Logo
আজঃ রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম
মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনিরা পাবে না তো রাজাকারের নাতিরা পাবে? কর্মীদের দক্ষ করে বিদেশে পাঠাতে হবে : প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশকে কত বিলিয়ন অনুদান-ঋণ দেবে চীন, জানালেন প্রধানমন্ত্রী নাসিরনগরে খুনের মামলার বাদীর এখন দিন কাটছে আতংকে মধুপুরে ক্লিনিং স্যাটারডে কার্যক্রম অনুষ্ঠিত এবার কোটা আন্দোলনের পক্ষে কথা বললেন আয়মান সাদিক ভারতে পাচার হওয়া ৫ বাংলাদেশি সাজাভোগ শেষে দেশে ফিরেছে শিক্ষার্থীরাই হবে আগামী বাংলাদেশের কর্ণধার: ধর্মমন্ত্রী দেশের অর্থনীতি এখন যথেষ্ট শক্তিশালী: প্রধানমন্ত্রী বীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ সামন্ত লাল সেন

১০ দিন পর পৃথিবীতে ফিরে এলেন সৌদি নারী নভোচারী

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | ৩৫২জন দেখেছেন

Image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:টানা ১০ দিন মহাকাশে অবস্থানের পর পৃথিবীর বুকে ফিরে এসেছেন সৌদির নারী নভোচারী রায়ানা বারনাউই ও তার তিন সহচারী। তাদের বহনকারী স্পেসএক্সের ক্রু ড্রাগন ক্যাপসুল ফ্লোরিডার মেক্সিকো উপসাগরের উপকূলীয় শহর পানামা সিটিতে অবতরণ করে। মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে ফিরতে তাদের সময় লাগে দীর্ঘ ১২ ঘণ্টা।

আল জাজিরা জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বুধবার ফ্লোরিডাতেই ফেরেন তারা।

এর আগে গত ২০ মে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা থেকে স্পেসএক্স ফ্যালকন ৯ রকেটে করে মহকাশের উদ্দেশ্যে পাড়ি জমান তারা। মহাকাশে অবস্থিত আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে ১০ দিন বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালান এ নভোচারীরা।

রায়ানার সঙ্গে একই রকেটে মহাকাশে গিয়েছিলেন সৌদির পুরুষ নভোচারী আলী আল-কুরনি, জন সেফনার ও নাসার সাবেক নভোচারী পেগি হুইটসন।

এদিকে পৃথিবীতে অবতরণের পর রায়ানাসহ বাকি তিন নভোচারীকে হেলিকপ্টারে করে প্রথম গন্তব্যে নিয়ে যাওয়া হয়।মধ্যপ্রাচ্যের সংবাদমাধ্যম আরব নিউজ জানিয়েছেন, এ চারজনের পরবর্তী গন্তব্য হলো ক্যাপ ক্যানাভেরাল। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে সেখানে বিমানে করে যাবেন তারা।

এই মহাকাশযাত্রার আয়োজক হিউস্টনভিত্তিক কোম্পানি ‘এক্সিওম স্পেস’। তাদের সার্বিক সহযোগিতা করে সৌদির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, ক্রীড়া মন্ত্রণালয়সহ প্রশাসনের আরও বেশ কয়েকটি বিভাগ। যাত্রা দলটির নেতৃত্ব দেন নাসার সাবেক নভোচারী পেগি হুইটসন। মহাকাশে সবচেয়ে বেশি সময় কাটানো মার্কিন নভোচারীর রেকর্ড এখনও তার দখলে।

যদিও সৌদি আরবের এটি প্রথম মহাকাশ অভিযান নয়। ১৯৮৫ সালে প্রথম মহাকাশে যান সুলতান বিন সালমান বিন আব্দুলআজিজ। তিনি বিমান বাহিনীর পাইলট ছিলেন। আমেরিকার একটি মহাকাশ অভিযানে অংশ নেন তিনি।


আরও খবর



কালিয়াকৈরে আবারো সড়ক-ফুটপাত অবৈধ দখলমুক্ত

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | ৬৮জন দেখেছেন

Image

সাগর আহম্মেদ,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার কালিয়াকৈর বাজার এলাকায় গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনা শনিবার সকালে আবারো অবৈধ দখলমুক্ত করেছে উপজেলা প্রশাসন। শুধু স্বাধীনতা দিবস ও বিজয় দিবসসহ বিভিন্ন সময় বার বার ওই বাজার এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হলেও আবার অবৈধ স্থাপনা বসান দখলদাররা। এবার দখলমুক্ত করায় প্রশংসায় ভাসছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। তবে আবারো সেখানে অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠার শঙ্কা প্রকাশ করেছেন পথচারীরা।

