English Version

ড. মিজানুর রহমান মানবাধিকার সুরক্ষা নাগরিক কমিটির বক্তব্য

প্রকাশিতঃ সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২০, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ণ


       নিউজ ডেস্ক :                             

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে খ্যাতিমান, বাংলাদেশে আইন শিক্ষার অন্যতম প্রবাদপুরুষ ও আইন শিক্ষাঙ্গনের জাতীয় অভিভাবক,

 

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের স্বনামধন্য শিক্ষক অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমানকে জড়িয়ে বিগত ০৩.০৯.২০২০ তারিখে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের কর্মকর্তাগণ জনৈক ডাঃ সাবরিনার ২য় জাতীয় পরিচয়পত্র ইস্যু সংক্রান্ত যে মনগড়া, অপ্রমাণিত, অসমর্থিত, ও বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য প্রদান করেন এবং তাঁদের উক্ত বক্তব্যের উপর রং চড়িয়ে কতিপয় ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে যে ধরণের নিউজ রিপোর্ট প্রচার করে, তা অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমানের মত একজন জাতীয় ব্যক্তিত্বের জন্য অত্যন্ত মর্যাদাহানিকর।

এই অতিশয় অনভিপ্রেত, দুঃখজনক ও নিন্দনীয় ঘটনায় সমব্যথী ও সংক্ষুব্ধ হয়ে বিগত ০৬.০৯.২০২০ তারিখে বাংলাদেশের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার অধিকার সচেতন মানুষ সহমত পোষণ করে জনস্বার্থে ড. মিজানুর রহমান মানবাধিকার সুরক্ষা নাগরিক কমিটি গঠন করেন।

দেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সভাপতি ড. আবুল বারকাত এবং বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ও বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট বার এ্যাসোসিয়েশনের সম্মানিত সভাপতি এ্যাডভোকেট এ. এম. আমিন উদ্দিন যথাক্রমে এই নাগরিক কমিটির আহবায়ক ও যুগ্ম-আহবায়ক।

ব্যারিস্টার খান মোহাম্মদ শামীম আজিজ কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমানকে ঘিরে উল্লেখিত ঘটনাবলীর গুরুত্ব ও স্পর্শকাতরতা অনুধাবন করে ড. মিজানুর রহমান মানবাধিকার সুরক্ষা নাগরিক কমিটি বিগত ০৭.০৯.২০২০ তারিখে কমিটির সদস্যবৃন্দের স্বাক্ষরসহ গণমাধ্যমে নিম্নলিখিত প্রতিবাদপত্র পাঠায়ঃ

(১) নির্বাচন কমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা প্রদত্ত সাক্ষাৎকারে বলেছেন যে, তিনি নিজে প্রফেসর ডঃ মিজানুর রহমানকে নির্বাচন কমিশনে দেখেননি, তবে তিনি ‘শুনেছেন’ যে প্রফেসর ড. মিজানুর রহমান নির্বাচন কমিশনে উক্ত কাজে এসেছেন। বক্তব্যটি সম্পূর্ণ মনগড়া, অসমর্থিত এবং অপ্রমাণিত হলেও তার নিউজ রিপোর্টিং করা হয়েছে, যা জাতীয় পরিচয়পত্র ইস্যুর মত অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয়ে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সংশ্লিষ্টদের গুরুতর অনিয়ম, পেশাগত অদক্ষতা, অবহেলা ও অপরাধের পরিচায়ক। এ বিষয়টি যথাযথভাবে খতিয়ে না দেখে অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমানের মত একজন জাতীয় ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে যেভাবে সংবাদটি প্রচার করা হয়েছে তা আমাদেরকে ব্যথিত করেছে। আমরা নির্বাচন কমিশনের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের বক্তব্য এবং প্রচারিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন করছি।

(২) বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী কোন ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্র বিদ্যমান থাকাকালে দ্বিতীয় কোন জাতীয় পরিচয়পত্র ইস্যু করার বিধান নেই। অন্য যে কোন ব্যক্তির সুপারিশে (তিনি যতো ক্ষমতাবানই হোন না কেন) এরকম ঘটনা কোন অর্থেই আইনানুগ নয়। যদি এমন কিছু করা হয় তা বিদ্যমান আইনসমূহের গুরুতর লংঘন। নির্বাচন কমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উল্লেখিত ২য় জাতীয় পরিচয়পত্র ইস্যু করে দণ্ডনীয় অপরাধ করেছেন।

(৩) এই নাগরিক কমিটি ড. মিজানুর রহমানের প্রতি গুরুতর এই সম্মানহানির ঘটনায় আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য প্রদানকারী ব্যক্তিবর্গ এবং সংশ্লিষ্ট সংবাদ সংগ্রাহক ও প্রচারকারীদের ‘ক্ষমা প্রার্থনা’সহ বক্তব্য প্রত্যাহারের আহবান জানাচ্ছে। অন্যথায়, অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমানের মর্যাদা সমুন্নত রাখতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।”

এই বিভাগের আরো খবর

প্রকাশকঃ
মোঃ মামুনুর হাসান (টিপু)

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক:
খন্দকার আমিনুর রহমান

বার্তা সম্পাদকঃ
সোরওয়ার্দী মিয়া

৫০/এফ, ইনার সার্কুলার (ভিআইপি) রোড, নয়া পল্টন, ঢাকা-১০০০।
ফোন: ০২-৯৩৩১৩৯৪, ৯৩৩১৩৯৫, নিউজ রুমঃ 015-35773314 - 013-18515080
ই-মেইল: khoborprotidin24.com@gmail.com

.::Developed by::.
Great IT