজবিল্ডিং, দৈনিক বাংলা মোড়, বায়তুল মোকাররম, বাসস, সচিবালয়, প্রেসক্লাব হয়ে তোপখানা রোডে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের মাধ্যমে শেষ হয়। 

আরও খবর



মির্জাপুরে অবৈধ মাটি কাটার বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৭৯জন দেখেছেন

Image

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:মির্জাপুর উপজেলার মীর দেওহাটা নামক স্থানে রবিবার ০৪/ তারিখ নদীতে বাঁধ দিয়ে অবৈধভাবে মাটি কাঁটার দায়ে দুইজনকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সেই সাথে নদীতে নির্মিত অবৈধ বাঁধ কেটে দেওয়া হয়েছে।

এ সময় মাটি কাটা রত অবস্থায় ৬টি ভেকু ও ১১ টি ড্রাম ট্রাক জব্দ করা হয়। জব্দকৃত ভেকু ও ড্রাম ট্রাক স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বারের জিম্মায় রাখা হয়েছে। এই অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাকিলা বিনতে মতিন। তিনি বলেন, আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।


আরও খবর



ডোমারে শাওন হিমাগারে এজেন্ট, ব্যবসায়ী ও আলু চাষী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ৫৯জন দেখেছেন

Image

ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি:নীলফামারীর ডোমারে সুনামধন্য প্রতিষ্ঠান শাওন হিমাগারে এজেন্ট, ব্যবসায়ী ও আলু চাষী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় ছোট রাউতা হিমাগার প্রাঙ্গণে শাওন হিমাগারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ডোমার পৌরসভার সফল মেয়র আলহাজ¦ মনছুরুল ইসলাম দানু’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ব্যাংক নীলফামারী শাখার ভাইস প্রেসিডেন্ট ও শাখা ব্যবস্থাপক আনোয়ার হোসেন। স্টোরকিপার ছামিউল ইসলামের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন উক্ত ব্যাংক এর লিগ্যাল এ্যাডভাইজার এ্যাড. শহিদুল ইসলাম শাহ, ইনভেষ্টমেন্ট অফিসার জিল্লুর রহমান, রাকাব এর সাবেক এজিএম তাপস কুমার ঘোষ, হিমাগারের পরিচালক শাহেদ ইসলাম শাওন, কৃষিবিদ সুবাস চক্রবর্তী, ব্যবস্থাপক জাহিদুল হক প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসাবে, ডোমার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পেশ ঈমাম ও খতিব আলহাজ¦ মুফতি মাহমুদ বীন আলম, ডোমার আইডিয়াল একাডেমীর অধ্যক্ষ মাওঃ মোসলেহুদ্দীন শাহ্ধসঢ়;’র আলু চাষী ও এজেন্ট ফরিদ আহমেদ, আব্দুল হামিদ, রেজাউল করিম, আমিনুর রহমান বক্তব্য রাখেন।

আলোচনা শেষে হিমাগারে সর্বচ্চো আলু সংরক্ষণকারী চাষী হিসাবে আসাদুজ্জামান মিঠুকে প্রথম পুরস্কার ২ লক্ষ টাকা, আব্দুল হামিদকে ২য় পুরস্কার ১ লক্ষ টাকা এবং ৩য় স্থান অধিকারী মশিয়ার রহমানকে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার হিসাবে প্রদান করেন হিমাগারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ডোমার পৌরসভার মেয়র আলহাজ¦ মনছুরুল ইসলাম দানু।


আরও খবর

গাংনীতে বালাইনাশক ব্যবহারে উদাসিন কৃষকরা

শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