এলাকাবাসী, পথচারী ও উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, কালিয়াকৈর উপজেলায় একটি ঐতিহ্যবাহী সুনামধন্য বাজার হচ্ছে কালিয়াকৈর বাজার। কিন্তু এ বাজারের প্রবেশ মুখে সিন্ডিকেট চক্র দীর্ঘদিন ধরে পুরোনো ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও বাজার সড়ক অবৈধভাবে দখলের মাধ্যমে রমরমা ব্যবসা বাণিজ্য করে আসছে। অভিযোগ রয়েছে, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, পুলিশ এবং স্থানীয় প্রশাসনের অসাধু কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী, ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী নেতাকর্মীদের ছত্রছায়ায় এসব অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠে। আর এসব অবৈধ স্থাপনার কারণে এ মহাসড়কের ওই অংশে, বাজার সড়ক, ধামরাই-কালিয়াকৈর-মাওনা সড়কে নিয়মিত যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। শতশত অবৈধ স্থাপনার কারণে এখান দিয়ে চলাচলরত যাত্রী ও পথচারীরা পায়ে হেঁটেও চলাচলেও চরম দুর্ভোগে পড়েন। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েন রোগী ও তার পরিবার, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পেশাজীবি মানুষ। অথচ স্বাধীনতা দিবস ও বিজয় দিবসসহ বিভিন্ন সময় বার বার ওই বাজার এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হলেও ২/৩ দিন পরই আবারো অবৈধ স্থাপনা বসান দখলদাররা। এদিকে মানুষের চরম দুর্ভোগ লাঘব করতে মৌখিক ভাবে নির্দেশনা দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার আহম্মেদ।

তাঁর এমন নির্দেশনা অনুযায়ী শনিবার সকালে এসব অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিয়েছেন দখলদাররা। এর মাধ্যমে দখলমুক্ত হলো বহু কাঙ্খিত পুরানো ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক, ধামরাই-কালিয়াকৈর-মাওনা সড়ক, কালিয়াকৈর বাজার সড়ক ও ফুটপাত।

এবার দখলমুক্ত করায় প্রশংসায় ভাসছেন ওই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। এদিকে প্রশাসনের এমন উদ্যোগে হতাশা প্রকাশ করেছেন দখলদারী ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন, আয় রোজগারের পথ বন্ধ হলো এখন আমরা পরিবার-পরিজন নিয়ে কিভাবে চলবো? তবে এখানে সরাসরি অনেক জমি আছে, যদি দোকান ঘরের ব্যবস্থা করে দিতেন তাহলে পরিবার-পরিজন নিয়ে কোনো রকম খেয়ে-পড়ে বাঁচতে পারবেন বলেও ব্যবসায়ীদের দাবী। অপরদিকে এসব অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিলেও সরানো হয়নি উপজেলা মডেল মসজিদের সামনে অবৈধ সিএনজি ও অটোরিকশা অবৈধ স্টেশন।

ওই অবৈধ স্টেশনও উচ্ছেদের দাবী জানিয়েছেন চলাচলরত পথচারী ও বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রীরা। তারা সড়ক ও ফুটপাত অবৈধ দখলমুক্ত হওয়ায় খুশি। বার বার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হলেও গড়ে উঠে অবৈধ স্থাপনা। তবে আবারো সেখানে আগের মতো অবৈধ স্থাপনা উঠবে নাতো? এমন শঙ্কা প্রকাশ করেছেন পথচারীরা।

এব্যাপারে কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার আহম্মেদ জানান, মৌখিকভাবে নির্দেশনায় সেখানকার অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিচ্ছেন দখলদাররা। তবে সিএনজি ও অটোরিকশার অবৈধ স্ট্রেশন অভিযান চালিয়ে উচ্ছেদ করা হবে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



মাগুরার মহম্মদপুরে অর্থনৈতিক শুমারির প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | ১১২জন দেখেছেন

Image

স্টাফ রিপোর্টার মাগুরা থেকে:মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা সদরের সরকারি আর,এস,কে,এইচ ইনিস্টিটিউশন হলরুমে  শুক্রবার ২৮ জুন জাতীয় অর্থনৈতিক শুমারি-২০২৪ এর প্রথম জোনাল অপারেশনে নিয়োজিত ১০৭ জন লিস্টারদের ৩ দিন ব্যাপি প্রশিক্ষন কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মহম্মদপুর উপজেলা পরিষদের নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান  এড. আব্দুল মান্নান।

মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার  পলাশ মন্ডলের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো:ঈদুল শেখ, সরকারি আর এস কে এইচ ইনিস্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষক  এ,কে,এম,নাসিরুল ইসলাম,উপজেলা মুক্তিযোদ্বা সংসদের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো:আঃ হাই মিয়া।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসার মো: আব্দুল্লাহ আল মামুন।উক্ত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অর্থনৈতিক শুমারি'র ১০৭ জন  তালিকাকারী উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



স্বামীর সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার, প্রেমিকসহ গ্রেফতার ৭

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | ১৩৮জন দেখেছেন

Image
মারুফ সরকার,স্টাফ রিপোর্টার:রাজধানীর খিলক্ষেতে স্বামীর সঙ্গে ঘুরতে যাওয়া এক নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ভুক্তভোগীর প্রাক্তন প্রেমিকসহ ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঐ নারীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার খিলক্ষেত থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ৬ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন ধর্ষণের শিকার নারী। এর আগে, শুক্রবার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বনরূপা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ডিএমপির ক্যান্টনমেন্ট জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) শেখ মুত্তাজুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ঐ নারী শুক্রবার সন্ধ্যায় তার স্বামীর সঙ্গে খিলক্ষেত এলাকার ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কের বনরূপা এলাকায় ঘুরতে যান। সেখানে তার প্রাক্তন প্রেমিক আবুল কাশেম ওরফে সুমনের নেতৃত্বে ৭ জনের একটি দল তাদের অপহরণ করে। এরপর ভুক্তভোগী নারী ও তার স্বামীকে বনরূপা এলাকার ঝোপঝাড়ের ভেতরে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে তার স্বামীর কাছে ৭০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। তিনি মুক্তিপণের টাকা আনতে বেরিয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দেন।

এসি শেখ মুত্তাজুল ইসলাম বলেন, পুলিশ খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে বনরূপা এলাকায় যায়। পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে দুর্বৃত্তরা ঝোপঝাড়ের ভেতরে বারবার তাদের অবস্থান পরিবর্তন করতে থাকে। ভোর ৪টার দিকে পুলিশ সেখান থেকে ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। কিন্তু দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যান। পরে ভুক্তভোগী নারীর সঙ্গে কথা বলে পুলিশ জানতে পারে  চারজন দুর্বৃত্ত তাকে ধর্ষণ করেছে।

ডিএমপির এ কর্মকর্তা বলেন, পুলিশ শনিবার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি কাশেমসহ ৭ জনকে গ্রেফতার করে। জিজ্ঞাসাবাদে কাশেম জানান,ঐ নারীর সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল; তাকে বিয়ে না করায় পরিকল্পিতভাবে দলবল নিয়ে ঐ নারীকে তুলে এনে ধর্ষণ করা হয়েছে।

আরও খবর



জয়পুরহাটের ক্ষেতলালের সন্যাসতলীতে ঐতিহ্যবাহী ঘুরির মেলা

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | ১৫৯জন দেখেছেন

Image

এস এম শফিকুল ইসলাম,জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃজয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার তুলশীগঙ্গা নদী তীরবর্তী সন্যাসতলী মন্দিরের পাশে  বসেছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ঘুড়ির মেলা শুরু হয়েছে। গ্রামীণ এ মেলাকে ঘিরে আশপাশের গ্রামগুলোতে চলছে উৎসবের আমেজ।

প্রতি বছর জৈষ্ঠ্যমাসের শেষ শুক্রবারে এ মেলা বসে। সেই মোতাবেক শুক্রবারও (১৬ জুন)  বসেছে ঘুড়ির মেলা। মেলার আইন শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের প্রস্ততি গ্রহন করেছিলেন মেলার আয়োজক।

এ মেলার সঠিক ইতিহাস জানা যায় না। তবে সন্যাসী পূজাকে ঘিরে চার- পাঁচশ বছরেরও আগে এ মেলার উৎপত্তি হয়েছে বলে জনশ্রুতি রয়েছে সন্যাসতলীর এ ঘুড়ির মেলায় আশপাশের গ্রাম ছাড়াও দূর-দূরান্ত থেকে হাজার হাজার মানুষ

আসেন। এ দিন সনাতন ধর্মের লোকজন মন্দিরে সন্যাসীকে পূজা দিয়ে দিনটি উৎযাপন করলেও এটি মুলত হিন্দু মুসলমানের মিলন মেলা।

মেলায় প্রবেশ করলেই প্রথমে নজরে পড়বে তুলশীগঙ্গা নদীর তীরে অনেকের হাতে নাটাই ও কারো কাছে  ঘুড়ি। চেষ্টা চলছে কার ঘুড়ি কত উপরে উঠতে পারে। আর বিভিন্ন ধরণের  রঙ বেরঙের ঘুড়ি দেখিয়ে ক্রেতাদের মন জয় করার চেষ্টা করছেন বিক্রেতারা। ঘুড়ি ছাড়াও গ্রামীন তৈজষপত্র ও সংসারের কাজের জিনিষপত্র, মিঠাই- মিষ্টান্ত দেখতে  মেলায় ঢল নামে সব বয়সী মানুষের। সেই সেই সাথে  মেলাকে ঘির আশপাশের গ্রামগুলোতে ধুম পড়ে যাঢ উৎসবের। মেলায় নজর  কেড়েছে বিভিন্ন জেলা থেকে আসা দর্শনার্থীদের।

মেলার পাশে আমিড়া গ্রামের গোলাম রব্বানী বলেন,মেলার বয়স তার জানা নাই। বাপ দাদার সাথে তিনি মেলায় আসতেন। এখন তার বয়স ৭০ বছর পার হয়েছে। এবারও তিনি মেলায় এসেছেন। এসময় তিনি আবেগ কন্ঠে বলেন,

মাঠ জুড়ে এসব ঘুরি ওড়ানো হয়। ঘুরি আর লাটাই কিনতে দোকানে ভিড় করেন বিভিন্ন বয়সী মানুষ। মেলাকে ঘিরে স্বজনদের আপ্যায়ন চলে মেলা সংলগ্ন আশপাশের গ্রামগুলোতে। 

রং বেরংয়ের ঘুড়ি মেলার মূল আকর্ষণ হলেও মেলায়  মিঠাই-মিষ্টান্ন, প্রসাধনী, মাটির হাড়ি পাতিল, হাতপাখা, লোহার জিনিষপত্র ও শিশুদের খেলনা সামগ্রীসহ গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী নাগরদোলা নজর কেড়েছে মানুষের।

জিয়াপুর গ্রামের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম  বলেন, প্রচলিত রেওয়াজ অনুযায়ী মেলা উপলক্ষে  মেয়ে জামাই এবং স্বজনদের আপ্যায়ন চলে কয়েক গ্রামেজুড়ে। আর মেলাকে ঘিরে উৎসবের আমেজ বিরাজ করে সকল ধর্মের মানুষের।

বগুড়ার ঘোড়াধাপ গ্রামের ঘুড়ি বিক্রেতা আব্দুর রশিদ বলেন,  তিসি পঞ্চাশ বছর ধরে প্রতি বছর জৈষ্ঠ্যমাসের শেষ শুক্রবারে সন্যাসতলী মেলায় ঘুড়ি বিক্রি করতে এসেছেন। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে ঘুড়িরও প্রকার বদলে গেছে। ঘুড়ি ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে নানা রঙের ঘুড়ি ও নাটাই মেলায় এনে বিক্রি করছেন। একটি ঘুড়ি পঞ্চাশ টাকা থেকে শুরু করে  দেড় হাজার টাকাতে বিক্রি করছেন। এবছর মেলার দিন আবহাওয়া  ভাল থাকাতে বেচাকেনা ভাল হওয়াতে খুশি তিনি।

বগুড়া বিয়াম মডেল স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রাফান নিশায বলেন, আমার দাদার বাড়ি আক্কেলপুরে। এখন আমরা বগুড়াতেই স্থায়ীভাবে বসবাস করছি। আমি শুনেছি সন্যাসতলীতে ঘুড়ির মেলা বসে কখনও যাওয়া হয়নি। আজ বাপ্পির সাথে মেলায় এসে হরেক রকমের ঘুড়ি দেখলাম। হাজার হাজার মানুষ তাদের পছন্দমত ঘুড়ি কেনার আগে ঘুড়ি উড়িয়ে দেখে কিনছেন। আমিও একটি ঘুড়ি ও সুতাসহ নাটাই কিনলাম। মেলায় এসে খুব ভাল লেগেছে।সন্যাসতলী মেলা কমিটির সভাপতি শাজাহান আলী ভুট্রু বলেন, 

প্রতি বছরের মত এবারেও সন্যাসতলী মেলা বসেছে। প্রায় চারশ  বছরের অধিক পুরাতন এ মেলায় আমরা হিন্দু মুসলিম সবাই মিলে পরিচালনা করি। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ক্রেতা বিক্রেতা,  ব্যবসায়ীসহ সব বয়সী মানুষের পদচারণায় মেলা প্রাঙ্গন ও আশে পাশের গ্রামে উৎসবে মেতে উঠেন।

মেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের প্রস্তুতি থাকাই শান্তিপূর্ণ ভাবে মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।


আরও খবর



যামিনীপাড়া জোন ২৩ বিজিবির উদ্যােগে অসহায় পাহাড়ি-বাঙালিদের বিভিন্ন অনুদান প্রদান

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | ৫৭জন দেখেছেন

Image
জসীম উদ্দিন জয়নাল,পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি:পার্বত্য এলাকায় স্থিতিশীলতা ও শান্তি বজায় রাখার লক্ষ্যে যামিনীপাড়া জোন (২৩ বিজিবি) সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি নিয়মিতভাবে বিভিন্ন ধরনের জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার  (১১ জুলাই)  যামিনীপাড়া জোন (২৩ বিজিবি) এর জোন কমান্ডার লেঃ কর্নেল আলমগীর কবির, পিএসসি শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের আওতায় আর্থিক ও বিভিন্ন রকমের নির্মাণ সামগ্রী অনুদান প্রদান করেন।

মানবিক সহায়তার মধ্যে  জোনের আওতাধীন দুস্থ ও অসহায় (১) জাপান শ্রী ত্রিপুরা,  (২) সরলীকা ত্রিপুরা, (৩)  শমি বালা ত্রিপুরা, (৪) জোস্না আক্তার,  (৫) খোদেজা আক্তার, এই ৫জনকে পুরাতন ও ভাঙ্গা ঘরে মানবেতর জীবন যাপন করে আসছে। তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে জোন থেকে ১৪.৫০ বান ঢেউটিন অনুদান দেয়া হয়। এছাড়া ডাকবাংলা লুম্বিনী বৌদ্ধ বিহারে ০১টি সিলিং ফ্যান, ইউনিসেফ পাড়াকেন্দ্র (বড়পাড়া) স্কুলে ০১টি সিলিং ফ্যান অনুদান প্রদান, ০৭ জন দুস্থ ও অসহায় ব্যক্তিকে নগদ আর্থিক অনুদান প্রদান, বিশ্বরাম কারবারীপাড়া থেকে বড়পাড়া তৈলাফাং ছড়া পাড়াপাড়ের জন্য সাঁকো মেরামতের নিমিত্তে আর্থিক অনুদান প্রদান এবং যামিনীপাড়া বর্ডার গার্ড উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও স্টাফদের বেতন বাবদ ৫০,০০০/- টাকা অনুদান দেয়া হয়। হোসনেয়ারা বেগম, স্বামী-বেলাল হোসেন এর বাড়ীতে বিদ্যুৎ না থাকায় ০১ টি সৌর বিদ্যুতের ব্যাটারি অনুদান প্রদানসহ আমিন সরদারপাড়া জামে মসজিদের ইমাম থাকার ২০ ফুট একটি টিন সেড ঘর নিমার্ণের জন্য আর্থিক অনুদান এবং ছালেহা খাতুন, এর মেয়ের বিবাহের জন্য আর্থিক অনুদান প্রদান করেন। এছাড়াও প্রতি মাসের ন্যায় এ মাসেও আওতাধীন এলাকার ০৫ টি মাদ্রাসায় ৩৫০ কেজি চাল এবং ৫০ কেজি চিনি বিতরণ করেন। মোট ২,০১,৩৫০/- টাকার অনুদান প্রদান করেন এবং সর্বমোট সুবিধা ভোগীর সংখ্যা ১৯৪৫ জন (পাহাড়ি-১৪৭২ এবং বাঙালি-৪৭৩ জন)।

-খবর প্রতিদিন/ সি.

আরও খবর